somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ইরান-আমেরিকা যুদ্ধ শুরু হচ্ছে আজকেই?

০৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ ভোর ৬:৩১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



এখন আমেরিকান সময়: সন্ধ্যা ৭:২০, ৭ই জানুয়ারী; সিএনএন বলছে, কিছুক্ষণ আগে ইরাকে অবস্হিত আমেরিকান সৈন্যদের ২টি অবস্হানের উপর ১ ডজনের বেশী বেলাষ্টিক মিশাইল এসে পড়েছে; হতাহতের খবর এখনো পাওয়া যায়নি; এখনো নাকি মিসাইল ছুঁড়ছে। ইহার পর কি ঘটবে বলা মুশকিল।

*** ২/৩ মিনিট আগে আমেরিকান ডিফেন্স সেক্রেটারী ও ষ্টেইট সেক্রেটারী হোয়াইট হাউজে এসেছে। ন্যাশনাল সিকিউরিটির লোকজন হোয়াইট হাউজে আছে।

*** সময় ৭:৪০, মিসাইল আসার ভিডিও দেখাচ্ছে সিএনএন।

*** হয়তো যুদ্ধ শুরু হয়েছে (অনুমান); প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবে। (সময়: সন্ধ্যা, ৭:৫৯)

*** ইরাকী সৈন্য এয়ারবেইজে ইরাকী সৈন্যদের মাঝে হতাহত হয়েছে; আমেরিকান কোন সৈন্য হতাহতের মাঝে নেই।

*** ইরান টেলিভিশন থেকে মিসাইল আক্রমণের কথা ঘোষণা করেছে; তারা বলেছে যে, তারা আমেরিকান পজিশন আক্রমণ করেছে। (সময়: ৮:২২)

*** প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভাষণ দেবে না; মনে হয়, আজ রাতে যুদ্ধ না লাগার সম্ভাবনা। (সময়: ৮:৪০)
*** মনে হচ্ছে, ট্রাম্প কিছু সময় অপেক্ষা করার নীতি অনুসরণ করছে। তবে, এই প্রেসিডেন্টকে বুঝাও মুশকিল; হয়তো, সে ইরানকে বুঝতে না দিয়ে আক্রমণ করার জন্য টেলিভিশনে কথা বলছে না; আমেরিকানরাও অন্ধকারে।

*** মিডিয়াতে ৩ জন কংগ্রেসম্যান আজ রাতেই ইরান আক্রমণের জন্য প্রেসিডেন্টকে অনুরোধ করেছে।

*** ইরাকীদের মাঝে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। (সময় রাত: ১০:২৯)

*** ট্রাম্প আজকে কোন এ্যাকশানে না যাবার ঘোষণা দিয়েছে। (সময়: রাত ১১:৫৮)

আজ বিকেল ৪টার দিকে, সিএনএন'এ ইরানের ফরেন মিনিষ্টার ইন্টারভিউ দিয়েছে, সে যেভাবে তাচ্ছিল্যের সাথে, হাসিহাসি মুখে আমেরিকাকে ও বিশ্বকে ভয় দেখায়েছে, আমেরিকাকে শেষ অবধি হয়তো এটমবোমা ফেলতে হবে। সে আমেরিকান ডিফেন্স মিনিষ্টারের রেফারেন্স দিয়ে কথা বলছিলো; আমেরিকান ডিফেন্স মিনিষ্টার কোথায় যেন বলছে যে, আমেরিকা প্রতি বছর ২ ট্টিলিয়ন ডলার ব্যয় করে মিলিটারী ইকুইপমেন্টে; এটাকে নিয়ে সে তাচ্ছিল্যের সাথে বললো যে, ইকুইপমেন্ট কিছুই না, মানুষই হলো আসল; ইরানের কাছে শক্ত মনের ও ইরানের প্রতি ডেডিকেইটেড মানুষ আছে, যা আমেরিকার নেই। সে কথা শেষ করার সময় বললো, "আমেরিকা জেগে উঠো"।

