
সামুতে ২ জন ব্লগার, 'মোহাম্মদ আলী আখন্দ' ও 'হাসুমামা' এই ড্রাগ (রেমিডেসিভির) নিয়ে পোষ্ট দিয়েছিলেন; আপনারা যাঁরা পড়েছিলেন, তাঁরা মোটামুটি ধারণা ইতিমধ্যেই পেয়েছেন। গত সপ্তাহে আমেরিকার ভেতরে ৩য় ফেইজের পরীক্ষায় প্রত্যাশিত আশার কাছাকাছি কাজ করছে ড্রাগটি: করোনার ফলে সৃষ্ট নিমোনিয়া রোগীর উপর(যথাসম্ভব, সর্বমোট ১৩০ জন রোগীর উপর প্রয়োগ করা হয়েছে) পরীক্ষার সময় ইহা ১ দিনের পরেই রোগীর অবস্হা কিছুটা ভালোর দিকে নিয়ে গেছে। রোগীদের মাঝে কিছু ছিল করোনার সাধারণ নিমোনিয়ার রোগী, বেশীরভাগই ছিলো বেশ ক্রিটিক্যাল; এদের মাঝে মাত্র ২ জন রোগী আরোগ্য লাভ করেনি।
এই এন্টিভাইরালটা নতুন কিছু নয়, ইহা ইবোলার জন্য তৈরি করা হয়েছিলো; কিন্তু ইহার কার্যকারিতা কম হওয়ায় ইহা ইউএস এফডিএ থেকে ব্যবহারের অনুমতি পায়নি সেই সময়ে; এরপরও ড্রাগটিকে অন্যান্য রেসফিরেটরী ভাইরাল রোগে বিবিধ সময় পরীক্ষা করা হয়েছে; সেই সময়ও কিছুটা কার্যকর হয়েছে।
গত সপ্তাহে, এই এন্টিভাইরাল নিয়ে আমেরিকার মেডিক্যাল জার্নাল, নিউ ইংল্যান্ড জার্নালে অব মেডিসিনে আর্টিক্যাল এসেছে, সেখানে আশা প্রকাশ করা হয়েছে যে, ড্রাগটিকে রেনডমভাবে পরী্ক্ষা করার দরকার, এবং মনে হয়, ড্রাগটি আশানুরুপ কাজ করবে।
এই ড্রাগটি ব্যতিতও, এ্যাবোট ল্যাবের একটি ড্রাগ, 'এ্যাবভি' (মেডিক্যাল নাম) প্রাথমিক পরীক্ষায় করোনার উপর উৎসাহজনক ফলাফল দেখায়েছে।
বাংলাদেশের উচিত, ড্রাগটির পরীক্ষায় অংশ নেয়া; তাতে ড্রাগটি উৎপাদনের অনুমতি পেতে বাংলাদেশকে সাহায্য করবে।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




