১। পুরনো দিনের তবলিগ আর আজকের তবলিগে কত ব্যবধান। আগে জীবন বদলে যেতো আল্লাহ তায়ালার পাপী-তাপী বান্দাগুলোর। এখন চিল্লা দেয়, সাল দেয় তারপরও যেন জীবনে পরিবর্তন আসতে চায় না। তাই দীর্ঘশ্বাস ফেলেন আল্লাহর কিছু বান্দা। একটা দীর্ঘশ্বাস। আহ্ হ। তারপর আবার পথ বেয়ে চলা। শেষ যুগের দীর্ঘ কঠিন পথ। ইমাম মাহদী আর হযরত ঈসা য়ালাইহিস সালাম হবেন কান্ডারী। আল্লাহ রব্বুল য়ালামীন তার দ্বীনের দরজা খোলা রাখবেনই। নদী যেমন সাগরে গিয়ে মেশে, সেরকম তবলিগও নিশ্চয়ই সেই মোহনায় পা রাখবে। যেখানে একত্রিত হবে হাজারো মত পথ মাযহাব।
২। আমাদের বাসার দারোয়ান বলল, আগামীকাল সকালে ইজতিমায় যাবে, মুনাজাতে অংশ নিতে।
আমি বললাম, ঘরে বসে মুনাজাত করেন।
সে বলল, ওখানে গিয়ে করলে ভালো হয় না?
আমি বললাম, মুনাজাততো আল্লাহর কাছেই করবেন। আল্লাহতায়ালার শক্তিতো এখানেও যা ইজতিমার ময়দানেও তা। ওখানে গেলেতো আর আল্লাহর শক্তি বেড়ে যায় না।
লোকটা পুরোপুরি কনফিউজড।
ঘোর একটু কাটিয়ে জিজ্ঞাসু কন্ঠে বলল, তাহলে টেলিভিশনের সামনে বসে মুনাজাত ধরব?
আমি বললাম, না। টেলিভিশনের সামনে বসে মুনাজাত করলে আপনার দুয়া কবুল হবে না।
(লোকটার কনফিউশন ঘনীভূত হয়ে এখন হতভম্ব)।
তাকে হতভম্ব অবস্থায় রেখে চলে এলাম আর ভাবতে লাগলাম, আয় আল্লাহ, কে এদেরকে বুঝাবে!!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

