নর্তকী বিহীন একটি রজনী
সেই রাত্রিতে চরম একটা সত্য অনুধাবন করেছিলাম
রাত্রিটি ছিল আমার জলসা ঘরে,নর্তকী বিহীন একটি রাত
রাতের প্রহর গুলো ছিল এক একটি শতাব্দীর মত
কি যে জ্বালা কি যে যন্ত্রনা!!
আমার নিউরনের স্নায়ু গুলো এক অদ্ভুদ পাপীষ্ঠ অনুভূতির জন্য সট্ফট্ করছিল
কিছুতেই দমিয়ে রাখার মত নয়! কিছুতেই নয়।
মাত্র একদিনের বিরতি তাতেই আমি এত অস্থির
নিজের প্রতি ঘৃণা করতেও ঘৃণা হয়!!
ছি! ছি! এই আমি কি করছি।।
প্রতি রাত্রীতে তটিনীর ছন্দময় টেউ এর শব্দের আড়ালে
আমার ঘন ঘন দূষিত ভারী নিশ্বাস চাপিয়ে দিচ্ছি
নিস্পাপ হাওয়া কে কাজে লাগিয়ে আমার বিষাক্ত ঘাম শুকাচ্ছি
সৃর্যের অনুপস্থিতে আমি একি কার্য করছি্।।
আমি আজ যাকে অথাৎ জীব রূপী একটি জড় বস্তু ব্যবহার করে
আমার গোপন আনন্দ মিটাচ্ছি...
কাল সকালেই তাকে নষ্টা,চরিত্রহীনা বলে অপবাদ দিচ্ছি
আমার বিবেক কে অভিধানে যত নিকৃষ্ট বিশেষনের উপমা আছে
তা দিলেও কি যথাযথ ভাবে আমার বিবেকের ভাব প্রকাশ পাবে?
না পাওয়ার সম্ভবনাই বেশী
কেন আমি কি পারতাম না তার মুখে দুমুঠো সাদা ভাত গুজে দিতে
সমাজে বাচাঁর মত কিছু পথ করে দিতে?
তখন আমার লজ্জা হয়,আমার সামাজিক মর্যাদা ক্ষুণ হওয়ার ভয় রয়।
কিন্তু আমি যখন তার প্রতিটা লোমে লোমে প্রশান্তির স্বাদ নেই
তখন আমার বিবেক কোথায় যায়? কখনো নিজেকে প্রশ্ন করা হয় নি!!
যে নর্তকীটি তার প্রতি দিনের বাচার কর্ম ফেলে
সেই রজনীতে তার অসুস্থ মা কে সেবা করতে গিয়েছিল
তাকে বাধা দিতে আমার একটু হাত কাপেