তখন কেউই ছিলোনা খোঁজ নেবার
কেমন আছি আমি,
চার পাশ ঘৃনার মিছিল,প্রতারণার খিল খিল হাসি,
অবহেলা আর অবজ্ঞা নেমে আসে
নুড়িপথ বেয়ে বেয়ে আমার সিথান পর্যন্ত,
আমার সামনে পিছনে নতজানু স্বপ্ন,
খসে খসে পড়ছিলো পৃথিবীর নরম পালক রাশি রাশি।
চোখজুরে মৃত্যকূপ। অমাবস্যার নিকষ ভাগ।
দুনিয়াশুদ্ধ জেনে গ্যালো
আমাকে মেরে ফেলছে কেউনা কেউ-
কোন নারীর রাক্ষুসে প্রেমলিপি।
আমি নিরন্তর ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রতর হতে হতে থাকি;
অতঃপর এক নোকতা বিন্দুতে আমি নিষ্প্রাণ এক।
এভাবে কেউ মানুষ থেকে জ্যামিতিক হয়ে যায়!
আমি জানতাম
বিন্দু বিন্দু জল থেকেই নাকি নদী অতঃপর সাগর।
পোড়া সিগারেটের বিরান হওয়ার গল্পো
আমার কবিতা হতে লাগলো,
উইপোকা আর কাগজের সম্পর্কের মতই
আমার সাথে কবিতার সম্পর্ক হতে লাগলো,
মৌ বনের কিচির মিচির
আমার কবিতার ভাষা হতে লাগলো।
দশদিক বেঁচে ওঠার মহুর্মহু আর্তি আমার কাব্য করে।
কালে কালে আমি উর্দ্ধমুখি। বিন্দু থেকে ব্যপ্তিতে।
প্রগতিশীল কবি,সাংবাদিক,ও সুস্থ্য মানুষের অবয়ব।
আফসোস! আফসোস!
ভালো মানুষ হতে পয়সা লাগেনা!
হয়েই দ্যাখো!
লেখাঃ২২/১/১৫ইং,বগুড়া

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



