somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

কয়েকদিনের হল জীবন #১

২২ শে আগস্ট, ২০১১ সকাল ১১:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

১.
২০০০ সাল আসার আগ থেকেই সবার মনে নানা রকম জল্পণা কল্পণা শুরু হয়ে গেল। ভাবখানা এমন যেন ১ জানুয়ারি,২০০০ থেকেই পৃথিবীর সব কিছু এক নিমিষে বদলে যাবে। কিন্তু তেমন কিছুই ঘটল না। তবুও নতুন সহস্রাব্দর প্রথম বছর হিসেবে বছরটি সবার কাছেই গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমার ক্ষেত্রে অবশ্য অন্য একটি কারণে বছরটির বিশেষ তাৎপর্য আছে। এ বছর আমি উচ্চ মাধ্যমিকের গণ্ডি পেরুই। নতুন সিলেবাসের প্রথম গিনিপিগদের মধ্যে আমি একজন। ফলাফল বিপর্যয়ের মধ্যেও আমি পাস করি, সাদামাটা প্রথম বিভাগ নিয়ে। যদিও আমার ফেইল করাটাই অধিক যুক্তিসঙ্গত ছিল।

তো, ফলাফলের ঘাটতিটা পুষিয়ে নেবার জন্য আমি জানপ্রাণ দিয়ে পড়তে থাকি। কোথাও ভর্তি তো হতে হবে, নাকি? আহা, এই পড়াটাই যদি তিনটা মাস আগে পড়তাম!

সেবার মানে, ২০০০ সালে সবার আগে ভর্তি পরীক্ষা হয়েছিল জাবিতে। ভর্তি পরীক্ষা দেবার জন্য সুমনা আপুর হলে থাকব বলে ঠিক করলাম। কিন্তু পরীক্ষা শুরু হবার আগের দিন দেশে মারাত্নক ঝড় আঘাত হানে। অনেক ঝঞ্ঝাটের মধ্যেই আমরা হলের উদ্দেশ্যে রওনা দেই।

সন্ধ্যের সময় আমরা হলে পৌঁছাই। জাহানারা ইমাম হল, রুম নং—উমমম। কত যেন আজ আর মনে নেই। দুইশ দিয়ে শুরু। দোতলায় ছিলাম এটাই মনে আছে। কত দ্রুত সব ভুলে যাচ্ছি!

ঝড় দেশের বিদ্যুৎ ব্যবস্থার মাজা ভেঙ্গে দিয়ে গেছে। ফলাফল হলে বিদ্যুৎ নেই। বিদ্যুৎ নেই মানে পানি নেই। সারাদিন ঝরঝর বৃষ্টি একদম শীত নামিয়ে দিয়েছে।

তল্পিতল্পা নিয়ে আমি সুমনা আপুর পিছে পিছে, হলের চার প্যাঁচের সিঁড়ি পার হয়ে রুমে ঢুকি। শুধু আমি না, আমার মত আরো অনেক পরীক্ষার্থী আর তাদের অভিভাবকেরা এসেছে হলে থাকতে। বিদ্যুৎ, পানির এই দূর্যোগে হলের ছাত্রীরা বেশ বিপদেই পড়ল। নেহাত ভদ্রতার খাতিরে তারা আমাদের কিছুই বলছে না।

পর্ব ৩ ঃ Click This Link

পর্ব ৪ঃ Click This Link

পর্ব ৫ঃ Click This Link

পর্ব ৬ঃ Click This Link
সর্বশেষ এডিট : ২২ শে আগস্ট, ২০১১ রাত ৮:২১
৬টি মন্তব্য ৪টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

একা হতে দুহু. দুহু থেকে বহু : যুদ্ধ আর ধংসও সৃষ্টির চিরন্তন লীলা

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ৯:৫১


বিধাতার পরে দুহাত তুলে
জানাই শুকরিয়া কারণ
অসীম শূন্যতার ভেতরেও
তিনি শুনেছিলেন প্রতিধ্বনি
নিজ সত্তারই গভীর আহ্বান।

তাই তিনি সৃজিলেন দুহু
আলো আর অন্ধকার
দিন আর রজনী
আকাশ আর ধরণী
প্রেম আর প্রত্যাশা।
একটি হৃদয় থেকে আরেকটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমি এখন ইরান নিয়ে ভাবছি না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ সকাল ১১:১৮



সূরাঃ ৪৮ ফাতহ, ২৯ নং আয়াতের অনুবাদ-
২৯। মোহাম্মাদ আল্লাহর রাসুল; তাঁর সহচরগণ কাফিরদের প্রতি কঠোর এবং নিজেদের মধ্যে পরস্পরের প্রতি সহানুভূতিশীল; আল্লাহর অনুগ্রহ ও সন্তুষ্টি কামনায় তুমি... ...বাকিটুকু পড়ুন

“সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে” (দিনলিপি, ছবিব্লগ)

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৫


রোদের মাঝে একাকী দাঁড়িয়ে....
ঢাকা
২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বেলা ১২৩৩

"সূয্যি মামা জাগার আগে উঠবো আমি জেগে" -- নিজ শিশুর মুখে একথা শুনে মানব শিশুর মায়েরা সাধারণতঃ কপট রাগত স্বরে এমন প্রতিক্রিয়া... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান নিজে কি পেল ?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ৮:৩৫


ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে একটা প্রশ্ন ঘুরেফিরে এসেছে — রাশিয়াকে ড্রোন দিয়ে ইরান আসলে কী পেল? ইরানের Shahed-136 ড্রোন ইউক্রেনের বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করেছে, সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি... ...বাকিটুকু পড়ুন

জল্লাদ খামেনি বাঙ্গুদের কাছে হিরো

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ০৪ ঠা মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:১২



বাঙ্গুদের কাছে খামেনি হিরো কারণ সে ইউএসের বিরুদ্ধে দাড়িয়েছিল। কিন্তু বাঙ্গুরা কখনোই জানবেনা এই খামেনির ইরান ২০০৬ সালে তাদের এয়ারস্পেস আমেরিকার জন্য খুলে দেয় যাতে সাদ্দামের বাহিনীর... ...বাকিটুকু পড়ুন

×