somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

হাসিব
আমি আবার ফিরিয়াছি

ঘুরনা দিলাম ইটালি : প্রথম পর্ব

১০ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

উলম – মিউনিখ – ইটালী
ইচ্ছা ইওরোপে পা দেবার অনেক আগে থেকেই । ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের ডকুমেন্টারী দেখতাম আর ভবতাম ইটালীর ঐসব ঐতিহাসিক জায়গায় ঘুরে বেড়াচ্ছি । সুযোগ এসে গেলো হঠাৎ করে । তখন জানুয়ারি মাস । উলমবাসী দুই বাঙ্গালী হঠাৎ করে খবর আনলো ডিবির একটা অফার আছে । মে মাসে নাখটৎসুখে ৫৮ টাকায় মিউনিখ থেকে নেপলস পর্যন্ত যাওয়া আসা করা যাবে । ম্যাপ দেখলে বুঝবেন এটা অনেক দুরত্ব । ৫৮ টাকা সে হিসেবে অনেক সস্তা । মিউনিখে খোজ নিয়ে জানা গেলো ওখানেও তিনজন আছে যারা যেতে ইচ্ছুক । ওরা তিনজন আর আমরা উলম থেকে চারজন মোট সাতজন কোন রকম পরিকল্পনা ছাড়াই একটু রিস্ক নিয়েই টিকিট কিনে ফেললাম। রিস্কের কথা বললাম একারনে যে একবার এধরনের টিকেট কাটলে সেটা ক্যান্সেল করা যায় না । কোন কারনে না যেতে পারলে পুরো টাকাই মাটি । যাই হোক, ঝুকি থাকলেও ইটালী নিয়ে যাওয়া নিয়ে কথা । পরে যাওয়া হয়তো হবে কিন্তু এরকম স্টুডেন্ট লাইফের মন আর চোখ থাকবে না । আর ইটালীর রোমে আমার পুরনো দুই সহকর্মি আমার দেশের জাকারিয়া আর ইন্ডিপেন্ডেন্টের খসরু থাকে । ফ্লোরেন্সে থাকে ইউনিভার্সিটি সহপাঠি মেরি । ইটালি ঘোরার ফাকে তাদের সাথেও কিছু সময় কাটানো হবে ।

তো ট্রেন ছাড়বে মিউনিখ থেকে । রাত ৯টায় যাত্রা শুরু করে নেপলসে পৌছাবে সকাল সাড়ে আটটায়। সেকেন্ড ক্লাসে টিকেট বুকিং আমাদের । সেকেন্ড ক্লাসে সিট দুইধরনের । এধরনের সিটে বসে বসে যেতে হয় আরেক ধরনের সিট হলো শ্লাফযিমার যেখানে ঘুমানোর জন্য বেড থাকে । স্টুডেন্ট বাজেটের সামর্থ যথারীতি বসে যাওয়া পদ্ধতিই সাপোর্ট করলো। ট্রেন যাত্রাপথে বড় শহরগুলোর মধ্যে ফ্লোরেন্স ও রোম হয়ে নেপলস পৌছাবে । আর আমাদের প্লান হলো ফ্লোরেন্স, পিসা, রোম, ভ্যাটিকান আর পম্পেই কভার করা । হাতে মোট সময় চার দিন তিনরাত । প্রথম দিন সকাল ৬টায় ফ্লোরেন্সে নেমে সাথে পিসা গমন । পিসা থেকে দুপুরের মধ্যে ফ্লোরেন্স ফিরে এক চক্কর দিয়ে আবার রাতে রোমের ট্রেন ধরে রোম । রোম থেকে পরদিন সকালে পম্পেই । রাতেই আবার পম্পেই থেকে রোমে ফিরে পরের দেড়দিন রোম ভ্যাটিকান কভার করা ।

