somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

হতাশা, ডিপ্রেশন বা মনমরা লাগার চিহ্ন

১১ ই মার্চ, ২০০৬ সন্ধ্যা ৬:৩৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

[ডিপ্রেশন নিয়ে আগের লেখায় মন্তব্য করেছেন মাত্র একজন। অনুরোধও করেছেন আরেকটু বিস্তারিত লেখার। হোক না মাত্র একজনের তবু অনুরোধ ফেলতে পারি না। তবে ডিপ্রেশন নিয়ে কত কিছু বলার আছে সেসব এখানে বলার চেয়ে ডিপ্রেশনে আছেন কিনা তা বুঝার উপায় কি তাই তুলে ধরলাম।]

হতাশা, ডিপ্রেশন বা মনমরা ভাবের কিছু চিহ্ন আছে। যা দেখে আপনি বুঝতে পারেন যে আপনার সেই দশা কিনা। অথবা বন্ধুটি বা ছোটভাইটি সেরকম সমস্যায় আছে কিনা। সেরকম কিছু চিহ্ন হলোঃ

ক) আপনি দেখবেন যে, সবসময় একটা মনখারাপ ভাব থাকে, যা পুরোপুরি চলে যায় না।

খ) আপনার মনে হবে জীবন সম্পর্কে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছেন, কোন কিছু থেকে আনন্দ পান না বা কোনো মজা উপভোগ করতে পারেন না, লোকজনকে এড়িয়ে চলেন, এমনকি বেল বাজলেও দরজা খুলতে ইচ্ছা করেনা। ডিপ্রেশনের একটা বড় লক্ষণ হচ্ছে নিজেকে একা লাগা। (আকাশের ছড়িতা পড়ুন)।

গ) নিজের খেয়াল রাখতে ইচ্ছা করেনা, ভাল জামাকাপড় পরতে ইচ্ছা করেনা।

ঘ) ছোটখাট সিদ্ধান্ত নিতেও অসুবিধা হয়। কোনকিছুতেই মন বসেনা।

ঙ্) মনে হবে আপনার শরীরে কোনো শক্তি নাই। সবসময় ক্লান্ত লাগে।

চ) অস্থির আর অস্বস্তির ভাব থাকে মনে।

ছ) আপনার ক্ষুধা কমে গেছে এবং ওজন কমছে অথবা প্রচুর খাচ্ছেন এবং ওজন বাড়ছে।

জ) ঘুম আসতে অসুবিধা হয়, বা মনে হয় বেশী ঘুম হচ্ছে।

ঝ) যৌনইচ্ছা কমে যায় বা উবে যায়। (কখনও কখনও এটা ওষুধের সাইড এফেক্টের জন্যও হতে পারে, তাই ডাক্তারকে জিজ্ঞাসা করে নিন।)

ঞ) নিজেকে অকাজের মনে হয়। নিজের উপর বিশ্বাস কমে যায়, নিজেকে নিজেরই ভাল লাগেনা।

ত) আত্মহত্যা (সুইসাইড) করার চিন্তা মাথায় আসে। এমন মনে হলে, ঘনিষ্ঠ বন্ধু, বা ডাক্তার, বা সাইকলজিস্টের সাহায্য নিন। এগুলি সাময়িক ব্যাপার, অল্প দিনের মধ্যেই কেটে যায়, সুতরাং অন্যদের সাহায্য নেওয়া ভাল।

থ) যখন তখন খেয়ালের অভাবে দুর্ঘটনা ঘটান, যেমন জিনিসপত্র হাত থেকে পড়ে যায় বা কোন কিছুর সাথে ধাক্কা খান।

দ) মনমেজাজ বিগড়ে থাকে। আগে যেসব জিনিসকে গুরুত্ব দিতেন না সেসব ছোটখাট জিনিস নিয়ে প্রায়ই তর্কবিতর্ক হয়।

ধ) দিনের বিশেষ কোনো সময়ে মনখারাপ থাকে, বিশেষ করে সকালবেলা।

বি:দ্র: এরপরও যদি আপনি বুঝতে না পারেন আপনি হতাশা বা ডিপ্রেশনে ভুগছেন কিনা তাহলে জাকিরুল তালুকদারের পোস্টগুলো পড়ুন। যদি আপনার মনের সাথে মিলে যায়, তবেই নিশ্চিত হবেন ঘটনা সত্যি। [এই লেখাটি থেকে একটি উত্তম রঙ্গ বা রম্য লেখা তৈরি হতে পারে। রাসেল (.....)-ই তা ভাল পারবে।]
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৬টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-১৬)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ৭:০১



সূরাঃ ১৬ নাহল, ৯৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
৯৩। আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদেরকে এক উম্মাত (একজাতি) করতে পারতেন, কিন্তু তিনি যাকে ইচ্ছা বিভ্রান্ত করেন এবং যাকে ইচ্ছা হেদায়াত দান করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমিত মগজ, লিলিপুটিয়ান, ডোডো পাখি (সৌজন্যে - চাঁদগাজী)...

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সকাল ১১:২৯



১. যেনা করব আমরা, ৫০১-এ যাব আমরা, পার্কে যাব আমরা। তুমি তো আলেম। তুমি কেন যাবে? তুমি তো ইসলামের সবক দাও সবাইকে। তুমি মাহফিলে কোরআন, হাদীস বয়ান কর। তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

মহাজন জিন্দা হ্যায়!!!

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৪৭



মনে পড়ে, ঠিক এক বছর আগে গত বছর এই সময়ের দিকে ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ভেসে যাচ্ছিল 'মহাজন স্যারকে আরও ৫ বছর বাংলাদেশের সরকার প্রধান হিসেবে দেখতে চাই' টাইপের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্ম অটুট, মৌলভিরা নন: সমালোচনা মানেই অশ্রদ্ধা নয়

লিখেছেন কলিমুদ্দি দফাদার, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৬



নবী ইউসুফ (আ.)-এর সময় মিসরীয়রা 'আমুন' দেবতার পূজা করত। মিসরের শাসক আপোফিসকে তার পিতা তৎকালীন পুরোহিতদের কুচক্রী স্বভাব সম্পর্কে সতর্ক করেছিলেন। এই পুরোহিতরা ধর্মের দোহাই দিয়ে রাজ্যসভা থেকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৈশব- কৈশোর বেলার গল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৮ ই মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭



আমাদের শৈশব ছিলো অতিশয় প্রাণপ্রাচুর্যময় যদিও শৃঙ্খলাপূর্ণ।
একালের মতো বিলম্বিত শয্যা ত্যাগ রীতিমতো গর্হিত অপরাধ! শয্যা ত্যাগ করেই বিশেষত অবকাশের দিন গুলোতে নিয়মিত গন্তব্য ছিলো কারো কারো খেলার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×