অবাক লাগে বাংলাদেশ নাকি দ্বিতীয় বৃহত্তম মুসলিম দেশ। অথচ সেই দেশে রোজার মাসে মসজিদ থেকে মুসুল্লী বের করে দেয়া হয়। তর্কের খাতিরে ধরেই নিলাম সেই জায়গা হিন্দুদের মন্দিরের জন্য, তারপরও কীভাবে মুসলিম দেশে মুসলিম পুলিশ এরকম আচরণ করতে পারে? এটা কি চায়না, ইন্ডিয়া? এই দেশে মসজিদ এর জায়গা দিয়ে দেয়া হবে মন্দিরের জন্য!!
আসল সত্য কি তা জানার জন্য কি রোজার পরে তদন্ত করলে হতো না? কী এমন দরকার ছিল এই সময়ই একশ্যানে যাওয়ার? দুই পক্ষকে নিয়ে আলোচনা করলেই তো হতো। মাঝখান দিয়ে পুরো দেশে হিন্দু বিরোধী সেন্টিম্যান্ট বেড়ে গেল। সামনের শুক্রবারে জুমার নামাজ পড়ার জন্য ইভেন্ট খোলা হয়েছে। পুলিশের বোঝা উচিত ছিল এসব সেনসিটিভ বিষয় নিয়ে আরো ভেবে চিন্তে অগ্রসর হওয়া উচিত।
এই জন্যই সংবিধানে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম থাকা উচিত। সংবিধানে থাকার পরও হিন্দুরা যেভাবে কাল্পনিক দাবী, আবদার শুরু করেছে আর না থাকার পর যে কী করবে সেটা তো আল্লাহই জানেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সব বিষয়েই হাত দেন। আশা করি এই বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিবেন। খামাখা এলাকার মাঝে তথা পুরো দেশে একটা ক্যাচাল সৃষ্টি হতে দিবেন না।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


