স্লোভেনিয়ার ছবি: 2
২৯ শে এপ্রিল, ২০০৬ রাত ৯:০৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
স্লোভেনিয়ার রাজধানী লুবিয়ানা। দেশের সবচে' বড় ও জনবহুল শহর এটি। আর সব কর্মকান্ডেরও শহরও লুবিয়ানা। এ কারণে দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সাংস্কৃতিক রাজধানী সবই এই লুবিয়ানা। তবে শিল্প-কল-কারখানার নগরী নয় লুবিয়ানা। লুবিয়ানা শব্দের অর্থ হচ্ছে 'প্রিয়তম'। আর নামের মতই রোমান্টিক, ভালবাসবার মত মনোরম একটি সি্নগ্ধ নগরী রাজধানী লুবিয়ানা । ছোটই বলা চলে শহরটিকে। একদিন নয়, ঘন্টা কয়েকের মধ্যে চষে ফেলা সম্ভব নগরটিকে। কিন্তু তাতে পথের মোড়ে মোড়ে ছড়ানো ছিটানো এর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যকে অবহেলাই করা হবে। যাদুঘরগুলো হচ্ছে লুবিয়ানার প্রাণ। ন্যাশনাল গ্যালারি বা মিউজিয়াম অব আর্টে রাখা আছে স্লোভেনিয়ান চিত্রকলা। অন্যদিকে সিটি মিউজিয়ামে রাখা আছে নানা প্রত্নতাত্তি্বক নিদর্শন যাতে ধরা পড়েছে নগরটির ঐতিহ্য ও ইতিহাস।
সব মিউজিয়াম ঘুরে দেখার মত সময় নেই। তাই দুটি মিউজিয়াম বেছে নিলাম। ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন দেখতে হানা দিলাম সিটি মিউজিয়ামে। রোমান বসতির সময়কার একটি প্রাসাদের ধ্বংসাবশেষের ওপর স্থাপন করা হয়েছে নগর যাদুঘর। মাটি খুঁড়ে বের করা সেসময়কার নানা নিদর্শনগুলো সাজানোর কাজ চলছে এখনও। খৃষ্টের জন্মেরও শত বছর আগের নিদর্শন। লুবিয়ানা তখন একটি জলাভূমি। সেই জলাভূমিতে রোমানরা প্রতিষ্ঠা করেছে 'এমনা' নামের একটি শহর, যার অধিবাসী ছিল হাজার পাঁচেক মানুষ। 'এমনা' নগরীর দেয়ালের ধ্বংসাবশেষ (ছবি দেখুন) সহ নানা নিদর্শন রাখা হয়েছে যাদুঘরটিতে। সাজানো শেষ হয়নি যাদুঘরটি। তবু ঘুরে ফিরে অনেক তথ্যের সাথে পরিচিত হলাম। দেয়াল দিয়ে ঘেরা ছিল শহরটি। ছয়টি দরজা ছিল শহরে ঢোকার। একটি দরজার ইয়া বড় একটি চাবি পাওয়া গেছে মাটি খুঁড়ে। সেটি রাখা আছে যাদুঘরে। পরবর্তীতে লুবিয়ানা শাসন করেছে ফ্রেঞ্চ, জার্মান, অস্ট্রিয়ান, ইটালিয়ানরা। সেসব সময়ের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন দিয়ে ধরে রাখা হয়েছে অতীত ইতিহাসকে খুব সুন্দর করে।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

আমাদের গ্রামের পাশ দিয়ে একটা নদী বয়ে গেছে। তার একটা আদুরে নাম আছে, ‘স্বর্ণামতি’। কে, কবে, কেন নদীটির এ নাম দিয়েছে, তা আমার অজানা। তবে নামটি আমার খুবই প্রিয়। এক...
...বাকিটুকু পড়ুনবাংলাদেশের রাজনীতিতে সারাবছরই ঐক্যের ঋতু, এখানে রাজনীতিতে শত্রু না থাকলে মিত্র টেকে না। যতদিন হাসিনা ছিল, স্বাধীনতাবিরোধীরা ছিল একটি সুখী পরিবার। বাম জানত ডানকে ঘৃণা করতে হয়, কিন্তু আপাতত স্থগিত।... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনেকদিনের ইচ্ছে পছন্দের বেশকিছু গান নিয়ে একটা পোস্ট দেব। দেওয়া হয়নি, কারণ, বিষয়টা সময়সাপেক্ষ। আজ হুট করে বসেই পড়লাম। রবীন্দ্র সঙ্গীত, নজরুলগীতি, লালনগীতিসহ নানান ধরনের গানের একটা তালিকা করছি,...
...বাকিটুকু পড়ুন
আমি হাসিনা। আমি আমার স্বামী ওয়াজেদ মিয়াকে কোনদিন স্বামীর মর্যাদা দেইনি। সে জ্ঞানী হলেও আমি সবসময় তাকে বাসার কাজের লোকের চেয়ে বেশি কিছু মনে করিনি। আমি সবসময় মৃণাল কান্তি...
...বাকিটুকু পড়ুন
রুবার সাথে আমার বিয়েটা ওঠ ছেড়ি তোর বিয়ের মতোই হয়েছে । একদম সাধারন কোনরকম অনুষ্ঠান নাই । সেইদিন অফিসে অনেক কাজ ছিলো । চোখে তারা ফারা দেখছিলাম । বসের...
...বাকিটুকু পড়ুন