টিকেট কাটার পর যেটা অতিঅাবশ্যিক কাজ সেটা হলো থাকার ব্যবস্থা করা । আমরা ঠিক করলাম রাতগুলো আমরা রোমে কাটাবো । রোমে সস্তায় থাকার জায়গা পেতে হলে অন্ততঃ ২ মাস আগে থাকার জায়গা বুক করা উচিৎ । ব্যাচলরদের জন্য সবচেয়ে ভালো থাকার জায়গা হলো ইউথ হোস্টেলগুলো । রোমের কেন্দ্রে বেশ কয়েকটা ইউথ হোস্টেল আছে যেখানে ২০-২২ টাকা দিয়ে এক রাত থাকা সম্ভব । ফ্যাসিলিটিজ হয়তো তারকাস্কেলে মাপা যাবে না । কিন্তু গোসলখানা, টয়লেট আর শোবার জায়গা থাকলে আর কিছু লাগে না ব্যাচলরদের। সাধারনতঃ ব্যক্তিউদ্দোগে এসব ইউথহোস্টেল চলে । একটা বাসায় তিনচারটা রুমে প্রতি রুমে চারটা থেকে দশটা (!) খাট ফেলে শোবার ব্যবস্থা থাকে ওখানে । বাথরুম, টয়লেট শেয়ার করতে হয় । সকালের নাস্তা ফ্রি । যদিও ওসব খেয়ে কোন বাঙ্গালীর পেট ভরবে না । ঠিক হলো আমার সব বন্ধুরা ইউথহোস্টেলে থাকবে । আর আমি রোমে জাকারিয়ার বাসায় রাতে থাকবো । প্রথম উদ্দেশ্য পয়সা বাচানো । দ্বিতীয় উদ্দেশ্য, রোমে বাঙ্গালীরা কিভাবে থাকে সেটা দেখা । যাই হোক রোম পর্বে এনিয়ে আরো বলা যাবে ।

দেখতে দেখতে পরীক্ষা শেষ করতে করতে ইস্টারের বন্ধ এসে গেলো । অল্প কয়েকদিনে যা পড়াশোনা করা সম্ভব সেটা করে মিউনিখের ট্রেন ধরতে উলমাররা সবাই ট্রেনে চড়ে বসলাম ।

উলম টু মিউনিখ
আমাকে রেলওয়ে সিস্টেম নিয়ে কোন র্যাংকিং করতে বললে জার্মান রেলওয়েকে চোখ বন্ধ করে এক নাম্বারে রাখবো । প্রযুক্তির দিক থেকে হয়তো এদের সাথে হয়তো ফ্রান্স জাপানের তুলনা হতে পারে । কিন্তু আমজনতার ভ্রমনে ঐ দুই দেশে এত সস্তা অফার নাই । আমরা এখানে সাধারনত স্টেট টিকেট অথবা উইকএন্ড টিকেট কিনি । স্টেট টিকেট সিঙ্গেল ১৭ টাকা, গ্রুপ (৫জনের) ২৭ টাকা । এ টিকেট দিয়ে একই স্টেটএর মধ্যমগতির ট্রেনে (আরবি, আর ই) বা অন্য পাবলিক ট্রানস্পোর্টে সারাদিন ঘোরা যায় । আর উইকএন্ড টিকেটের দাম ৩০টাকা । সারাদিন ট্রেনে চড়ে জার্মানীর এক মাথা থেকে আরেক মাথা পর্যন্ত যাওয়া যায় এটা দিয়ে । স্টেট টিকেটের মতো এটা সিটি পাবলিক ট্রানস্পোর্টেশন কভার করে না।
যাই হোক, সারাদিন কামলা দিয়ে নাকেমুখে কিছু গুজে দিয়ে সন্ধ্যা/বিকেল/দুপুর ৬টায় ট্রেনে চড়ে বসসাল । জার্মান ট্রেন ১ নাম্বার হলেও বৈচিত্র কম । ঘড়ির কাটা ধরে স্টেশনে আসে আবার ঘড়ির কাটা ধরে ট্রেন স্টেশন ত্যাগ করে । এইটাতে একবার অভ্যস্ত হয়ে গেলে বিপদ । কেন বিপদ সেটা পম্পেই পর্বে বলবো । বাংলাদেশের ট্রেনে যারা অভ্যস্ত তারা কোন সমস্যা ছাড়াই ইটালিতে ঘুরে ফিরে বেড়াতে পারবেন ।

