somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হ্যাকার: পক্ষে-বিপক্ষে কিছু এলোমেলো ভাবনা

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:৫৪
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

(এটা আমার লেখা নয়। ফেসবুকে Anuarul Hoque Dinar নামক একজন ব্যাক্তির নোট। পড়ে খুব ভালো লাগলো। তাই শেয়ার করলাম)

প্রচন্ড মনখারাপ এবং হতাশা থেকে লিখতে বসা, কষ্টের পরিমানটা বলে বোঝাতে পারব না, লিখেও বোঝানো যাবে না । প্রথমেই বলে নেই যে আমি ব্লগার নই, ব্লগারদের মত অত জ্ঞান আমার নেই, সোজা-সাপ্টা কিছু কথা বলব, তবে এরপরেও যারা বুঝবেন না - ধরে নিবেন তাদের জন্যে লেখাটি নয় ।

একটু ব্যাকগ্রাউন্ড দিয়ে শুরু করি, এর আগে একটি রম্য টাইপের নোট লিখেছিলাম "আপনাকেই খুজছে ভারত" - লেখাটি ছিল "আপনাকেই খুজছে পাকিস্তান" -এর একটি ভারতীয় ভার্সন ... লেখাটি লেখার পর ২টি সমস্যায় পরলাম। লেখাটিতে ভারতীয় রাজাকার নামে একটি শব্দের ব্যবহার করেছিলাম - এতেই বিপদ শুরু হলো, একদল লোক বলেই বসলো যে রাজাকার একটি বিশেষ শব্দ এবং পাকিস্তানি রাজাকারদের ভুমিকা ছোট করে দেখার জন্যেই নাকি উদ্দেশ্যমূলক ভাবে ওই শব্দটির ব্যবহার । নাও ঠেলা, কইলাম 'ক', কেউ বুঝলো কলা আর কেউ বুঝলো কলকাতা, কিন্তু কেউই কি বুঝলোনা যে ওটা ছিল একটি "রূপক শব্দ" ? নাহ উনারা এত বোকা না, না বোঝা - না বোঝার ভান করা - না বোঝার ভান করে জ্ঞান জাহির করা ৩টি ভিন্ন ইস্যু । আরেকটি সমস্যায় পরলাম, ফেসবুকে একটি বেশ বিখ্যাত পেজ আমার লেখাটিতে আরো কয়েকটা "আপত্তিকর" লাইন জুড়ে দিয়ে আমার নামে চালিয়ে দিলো, ওই পেজে আপত্তির কথা জানানোর পরও ওই পরিবর্তিত লেখাটি এখনো ঝুলছে , তার নিচে ঝুলছে ভুল বানানে আমার নাম ! এই পোস্টেরও যে কতরকম পোস্টমর্টেম বের করবে লোকে কে জানে !



যাই হোক, টপিকে আসি, চারিদিকে হ্যাকার-হ্যাকার রব চলছে ... কেউ হ্যাকার জপছেন, কেউবা হ্যাক-থুও(!) দিয়ে ফেলেছেন । কেউবা নিতান্তই সুশীল, ঝামেলাতে না জড়িয়ে মজা নিচ্ছেন। ভালো অতি ভালো, আমার যুক্তিবোধ খুব উন্নত না, তবুও এতগুলো লেখা পরার পর আমি আমার অনুভুতি তো প্রকাশ করতেই পারি :



একজন লেখকের উধৃতি দিয়েই শুরু করি "আমি নিতান্তই ভালো মানুষ, কিন্তু তাই বলে আমার পোঁদে আঙ্গুল দিলে কিন্তু আমি ছাড়ব না " । কিছুদিন আগে হ্যাকিং এর ব্যাপারটা আমার নজরে আসে, ছোট বেলাতে ইয়াহু মেসেন্জারে এমন বুট-স্নিফিং সফটওয়ার আমরা বন্ধুরা অনেকেই ইউস করতাম, মাঝে মাঝে বন্ধুদের বাধ্য হয়ে পিসি রিস্টার্ট করতে হত, ব্যপারটা আমার খুব মজা লাগত, DDOS এর সাথে হয়ত কনসেপ্টটা মিলেও যায় । দেশের কিছু পোলাপান কিছু ঠুনকা হ্যাক করছে, ব্যাপারটা আমার কাছে মোটেও হাতি-ঘোড়া মনে হয় নাই ।আজকে সকালে পত্রিকার খবর গুলাতে চোখ বুলাতে গিয়ে একটু নড়ে চড়ে বসি, আর ব্লগ পড়তে গিয়ে আমার মেজাজটাই চড়ে যায়।