জ্ঞান, বিজ্ঞান, টেকনোলোজী ও মরালের দিক থেকে ধরলে, পাকিস্তান থেকে শুরু করে, আফ্রিকা অবধি মানুষগুলো এখনো আসলে গুহাবাসী; এদের কথাবার্তা শুনলে মনে হবে, এরা বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী ও বুদ্ধিমান জাতি। আসলে, এদের দীর্ঘদিনের ইতিহাস আছে বইপত্রে; মধ্যযুগে এরা কিছুটা ভালো ছিলো; কিন্তু এরা বর্তমান বিশ্বের জন্য বোঝা ছাড়া কিছুই না; তারা নিজের মতো বাস করলে কেহ তাদের কিছু বলার কথা নয়; কিন্তু তারা অন্য জাতিকে পংগু করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠে।

জাপানে আমেরিকা কেন এটমবোমা ফেলেছিলো? কারণ, পার্ল-হার্বারে অকারণে আমেরিকানদের হত্যা করেছিলো বেকুব জাপানীরা। ২য় বিশ্বযুদ্ধের সময়, জাপান কোন অবস্হায় পার্ল-হার্বার দখল করে রাখতে পারার কথা নয়; যদি উহা দখল করতে না পারে, কিংবা দখল করে ধরে রাখতে না পারে, কি কারণে এক রবিবার সকালে, যখন সবাই চার্চে গেছে, তখন কেন ভয়ংকরভাবে আক্রমণ করে মানুষ মারা হলো ও জাহাজ ঢুবানো হলো? আমেরিকানরা ক্ষোভে দু:খে ২টি জাপানী শহর মুছে দিয়েছিলো।

লেবাননের হেজবুল্লাহ বাগদাদে গিয়ে আমেরিকান দুতাবাস আক্রমণ করে অনেকটা দখল করে নিয়েছিল গত সপ্তাহে; তখন ইরানের ২য় ক্ষমতাধর ব্যক্তি বাগদাদে এসে হিজবুল্লাহ'র কমান্ডারের সাথে কিসের মিটিং করছিলো? আমেরিকা কি ওকে হত্যা না করে, দুতাবাসের মানুষগুলোকে সোলেমানীর লোকদের ছুরির নীচে ছেড়ে দেবে? আমেরিকা সঠিক কাজ করেছে।

ইরান থেকে জাপান ছিলো হাজারগুণে শক্তিশালী; সেই জাপানের ২টি শহর মুছে দিয়েছিলো আমেরিকা; ইরানের লিলিপুটিয়ানরা আরব দেশগুলোকে সন্ত্রাসী দিয়ে পংগু করে দিয়েছে; এখন আমেরিকাকে নিয়ে হাসছে? আসলে, এটমবোমা না খেলে শান্ত হবে না।

কিছুক্ষণ আগে আমেরিকান পজিশনে বেলাষ্টিক মিসাইল এসেছে; বলা হচ্ছে, এগুলো ইরান থেকে ছুঁড়েছে; (এটা কে করছে বলা মুশকিল); কিন্তু ইরান যদি করে থাকে, মহা ভুল করছে।
সর্বশেষ এডিট : ০৮ ই জানুয়ারি, ২০২০ সকাল ১০:৫৯
৩১টি মন্তব্য ৩৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘স্বর্ণামতি সেতু’ থেকে

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ৩০ শে জুন, ২০২৬ রাত ১১:৫৯



আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক... ...বাকিটুকু পড়ুন

ষড়যন্ত্রঋতু

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:২৯

বাংলাদেশের রাজনীতিতে সারাবছরই ঐক্যের ঋতু, এখানে রাজনীতিতে শত্রু না থাকলে মিত্র টেকে না। যতদিন হাসিনা ছিল, স্বাধীনতাবিরোধীরা ছিল একটি সুখী পরিবার। বাম জানত ডানকে ঘৃণা করতে হয়, কিন্তু আপাতত স্থগিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার পছন্দের বাংলা গানগুলো

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ রাত ১:১১


অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি টুপ করে চলে আসবো

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ সকাল ১১:১৯


আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ০১ লা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:২৮




রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের... ...বাকিটুকু পড়ুন

×