পাইপে পড়ে যাওয়া শিশুটি মৃত অবস্থায় উদ্ধার এবং কিছু প্রশ্ন।
অবশেষে শিশুটিকে মাটির ৬০০ ফুট নিচ থেকে মৃত উদ্ধার করা হল!!
শিশুটিকে যে শেষপর্যন্ত পাওয়া গেছে, এজন্য খুব ভাল লাগছে । যদিও ছোট্ট অবুঝ শিশুটির মৃত্যুর জন্য প্রচন্ড কষ্ট লাগছে । শিশুটিকে জিবীত অবস্থায় তার বাবা মায়ের কাছে ফিরিয়ে দিতে পারলে অনেক ভাল হত ।
শিশুটির মৃত অবস্থায় উদ্ধার হওয়া নিয়ে মনের মধ্যে কেন যেন সন্দেহ দেখা দিচ্ছে ।
কেন সন্দেহ দেখা দিচ্ছে জানিনা!!
কিছু প্রশ্ন বারবার মনের মধ্যে উকি দিচ্ছে । হিসাব মেলাতে পারছি না!
তাহলে খুলেই বলি,
শিশুটি একটি পাইপের মধ্যে পড়েছে। পাইপের নিচে বারবার ক্যামেরা নিয়ে দেখা গেল সেখানে কিছু, আবর্জনা, ককশীট, ব্যাং, টিকটিকি আছে !
কোন মানুষ নেই!
আচ্ছা, ধরলাম পাইপের নিচে ময়লা আবর্জনা আগে থেকেই ছিল ।
পরে ছেলেটা পড়েছে। তাহলে ছেলেটা পরলে তো সেই আবর্জনা গুলোর ওপরে পড়ার কথা! তাহলে ক্যামেরাতে ছেলেটিকে না দেখা গিয়ে আবর্জনা দেখা গেল কেন??
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ছেলেটির কাছে জুসের প্যাকেট ফেলেছে, অথচ জুসের প্যাকেট ক্যামেরাতে দেখা গেল না! দেখা গেল ককশিট আর ব্যাং !
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা শিশুটির উপরে ককশীট ,আবর্জনা ,ব্যাং ইত্যাদি ফেলবে এটা অসম্ভব । তাহলে শিশুটি আবর্জনার নিচে ছিল এটা মিথ্যে হবার সম্ভাবনাই বেশী।
আবার ,শিশুটি পড়ে যাবার সময় গায়ে জ্যাকেট ছিল বলে জানিয়েছে তার বাবা মা। অথচ উদ্ধার হলো খালি গায়ে!
ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের কথা অনুযায়ী শিশুটি যদি বার বার দড়ি ধরে ১৫০ ফিট ওঠার পর দড়ি ছেড়ে দিয়ে নিচে পরে গিয়ে থাকে, তাহলে তো তার থাকার কথা ছিল আবর্জনার উপরে!
সে আবর্জনার নীচে কিভাবে গেল??
এটা কি সম্ভব ??
আর একটা কথা, মাটির ৬০০ ফিট নিচে কি অক্সিজেন থাকে?
যদি না থাকে তাহলে শিশুটি কিভাবে পরে যাওয়ার কয়েক ঘন্টা পরও বেচে থেকে কথা বললো?
আচ্ছা ,মৃত শিশুটিকে উদ্ধারের আধা ঘন্টা আগে পাইপে ফেলা হল নাতো??
তারপর উদ্ধার করে জনগনকে বোকা বানানো হলো নাতো??
যদি বলেন, কেন এরকম ধারনা হচ্ছে ?
তার কারন হচ্ছে ,রানা প্লাজার রেশমাকেও তো একই কায়দায় উদ্ধারের কিছুক্ষণ আগে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল! ইংল্যান্ডের বিখ্যাত পত্রিকা যখন এই কাহিনী ছেপে দিল, তখন বাংলাদেশ বড় ধরনের লজ্জায় পড়েছিল! যা হোক,
যদি এটা কোন রাজনৈতিক খেলা হয়ে থাকে, তাহলে এই নোংড়া রাজনীতিকে ঘৃনা জানাই ।
আর যদি, সত্যিই শিশুটি পড়ে গিয়ে থাকে, তাহলে একটি শিশুর প্রান বাচানোর জন্য সারা দিন রাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে সর্বাত্মক চেষ্টা চালানোর জন্য সরকারকে অভিনন্দন জানাই ।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