১. "দেশের হ্যাকাররা সংঘবদ্ধ এটাক করছে, এতে কি হবে ? এতে কি সীমান্তে কিলিং বন্ধ হবে ?" - উত্তর: সোজা সাপ্টা না ! প্রতিবাদের ভাষা এবং পন্থা ব্যক্তি বিশেষে ভিন্ন .... এটা তাদের (হ্যাকারদের) প্রতিবাদের ভাষা, চুড়ি পরে বসে থাকার চাইতে ছাগলামিটাই (কেউ কেউ তাদের ছাগল বলছেন) আপাতত গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে, বিশেষ করে খুব অল্প সময়ে এরা আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে চলে আসবে বলেই আমার ধারণা, পাশের ছোট্ট দেশটি যে পায়ের তলায় পিস্টন যোগ্য নয় এই খবর হয়ত ভারত জেনে যাবে ... টিপাইমুখ বাধ নিয়ে একটা ভিডিও দেখসিলাম এবং শেয়ার করছিলাম, ঐখানে একজন মহিলা বলসিলেন "Bangladesh is a small poor country, in terms of water they live on the mercy of India" .... আমার কাছে ওই কথা গুলা দুঃস্বপ্নের মত লাগে ,অনেকে হয়ত বলবেন এইটি প্রতিবাদের সঠিক পন্থা নয়, এটা করা উচিত - ওটা করা উচিত, কিন্তু কয়জন করতেছেন, সরকার কোন বাল -টাই বা করছে, আর কোন সুশীলই বা কি বালটা ছিড়ছে ? আর কয়টা দেশেরই বা টনক নড়ছে ! ঢাল-তলোয়ারের যুদ্ধের দিন আর নাই, আর জাতিগত ভাবে প্রতিবাদের কথা ভাবতেছেন, ওইটাত ভুইলাই যান, এখন পাড়ায় পাড়ায় জ্ঞানপাপী , প্রত্যেকের জ্ঞানের বাহার এক এক জনের চাইতে বেশি, কুত্তা-কুত্তার মারামারির চাইতেও জ্ঞানী-জ্ঞানীর কামরাকামরি বেশি বিনোদনমূলক, একেক পীরের একেক মুরিদ



২. "তাহলে কি লাভ এই হ্যাকিং-এ ?" উত্তর : আমি এই প্রশ্নটা আপনাকেই করি একটু ঘুরিয়ে, কি ক্ষতি এই হ্যাকিং- এ ? ব্যাস, হাজার উত্তর হাজির হয়ে যাবে, আপনার হয়ে কয়েকটা আমিই বলে দিচ্ছি:

ক. "ওরা আমাদের সার্ভার গুড়িয়ে দিবে" - ভাই আমি তো বলব উল্টা আমাদেরই উচিত আমাদের সরকারী ওয়েবসাইট গুলার পাসওয়ার্ড ওদের দিয়ে দিয়া, বাংলাদেশের কোন সরকারী সংস্থা ওয়েবে সফল ভাবে সেবা দিয়ে যাচ্ছে যে ওটাকে থোরাই কেয়ার করতে হবে ?

খ. "এটা প্রতিবাদের ভাষা নয়, এর কুটনৈতিক সমাধান দরকার " - একমত, তবে প্রতিবাদের ভাষা ব্যক্তি ও গোষ্ঠী হিসাবে ভিন্ন, কুটনৈতিক সমাধান অশুকরণে হয়ত এই হ্যাকিং-এর ইস্যুটাই সহায্য করবে !