মিউনিখ থেকে ফ্লোরেন্স : এ জার্নি বাই ট্রেইন
মিউনিখে পৌছে স্টেশনে আমাদের যে ট্রেনে চড়তে হবে সেটার হাল দেখে মেজাজ অষ্টমে । ট্রেনে আমরা যে বগিটাতে বসবো ওটা ট্রেইনইটালিয়ার বগি । পুরা লক্কর ঝক্কর বাঙ্গু অবস্থা । তো উঠলাম ঠিকমতো । সময়মতো ছাড়লোও ওটা । আমাদের সাতজনের ছয়জন পড়েছে এক খোপে আর আরেকজন পড়েছে পাশের খোপে । ছাড়ার পর একটু গুছিয়ে বসার পর জরিপ শুরু করলাম । আবিস্কার হলো অ্যানাউন্সমেন্টের মাইক কাজ করে না । একটু সন্দেহ থাকলেও দেখা গেলো লাইট সবগুলোই জ্বলছে । ট্র্যাশক্যানটা মোটামুটি ফাকা ।খারাপ না একেবারে । সবকিছু মোটামুটি ঠিক থাকলেও গন্ডোগোল বাধলো খোপের দরজা বন্ধ করতে গিয়ে । দেখা গেলো খুবই যত্ন ও দক্ষতার সাথে লক জিনিসটা নষ্ট করা । বুঝলাম রাতে ঘুমানোর আশা শেষ । এই ট্রেনেই ইটালি যাবার পথে এক প্রাক্তন উলমার চোরের দেখা পেয়েছিলেন । ঘটনাটা ছিলো এরকম - সব গুছিয়ে উনারা সবাই লাইট নিভিয়ে ঝিমাচ্ছেন । ৮০% ঘুম স্টেট । এমন সময় একজন চোখ খুলে দেখে এক আফ্রিকান খোপে ঢুকে তাদের ব্যাগ ট্যাগ হাতাচ্ছে । দু:খজনক হলেও সত্য যথাসময়ে িচৎকার দিয়ে উঠলেও যথাযথ কর্মতৎপরতার অভাবে তারা বাবাজীকে কি খুজছে এ প্রশ্নটা করার সুযোগ পাননি । লক নষ্ট দেখে আমাদের সবার মনেই একসাথে ঐ গল্পটা ঝিলিক দিয়ে উঠলো । রাতে খিয়াল কইরা ঘুমাতে হবে সেটা মেনে নিয়েই সিটে বসে পড়লাম ।সবার সাথেই যথেষ্ট পরিমান খাবার দাবার । চিন্তা করলাম খাওয়া খাদ্য করেই সময় পার করা যাবে ।সাথে এ্যাপেটাইজার হিসেবে প্রবাসী বাঙ্গালীর অবসরের বিনোদন গিবত কুৎসা । কারো ইচ্ছা হলে ফাকে ফাকে খুবি খিয়াল কইরা ঝিমায় নেবে ।

আমাদের ফ্লোরেন্স যেতে হবে অস্ট্রিয়া হয়ে । জার্মানী পর্যন্ত, আরেকটু বাড়িয়ে বললে বলা যায় অস্ট্রিয়ার কিছু দুর পর্যন্ত এটা টিপিকাল ট্রেইন জার্নিই থাকে । তারপর এটা হঠাৎ করে এটা প্লেন জার্নি হয়ে যায় । হয়তো জাতে বাঙ্গাল বলেই কুকুরের পেটে ঘি সয় না থিওরী অনুসারে আমার এই প্লেন জার্নি একদমই সহ্য হয় না । অস্ট্রিয়াতে ঢোকার একটু পর ট্রেইন আলপস পর্বতমালা অঞ্চলে ঢুকে পড়ে । উচ্চতার জন্য ওখানে বাতাসের চাপ একেক জায়গায় একেকরকম । কানের পর্দার ফটফটে ত্রাহি অবস্থা । পুরো উড়োজাহাজে চড়ার অভিজ্ঞতা । বিশেষ করে ট্রেন কোন পাহাড়ের সুড়ঙ্গ পার হবার সময় ঘুম ঝিমানো বাদ দিয়ে যে কেউ উঠে বসতে বাধ্য । দিনের বেলা হলে আশেপাশের দৃশ্য দেখে সময় কাটানো যেত হয়তো । কিন্তু রাতের বেলা দাতে দাত চেপে কষ্ট সহ্য করা ছাড়া আর কোন উপায় নেই ।

