
ব্লগে অনেক ইন্জিনিয়ার আছেন; পেশার দিক থেকে কে কি করছেন, আমরা (বাকী ব্লগারেরা ) জানি না; তবে, অনেকই ব্লগে হাদিস নিয়ে রিসার্চ করছেন, গল্প কবিতা লিখছেন, ভ্রমণ কাহিনী লিখছেন, আরবদের বিশ্বজয়ের ইতিহাস নতুন করে লিখছেন। বাংগালী ইন্জিনিয়াররা সৌদী আরব, কুয়েত, নিউইয়র্ক শহর চালাচ্ছেন; আমার ধারণা, বাংগালী ইন্জিনিয়ারেরা অতি সহজেই তিস্তা প্রজেক্ট, নতুন পোর্ট, ড্রেজিং ও অন্যান্য ইনফ্রাষ্ট্রাচার সহজেই হ্যান্ডলিং করতে পারবেন।
নিজের টাকায় পদ্মাসেতু ও ঋনের টাকায় মেট্রোরেল বিদেশীদের দিয়ে করানো ছিলো জাতির স্বার্থ-বিরোধী সিদ্ধান্ত, ইহা আত্মঘাতী কাজ। বিশ্ব ব্যাংকের ঋণ নিলে, ওরা চায় যে, কোন অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক সংস্হা প্রজেক্ট করুক; কারণ, তারা ৩য় বিশ্বের সরকার ও প্রশাসনকে বিশ্বাস করে না; কিন্তু তারা জানে যে, বর্তমান পৃথিবীতে ইয়েমেন, আফগানিস্তানেও দেশ গড়ারমতো ইন্জিনিয়ার আছে, তারা দেশে বেকার থাকে, বিদেশে গিয়ে কাজ করে। জাতীর টাকায় পদ্মা করতে গিয়ে কেন আমাদের সরকার চীনাদের হাতে তুলে দিলো প্রজেক্টটা? শুধুমাত্র একটা কারণ, সরকারের লোকেরা ও ব্যুরোক্রেটরা কন্ট্রাকটারী করছে নিজ জাতীর সাথে।
যা হয়েছে, খারাপ হয়েছে; এখন নতুন করে আমাদের দামী প্রজেক্টগুলো যেন বিদেশীদের দেয়া না হয়, বিশেষ করে চীনাদের যেন না দেয়া হয়, সেইদিকে নজর রাখা প্রতিটি শিক্ষিত বাংগালীর দায়িত্ব।
আমাদের ইন্জিনিয়ারেরা পেশাগতভাবে সংগঠিত নয়; উনাদের একটা বিশাল অর্গেনাইজেশন আছে, ইন্জিনিয়ারিং এসোসিয়েশন; এটির পরিচালকেরা সবাই মোটামুটি প্রাক্তন ছাত্রনেতা, যারা পড়ালেখা করেনি; এরা জানে না যে, দেশের ইন্জিনিয়ারেরা আমাদেরর সব মেগা প্রজেক্ট করতে সমর্থ।
ইনজিনিয়ারেরা নিজেরা যদি এসব কাজ করার জন্য সংগঠিত ও প্রস্তুত না'ও থাকে, তাদেরকে ব্যবসায়িক ভিত্তিতে একটা কনসোর্টিয়ামে আনা সম্ভব, এবং সেই কনসোর্টিয়াম সরকারের সাথে মিলে আমাদের দামী প্রজেক্টগুলো করতে পারে, এতে দেশে হাজার হাজার মানুষ ভালো বেতনে কাজ পাবেন, জাতির সম্পদ দেশে থাকবে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

