
*** এখন সময়: জানু ৭, সকাল: ১০:৫০; কিছুক্ষণের মাঝে আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ভাষণ দেবে।
*** ট্রাম্প ভাষণ দিয়েছেন; ইরানকে এটম বোমা বানাতে দেয়া হবে না; ইরানকে সিরিয়া, লেবানন, ইরাক, ইয়েমেন ও আফগানিস্তানে "শিয়া মিলিশিয়া" বন্ধ করতে হবে।
গতকাল রাতে ইরান ১ ডজনের বেশী বেলাস্টিক মিসাইল ছুঁড়েছে ইরাকের ২টি বিমানঘাটিতে; কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি; এটা ইরানীদের দক্ষতার প্রমাণ, তারা কাউকে হত্যা করার জন্য মিসাইল ছোঁড়েনি, আমেরিকাকে হুশিয়ার করেছে। এটা ছিলো ভুল হুশিয়ারী; ভালো যে আমেরিকা ইরান আক্রমণ করেনি। আমেরিকান ন্যাশনাল সিকিউরিটির লোকজন, ডিফেনস ও ষ্টেইট সেক্রেটারী হোয়াইট হাউজে একত্রিত হয়েছিলো, আমেরিকা অর্ডার দিলেই যুদ্ধ শুরু হয়ে যেতো; ভালো যে, ট্রাম্প অর্ডার দেয়নি; ষ্টেইট সেক্রেটারী, পম্পেও যুদ্ধের পক্ষে ছিলো।
মিসাইল পড়ার পর, ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেয়ার কথা ছিলো; পরে ভাষণ দেয়নি, তখন আমেরিকা হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছে, যুদ্ধ শুরু হয়নি, আমেরিকান সাধারণ মানুষ কোন অবস্হায় যুদ্ধ চাচ্ছে না। কিন্তু আমেরিকানরা যুদ্ধ এড়াতে পারবে না, ইরান হয়তো আমেরিকাকে যুদ্ধে নিয়ে যাবে। এমন কি আমেরিকা আবার ইরাক দখল করার জন্য যুদ্ধে যেতে পারে।
আজকে ট্রাম্প জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবে; হয়তো, কেন যুদ্ধে যায়নি তা ব্যাখ্যা করবে; তবে, ইরান যা করছে আমেরিকা যুদ্ধ ব্যতিত তার নিষ্পত্তি করতে পারবে না।
গতকাল যুদ্ধ শুরু করলে, ইরান ১ম ১০ মিনিটে সৌদীর সব রিফাইনারী ও দুবাই শহর ধ্বংস করে দিতো; তারা ইজরায়েলও আক্রমণ করতো; কিন্ত ইজরায়েল প্রস্তুত ছিলো। সৌদী ও ইজরায়েল কিছু পরিমাণ মিসাইল থামাতে পারতো, কিন্তু দুবাই ও আমিরাত পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যেতো। সামনে কোনদিন আমেরিকা যদি ইরান আক্রমণ করে, ইরান প্রথমে আক্রমণ করবে দুবাই, সৌদ, ইজরায়েল ও জর্ডান।
ইরানকে না থামালে, ওরা কখনো বুঝতে পারবে না যে, তারা "শিয়া মিলিশিয়া" গঠন করে ইরাক, সিরিয়া, লেবানন ও ইয়েমেনকে আজীবনের জন্য পংগু করে দিয়েছে, প্যালেষ্টাইনের স্বাধীন হওয়ার পথ বন্ধ করে দিয়েছে। তা, ছাড়া ইরান এটম বোমা বানানোর চেষ্টা করলেও যুদ্ধের দরকার হবে।
এই অবস্হায়, সৌদী, দুবাই, জর্ডান ও ইজরায়েলকে রক্ষা করে যুদ্ধ করতে হলে আমেরিকাকে যুদ্ধ শুরুর প্রথম ৩/২ মিনিটের মাঝে ইরানকে থামাতে হবে; সেটার উপায় কি? উপায় একটা, এটম বোমা।
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই জানুয়ারি, ২০২০ রাত ৩:৪৫

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