আস্তে আস্তে সময় যাচ্ছে । আমরাও হাংকি পাংকি গিবত করে সময় কাটাচ্ছি । এই আরেকটু সময় পরেই ফ্লোরেন্স বলে বলে সবাই নিজেদেরই প্রবোধ দিচ্ছি । আড্ডা মেরে কাটছিলোও সময় বেশ । ঝামেলা বাধলো রাত তিনটার দিকে টয়লেট চাপার পর । তাড়াহুড়ায় বের হবার কারনে ভালোমতো বড় কাজ সারা হয়নি কারোরই । অকুলস্থল পরিদর্শন করে এসে জানা গেলো টয়লেটের অবস্থা তথৈবচ । কম্পিটিশনে ফতুল্লা যাবার ট্রেনের সাথে কোন অংশেই নাকি পিছিয়ে থাকবে না । নোঙরা টয়লেটে বাধ্য হয়ে কাজ সারা কারো কাছেই নতুন না । সেটা করতেও গেলো একজন । ফিরে এসে শুকনো মুখে জানালো বাথরুমে পানির ব্যবস্থা নাই । টিস্যুপেপারও অনুপস্থিত । মিউনিখ বাসি এক সঙ্গি একটু উদ্দোমী হয়ে পুরো ট্রেন ঘুরে এসে আমাদের কনফার্ম করলো ঘটনা অন্য টয়লেটেও এক । সিদ্ধান্ত হলো ঘন্টা তিনেক কোনমতে কাটিয়ে দিয়ে পিসাতে গিয়ে স্টেশনে কাজ সারতে হবে । পাঠক হয়তো টয়লেট নিয়ে এতসব কথাবার্তায় বিরক্ত হচ্ছেন । কিন্তু বিদেশ বিভূয়ে এই টয়লেট একটা মাথাব্যথা অবশ্যই । পরের অভিজ্ঞতায় আমরা দেখেছি ইটালীর ট্রেনে রাতের বেলায় টয়লেটে পানি থাকে না । অতএব, স্টেশনের টয়লেটে পে করে কাজ সেরে তারপর ট্রেনে ওঠা উচিত ।

ইটালি : প্রথম অভিজ্ঞতা

ভোর সকালে ফ্লোরেন্সের এক শহরতলীর স্টেশনে ট্রেন আমাদের নামিয়ে দিলো । কোন নতুন দেশে পা দেয়া মাত্রই আমি একবার বুকভরে নিশ্বাস নিয়ে যতসম্ভব তাকিয়ে দেখি চারদিক । ইটালির ভেনিসে আগে যাওয়া হলেও সেটাকে ঠিক ইটালিয়ান এক্সপেরিয়েন্স বলাটা ঠিক হবে না । ঐ শহরটা ইটালিতে হলেও দুনিয়ার কোন শহরকেই এটার সাথে মেলানো যাবে না । যাই হোক, স্টেশনের অবস্থা যেনতেন । ছোট, বোঝাই যায় যাত্রীদের ওঠানো নামানো ছাড়া কোন কাজই এ স্টেশনে হয় না । জার্মানীতে এক বন্ধুপত্নি বলেছিলেন, ইওরোপের মধ্যে ইটালিটা বাংলাদেশ চেহারার । ভাবীর কথাটাই মনে মনে ভাবছিলাম । জার্মানির শিল্পসমৃদ্ধ ঝা চকচকে বায়ার্ন (ব্যাভারিয়া) থেকে ইটালিতে পা দিয়েই ভাবী নাকি বলেছিলেন এতক্ষনে বাংলাদেশে এলাম । প্লাটফরম ছেড়ে ভেতরে ঢুকতেই কথাটার সত্যতা বুঝলাম । স্টেশনটার ভেতরে প্রায় অর্ধেক জায়গা জুড়ে িছন্নমূল মানুষজন ঘুমিয়ে আছে । চেহারা দেখে যা বুঝলাম সেটা হলো এরা পূর্ব ইওরোপিয়ান । আমি নিশ্চিত প্লাটফরমের বাইরে উষ্ণ আবহাওয়া থাকলে এদের বাংলাদেশের মতো উন্মুক্ত প্লাটফরমেও পাওয়া যেত । বন্ধুরা সবাই অটোম্যাট থেকে কিভাবে টিকেট কেনা যায় সেটার গবেষণা শুরু করলো । আমি এই ফাকে অাড়চোখে ঘুমন্ত মুখগুলো দেখছিলাম । হঠাৎ কোত্থেকে দুই মামুর আগমন । কয়েকজনকে দেখলাম ঝট করে কিভাবে যেন তাদের বিছানাপত্রগুলো গুছিয়ে পাশের বেঞ্চে উঠে বসে পড়লো । বাকি যারা তখনো ঘুমিয়ে মামু দুইটা তাদের পালিশ করা বুটের ডগা দিয়ে গুতিয়ে গুতিয়ে ওঠালো । গুতো থেকে অবশ্য তারা মহিলা ও শিশুদের বাদ দিলো দেখলাম । গুতো খাবার পর অবিকল বাংলাদেশের স্টেশনে ঘুমানো ছিন্নমূলদের মতো তারাও কোনরকম বাদপ্রতিবাদ না করে হাটা দিলো কোন একদিকে । যেন তারা জানে এরপর কোথায় যেতে হবে । অথবা তারা টের পেয়ে গেছে যেকোন দিকই আসলে তাদের কাছে সমান ।