গ. "পণ্য বর্জন একটি কার্যকারী পদক্ষেপ " - একমত, আমি নিজেও পণ্য বর্জন করে চলেছি, কিন্তু দেশের কয়জন পর্যন্ত এই নিউজটা গেছে আর কয়জন এই পণ্য বর্জন সত্যিই করছেন জানেন কি ? দেশের কয়জন লোক ব্লগ পরে ? যে কয়জন এই পণ্য বর্জন করছে তাদের পণ্য বর্জনেই কি ওদের অর্থনীতি ভেঙ্গে পড়বে - নাহ, সেটা করতে হইলে দেশে ভারতীয় পণ্য আমদানি বন্ধ করতে হবে যেটি হবার নয়, "তাহলে আসুন পণ্য বর্জনে জনমত গড়ে তুলি " - অবস্যই, দারুন আইডিয়া, আমরা সবাই সেটাই প্রানপন চেষ্টা করছি, করতেই থাকব, তবে ব্যাপারটা সময় সাপেক্ষ্য, এধরনের পরিবর্তন এত তাড়াতাড়ি আসে না, এটি একটি কার্যকারী দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা, পণ্য বর্জন চলতে থাকুক, আরো জনমত আসুক কিন্তু এর সাথে হ্যাকিং এর দ্বন্দ কোথায় এটাই তো বুঝলাম না !

ঘ. "ইট মারলে পাটকেল খেতে হয় " - উত্তর: ইট তো আমরা মারি নাই , ইট উনারা মেরেছেন , আর এটাই যদি আপনার লজিক হয় তাহলে "অভিনন্দন ! আপনাকেই খুজছে চুড়িওয়ালা"



মুক্তিযুদ্ধ অনেক বড় একটা ব্যাপার, যেখানে সেখানে এটাকে টেনে আনা মানায় না, তারপরেও শুধু উদাহরণ দেবার জন্যে একটি কথা না বললেই নয়, মুক্তিযুদ্ধের সিনেমাগুলাতে একদল লোক দেখা যায় যারা বলাবলি করে "আরে ওই বেইমানরা দুই একটা পটকা ফুটিয়ে মনে করে দেশ স্বাধীন করবে, এতই সোজা নাকি, জিয়ে পাকিস্তান", মনে করে দেখুন ওই লোকগুলাই রাজাকার চরিত্র । তাহলে কি এই হ্যাকাররা জাতীয় বীর - উহু তা বলি নাই, 'ক' বললে কলা বুঝা বন্ধ করেন, এরা বীর-টির কিছুই না, এরা কিছু অল্প বয়সী তরুণ, যারা অনবরত প্রতিবাদ করে যাচ্ছে, হ্যাকিংই তাদের প্রতিবাদের ভাষা । "এটা ক্যামন প্রতিবাদের ভাষা ?" - আমরণ অনশন যেমন একটি প্রতিবাদ (তুলনা দেই নাই - উদাহরণ দিছি ), তেমনই একটিও তাদের প্রতিবাদ - সফল হোক বা নাই হোক, এটাই তাদের ভাষা ।



৩. "যদি ভারত কিলিং বন্ধ না করে তাহলে এই বাল-ছালের হ্যাকিং-এর লাভ কি ?" - এরা লাভ লক্ষণ চিন্তা করে ব্যবসা করতে বসে নাই , তবে একটা লাভ তো হতেই পারে, বর্ডারে কিলিং-এ ব্যাপারটা আরো ভালো ভাবে আন্তর্জাতিক মিডিয়াতে আসবে, অনেকই জানবে কেন এই হ্যাকিং, কেন এই প্রতিবাদ, এটাই বা মন্দ কি ?



৪. "পিচ্চিরা তো ভারতীয় পর্ন সাইট আর ব্যক্তিগত কিছু সাইট ছাড়া বড় গুরত্বপূর্ণ কোনো সাইটই হ্যাক করে নাই" - উত্সাহ দিলে হয়ত খুব তাড়াতাড়ি করেও ফেলবে , সমালোচনা বন্ধ করে গঠন মূলক আলোচনা করুন, আইডিয়া শেয়ার করুন, তাদের ফিড ব্যাক দিন, হয়ত তারা অনুপ্রানিত হয়ে করেও ফেলবে ! না করলে নাই, চেষ্টা তো করতেছে !



৫. "কুকুর কামড়ালে কি কুকুর কে কামরাতে হবে নাকি " - বুঝতেসি না এটার কি উত্তর দিব, বুঝলাম যে সামনে ভ্যালেনটাইন, তাই বলে এই মুহুর্তে ভারতের সাথে প্রেম-প্রেম খেলা ভালো দেখাবে কি ?



