আমাদের বাংলাদেশে মাসাআল্লাহ শিক্ষিত জনগোষ্টির হার আল্লাহর রহমতে প্রতিনিয়তই ক্রমবর্ধমান হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। তবে একটা বিষয় পরিলক্ষিত, বিশেষ করে নারী শিক্ষার অগ্রগতির ফলে তথাকথিত নারীবাদীদের নারীশিক্ষা নিয়ে সুমুচ্চ কন্ঠস্বরে এখন কিছুটা ভাটার টান লক্ষ করা যায়। আর কিছু সুবিধাবাধী লম্পট চরিত্রের পুরুষ তো, তাদের ভোগের সামগ্রিতে কিঞ্চিত টান পড়বে বলে তারা সবসময় তথাকথিত নারীবাদীদের সাথেই গলা মিলিয়ে উঠবস করেছে।
কথা হলো এতো শিক্ষিতের বিড়ে কাকে আমরা শিক্ষিত বলবো...?? বড় বড় ডিগ্রি অর্জন করে ভালো একটা চাকুরী নিয়ে সুযোগ বুঝে দূর্নীতির পাহাড় গড়া পুরুষদের কে ...?? নাকি অনেক শিক্ষিত হয়ে বাইরে শরীর প্রর্দশন করে বেড়ানো নারীদের কে....??? নাকি এই দু- জনের কাউকে না....??
বড়ই অবাক লাগে যখন দেখি, ছেলে মেয়েতে সমান অধিকারের নাম করে তথাকথিত নারী ও দুশ্চরিত্রের পুরুষ বাধীরা এই দেশে সেক্সকে রাস্তা ঘাটের বিষয় বানিয়ে ফেলতেছে।
এখন ছেলে মেয়েদের গল্পের বিষয় বস্তু অধিকাংশ সময় এই সেক্সকে ঘিরেই। মনে হয় যেন এই পৃথীবিতে তাদের জন্মই হয়েছে শুধু সেক্স করার জন্য। অথচ এই ছেলেমেয়েরাই নিজেদের কে এই শতাব্দির অনেক বেশী শিক্ষিত মনে করে। একটু চিন্তা করে দেখেন যারা তাদের ২০-২৫ বছর বয়সেই ওপেন সেক্সকে কোন বিষয়ই মনে করতেছে না। তারা ৫০-৫৫ বছর বয়সে তাদের ছেলে মেয়েদের কে কি শিক্ষা দিবে..?? তাদের ছেলে মেয়েরা কি তাদের পিতামাতা থেকে ও খারাপ কিছু করবেনা সেটা আমরা কিভাবে নিশ্চিত হই। আর সেই পরের প্রজন্মের তরুন তরুনীদের কর্ম কান্ডের কথা চিন্তা করলে তো শরীর গুলিয়ে উঠে।
আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন। এই সব অশ্লীলতা থেকে।
আমি নিশ্চিত এই লিখাটা পাবলিশড হওয়ার পর অনেকেই আমাকে নিশ্চিত ভাবেই চুচীল, ছাগু, মধ্যযুগীয় এই ভাবে বিভিন্ন রকম ট্যাগ দিয়ে আক্রমন করতে দেয়ে আসবে।
:!> :!> :!> মডারেটরের কাছে বিশেষ অনুরোধ আমাকে প্রথম পাতায় লিখার জন্য একটু সুযোগ করে দিন। :#> :#> :#>
সর্বশেষ এডিট : ২০ শে মে, ২০১৩ বিকাল ৪:৫৪

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



