আন্দালিব পার্থের একটা টকশোতে দেখলাম, উনি বলছেন, দেশটা ডিজিটালাইজড হয়েছে, সেটা সময়ের অবদান। এ যুগটাতে অটোমেটিক সবাই সকল কাজে ডিজিটাল পদ্ধতেটাই অবলম্বন করবে, তাতে আওয়ামিলীগের কোন অবদান নাই।
তাহলে আমিতো বিএনপি প্রচার প্রচারণাতে কোন ডিজিটাল পদ্ধতির ছোয়া দেখতে পাচ্ছিনা। এ যুগের সাথে তাল মিলিয়ে আওয়ামিলীগের অফিসিয়াল পেইজ কিংবা তাদের বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাক্টিভিটিসগুলো দেখুন। দেখলে বুঝাই যাচ্ছে, তাদের সোশ্যালমিডিয়া অ্যাক্টিভিটি মেইনটেইন করার জন্য প্রফেশনাল টিম রয়েছে। আর এরকম প্রফেশনাল টিম দেখে বুঝাই যায়, আওয়ামিলীগ যতটা ডিজিটাল যুগকে নিজেদের মধ্যে ধারণ করতে পেরেছে, ফিল করতে পেরেছে, অন্য দলগুলো ততটা ধারণ করতে পারেনি। প্রফেশণাল ভিডিও, ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন করে তাদের ভ্যারিফাইড পেইজগুলোতে পোস্ট হচ্ছে, যা প্রচুর তরুণদের আকর্ষন করছে।
অন্যদিকে বিএনপি - জামায়াতের ডিজিটাল মাধ্যমে কোন প্রচার প্রচারণার উদ্যোগতো দূরের কথা, তাদের শীর্ষ স্থানীয় কোন লিডারের অফিসিয়াল পেইজতো দূরের কথা, অনেকের ফেসবুক আইডিও নাই। নিজেরাই যদি ডিজিটাল পদ্ধতিকে ধারণ করতে না পারে, তাহলেতো তরুণ সমাজ তাদেরকে ক্ষমতাতে দেখতে আগ্রহী হবেনা। কারণ যারা নিজেরাই ডিজিটাল পদ্ধতি ধারণ করেনা, তার মানে ডিজিটাল যুগের গুরুত্ব নিজেরাই বুঝেনা। তারা কিভাবে ক্ষমতাতে আসলে তরুণদের জন্য বর্তমান সরকারের মত সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে আইটি বিষয়ক বিভিন্ন উদ্যোগগুলোতে ইনভেস্ট করবে। আর এটা অবশ্যই সত্য, এ সরকার আমলে আইটিতে এত গুরুত্ব না দিলে দেশের বেকারত্বের অবস্থা আরো অনেকগুন খারাপ হতো। ভবিষ্যত সরকার সেই উদ্যোগ না নিলে পরিস্থিতি কতটা খারাপ হতে পারে, সেটা একটু ভাবলেই বুঝা যাচ্ছে।
*** সত্যটা উপলব্ধি করুন, তাহলেই দেশ পরিবর্তন হবে। দলকানা হয়ে কোন কিছুকে মেনে নিলে দেশের পরিবর্তন আসবেনা। আপনি বিএনপি কিংবা আওয়ামিলীগ করেন, সেজন্য তাদের দলের সকল ভুলগুলোও আপনার চোখে ভাল মনে হলে, দেশটার ভবিষ্যত দিনে দিনে খারাপের দিকে যাবে।
সর্বশেষ এডিট : ০৭ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