শেষ কিছু কথা, এই হ্যাকাররা হয়ত খুব অভিজ্ঞ নয়, হয়ত তাদের হ্যাকিংও আহমরি কিছু না, হয়ত এই হ্যাকিং এর কোনো ফলই আসবে না, কিন্তু একটা জিনিস লক্ষ্য করে দেখুন এরা সীসা লাউঞ্জে না গিয়ে, ফুর্তি না করে, শুধু বড় বড় বয়ান না দিয়ে ছোট হোক, বা নিতান্তই ফালতু কিছু হোক - কিছু তো একটা করছে, অন্তত এদের উদ্দেশ্য আমার খারাপ মনে হয় নাই, আপনিও না হয় আপনার মত করেই কোনো একটা প্রতিবাদ করুন , সেটা হতে পারে পণ্য বর্জন বা অন্য কোনো আরো ভালো আইডিয়া, আমি নিজেও এদের পক্ষে-বিপক্ষে সরাসরি অবস্থান নেই নাই, যা মনে হচ্ছে সেটাই বলে দিলাম। খোচা মারা একটি জাতীয় সমস্যা, ভিন্ন মানুষ- ভিন্ন মতবাদ, দেশের ইস্যুতে অন্তত এক থাকার চেষ্টা করুন, অবশ্য প্র্যাক্টিকালি এটাও অসম্ভব, এই জাতি মুক্তিযুদ্ধের সময়ও পুরাপুরি এক হইতে পারে নাই, কিছু লোক দেশে জন্মিয়েও পাকিস্তানের তাবেদারী করে গেছে, ঐক্য আমাদের কোনো দিনই হবে না - ওই আশাও করি না, একটা অনুরোধ, সমর্থন না দেন দিয়েন না, উত্সাহ না দেন দিয়েন না, প্রতিবাদ করবেন না - তাও কইরেন না, কিন্তু অন্ততো চুপ থাকেন !

লিংক
সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৫
২৪টি মন্তব্য ২৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নস্টালজিক

লিখেছেন সামিয়া, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:৩৩



আমার ঘরটা এখন আর আগের মতো লাগে না। দরজার লক নষ্ট, বন্ধ করলেও পুরোপুরি বন্ধ হয় না, আধখোলা হয়ে থাকে। বুকশেলফে ধুলো জমে আছে, ড্রেসিং টেবিলের পর্দাটা এলোমেলোভাবে ঝুলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বপ্ন যখন মাঝপথে থেমে যায়: ঢাকার জলপথ ও এক থমকে যাওয়া সম্ভাবনার গল্প

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:২৫

ঢাকার যানজট নিয়ে আমরা অভিযোগ করি না এমন দিন বোধহয় ক্যালেন্ডারে খুঁজে পাওয়া যাবে না। অথচ এই যানজট নিরসনের চাবিকাঠি আমাদের হাতের নাগালেই ছিল—আমাদের নদীগুলো। সম্প্রতি বিআইডব্লিউটিএ ঘোষণা করেছে যে,... ...বাকিটুকু পড়ুন

কেন আমি ইরানের বিরুদ্ধে-২

লিখেছেন অর্ক, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১:১৪



ইরান বিশ্বসভ্যতার জন্য এক অভিশাপ, এক কলঙ্ক। কাঠমোল্লারা ক্ষমতা পেলে একটি রাষ্ট্রের যে কি পরিণতি হয়, তার জ্বাজ্জল্যমান উদাহরণ ইরান। সম্পূর্ণরূপে অসভ্য বর্বর অসুস্থ রাষ্ট্র গড়ে উঠেছে সেখানে। যেখানে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভাগাভাগি

লিখেছেন সাইফুলসাইফসাই, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৩:৩৭

ভাগাভাগি
সাইফুল ইসলাম সাঈফ

এলাকায় এক ইফতার মাহফিল-এ
দাওয়াত পাই আর যথাসময় চলে যাই।
অনেক মানুষ পড়ছে দোয়া দুরুদ
ঘনিয়ে আসছে রোজা ভাঙার সময়।

তখন সবার সামনে বিলিয়ে দিচ্ছে বিরিয়ানি
আমার ভাবনা- হয়ত কেউ ভাবছে
যদি একসাথে খাওয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

২০২৩ এ ওয়াকআউট করেছিলেন, ২০২৬ এ তিনিই ঢাবির ভিসি ।

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ১৬ ই মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২২


২০২৩ সাল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সভা চলছে। একজন শিক্ষক দাঁড়িয়ে বললেন, হলগুলোতে ছাত্রলীগের গেস্টরুম নির্যাতন বন্ধ করতে হবে। কথাটা শেষ হতে না হতেই তৎকালীন ভিসি জবাব দিলেন, "গেস্টরুম কালচার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×