মাশরাফি আওয়ামিলীগের মনোয়ন কিনেছে দেখে যেভাবে বিএনপি এবং জামাতপন্থীদের সোশ্যালমিডিয়া গ্রপগুলোতে তাকে গালাগালি চলছে। এটা দেখেই আভাস পাচ্ছি, ক্ষমতাতে থাকলে এই দলও বিরোধী বক্তব্যকে কিভাবে কন্ঠরোধ করার চেষ্টা করবে।

অথচ আওয়ামিলীগের বিরুদ্ধে যে অভিযোগে সবচাইতে বেশি মানুষের সমর্থন পেয়েছে আওয়ামি বিরোধী পক্ষ, সেটা হচ্ছে, আওয়ামিলীগ বিরোধী মতকে সহ্য করেনা। তাদের গুম করে দেয়, জেলে ঢুকিয়ে দেয়। এই একটা অভিযোগ দেশের বেশির ভাগ মানুষ মেনে নিয়েছে।
কিন্তু এই সমস্যা বিএনপি এলেও সমাধান হবেনা, সেটা তাদের বর্তমান অবস্থা দেখলেই বুঝা যায়। এ সমস্যাটা ছাড়া আওয়ামিলীগের অন্য দোষগুলোতো মনে মাইনর দোষ।বিরোধী শিবিরে নেতা-কর্মী ছাড়া সবাই সহ সারাবিশ্ব এক বাক্যে স্কীকার করবে, এ আওয়ামিলীগ আমলে এদেশ অর্থনৈতিকভাবে যে পরিমান এগিয়েছে, সেটা সারাবিশ্বে বিরল ঘটনা।
শুধু আওয়ামিলীগের কোন একটা ভাল কাজ নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট করে দেখবেন, সেখানে বিএনপি- জামাত পন্থীরা এসে কিরকম হুমকি, গালাগালি শুরু করে দেয়। তাহলে তারা ক্ষমতা আসলে তাদের বিপক্ষে কোন পোস্টের জন্য আওয়ামিলীগের শাসনের মতই লিস্ট করে গুম করে ফেলবেনা, তার নিশ্চয়তাতো পাচ্ছিনা।
আমি এমন দলকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে চাই, যে মত প্রকাশের স্বাধীনতা হরণ করবে না। কোন কিছু খারাপ হলেও সব সময় সে আমার দেখা দুনিয়াতে সবচাইতে ভাল, এ মিথ্যা বাক্যটা যে শুনাতে বাধ্য করবে, এরকম কাউকে ভোট দিতে আগ্রহী না।
আমেরিকাতে ট্রাম্পকে নিয়ে বাথরুমের টয়লেট টিস্যুও তৈরি হয়, অপমানজনক কার্টুন তৈরি হয়। সেরকম কিছু তৈরি করে তারা আতংকিত থাকে না।
একজনের ভাল- খারাপ দুটাই থাকতে পারে। ভালকে ভাল, খারাপকে খারাপ বলার স্বাধীনতা থাকতে হবে। আমার অপছন্দের কারও কিছু ভাল হলেও সেটাকে খারাপ বলতে হবে, সেই টাইপ হিপোক্রেটদের আমি ভোট দিতে রাজিনা।
আর সেজন্যই আমি কখনও ভোট দেইনা।
আসুন, পলিটিক্যাল লিড্যাররা নিজেদের এ পরিবর্তনটা না করলেও যারা যেই দলের সমর্থক আছেন, সবাই নিজেদের মধ্যে এ পরিবর্তনটা নিয়ে আছি। তাহলে দেখবেন, দেশের ৮০% সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে।

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ২:১৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