(পরের পর্বে থাকবে ফ্লোরেন্স থেকে পিসা ভ্রমন, আর পিসায় ঘোরাঘুরির গল্প । )


টিকা:

ডিবি - ডয়েশে বান (জার্মান রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ)
টাকা - এখানে আমরা বাঙ্গাল স্টাইলে অয়রোকে টাকা বলি ।
নাখটৎসুখ – ইওরোপব্যাপি রেলওয়ে নেটওয়ার্ক । এ ট্রেন রাতের বেলা চলাচল করে । সাধারণত: রাত আটটা সাড়ে অাটটার দিকে যাত্রা শুরু করে সকালে গন্তব্যে পৌছায় এসব ট্রেন ।
ট্রেইনইটালিয়া - ইটালিয়ান ট্রেইন
বাঙ্গু - বাংলাদেশী । আমরা এখানে আড়ালে পাকিস্তানিদের পাকি আর ইন্ডিয়ানদের আন্ডি বাট্টি ডাকি । আর ওরাও আমাদের আড়ালে বাঙ্গু ডাকে । তো কিভাবে যেন এই বাঙ্গু শব্দটা আমাদের ভোকাবুলারিতে ঢুকে গেছে ।

ছবিটা ফ্লোরেন্সের আরনো নদির ওপরের এক ব্রিজ থেকে তোলা।
সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মে, ২০০৭ রাত ১২:১৯
২৫টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

গানটি বন্ধুত্বের, গানটি শান্তির প্রতি ভালোবাসায় সিক্ত

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ ভোর ৪:০০

আমেরিকা ও ইরানের শান্তি চুক্তিকে স্বাগত জানিয়ে এই গানটি বুনেছি, নিজের বেসুরো গলা 'ব্যবহার' করেই।
এবারে কি ভারত - বাংলাদেশ সীমান্তে শান্তির আলো দেখা দেবার কথা?



বন্ধু হে অনেক... ...বাকিটুকু পড়ুন

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল || একটা রোমান্টিক গান

লিখেছেন সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই, ২৪ শে জুন, ২০২৬ দুপুর ১:৪৪

সে আমার দিকে তাকিয়েছিল
ওওও
বহুবার সে তাকিয়েছিল
আমি ভাবতে চেয়েছি
আমাকে তার ভালো লেগেছিল



সে দেখতে এতটা সুন্দরী
তার উপমা যেন সে নিজেই
মাঝে মাঝে অধরে তার ফুটছিল হাসি
মুগ্ধতায় আমি হারিয়েছিলাম খেই
তখন মিহিসুতোর মতো বৃষ্টিরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নীল গ্রহের শেষ প্রেম // কেয়া এবং আমি।

লিখেছেন দানবিক রাক্ষস, ২৪ শে জুন, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



আমি ভেসে আছি মহাশূন্যে।
আমার শরীরে রূপালী স্পেসস্যুট।
চারপাশে অসীম অন্ধকার।
আর আমার সামনে দূরে জ্বলছে এক নীলাভ-সবুজ গ্রহ—
Earth-666।
এই গ্রহেই আমার জন্ম।
এই গ্রহেই আমি প্রথম প্রেমে পড়েছিলাম।
আর এই গ্রহই আমার কাছ থেকে সবকিছু... ...বাকিটুকু পড়ুন

“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ২৪ শে জুন, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৪



“নির্বাচিত সরকার যখন সেনাবাহিনী মাঠে নামায়, গণতন্ত্র তখন নিজের সত্ত্বা নিয়ে চিন্তিত হয়ে পড়ে।”

এই বক্তব্যের মূল তাৎপর্য নিহিত রয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থার মৌলিক দর্শনে। গণতন্ত্রের ভিত্তি হলো জনগণের... ...বাকিটুকু পড়ুন

=কিছু গোপন ব্যথা রেখে দিলাম অন্তরে=

লিখেছেন কাজী ফাতেমা ছবি, ২৪ শে জুন, ২০২৬ রাত ৯:৪৩



আমার হয়ে থাকুক কিছু
মন কুঠুরির আড়াল হয়ে
দুঃখগুলো যাক না নিরব
একটু করে ক্ষয়ে ক্ষয়ে।

বাড়ুক ব্যথা বুকের গহীন
কেউ না জানুক গোপন থাকুক
ব্যথার কাঁপন উঠুক না হয়;
হেলা বুকে কষ্ট আঁকুক।

যাক না এমন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×