
বর্তমানে যেই পরিস্হিতির উদ্ভব হয়েছে ইহা আসলে ধর্মীয় সমস্যা নয়, ইহা হেফাজতের মাধ্যমে আসায় ধর্মীয় রূপ ধারণ করছে, শেখ সাহবে নিয়ে লাগছে; ইহা আসলে বন্চনা, অধিকার হরণ ও অর্থনৈতিক সমস্যার ফলাফল। ইহা তৃণমুল আওয়ামী লীগ ধরণের লোকজন থেকে আসবে এক সময়, তখন তারা শেখ মুজিবের ভাস্কর্য ভাংবে না, তারা দেশের প্রেসিডেন্ট ভবন আক্রমণ করবে, প্রাইম মিনিষ্টারের বাড়ী, গাড়ী ভেংগে দিবে, বসুন্ধরা মল আক্রমণ করবে, লাক্সারিয়াস বাড়ী, গাড়ী ভেংগে দিবে। হেফাজত যা করছে, এর পেছনে অনেক মানুষের সমর্থন আছে, হেফাজতের জন্য শেখ সাহেব বড় কেহ নন; হেফাজত, এতিম, এই ধরণের দরিদ্রদের জন্য শেখ সাহেব কিছু করেননি; আরো আরো অনেকের কাছে শেখ সাহেব বড় কেহ নন, অনেকের কাছে শেখ হাসিনা কেহ নন; ফলে, সমাস্যা থেকে যাবে।
মোল্লা শফীর ভাস্কর্য করে দেন, হেফাজত উহাকে ভাংবে না, অন্য কেহ উহাকে ভাংগে; অর্থাৎ এই ধরণের দেশ পরিচালনার ফলে দেশ কখনো স্হিতিশীল হবে না; যারা হেফাজতকে পছন্দ করে না, তারা কি হেফাজতকে থামাতে যাবে? মোটেই না, তারা জানে হেফাজতের পথ সঠিক না, কিন্তু তারা চুপ করে থাকবে; সাধারণ মানুষ ইহাকে শেখ হাসিনার পারিবারিক সমস্যা হিসেবে নিচ্ছে, যদিও ইহা যেকোন মহুর্তে জাতীয় সমস্যা পরিণত হতে পারে। শেখ হাসিনা অকারণে সবকিছুতে শেখ সাহবেকে নিয়ে এসে, শেখ সাহেবকে অনেকের শত্রুতে পরিণত করছে।
এই ধরণের সমস্যা ইয়েমেনে চলে আসছিল ৫৫/৬০ বছর; ইয়েমেনীরা এই সমস্যার সমাধান করতে পারেনি, অবশেষে উহা বিস্ফোরিত হয়েছে ধর্মীয়দের হাতে। একই ঘটনা ঘটেছে সিরিয়ায়, আসাদ পরিবারের ৪৫ বছর কুশাসনের ফলে সেখানে গৃহযুদ্ধের শুরু হয়েছে। আফগানিস্তানের ইতিহাসের সাথে আমাদের অনেক মিল; তারাও আমাদের মতো একটু ভালো থাকতে গিয়ে আজীবনের গৃযুদ্ধের মাঝে চলে গেছে। আফগানিস্তান দরিদ্র দেশ হিসেবে দীর্ঘদিন চুপ করে ছিলো, রাজা জহির শাহ মানুষের জন্য কিছু করেনি; মানুষ রাজতন্ত্র থেকে বের হতে গিয়ে ভুল মানুষদের হাতে পড়ে যায়, সেটা ঘুরেফিরে বেকুব ধর্মীয়দের হাতে চলে গিয়েছিলো, মাদ্রাসার লোকজনের হাতে, যা বাংলাদেশেও সম্প্রতি দেখা যাচ্ছে। পড়ালেখায় আমাদের সাধারণ লোকজন সিরিয়ার লোকজন থেকে অনেক পেছনে, আমাদের প্রশাসন ও সরকারের লোকেরা বাশারের চেয়েও ধুরন্ধর; আমাদের মাদ্রাসার লোকজন আফগান ও ইয়েমেনের লোকজনের মতো; অবস্হা ভালো নয়; আমাদের কুশাসনের ৫০ বছর পুর্ণ হচ্ছে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

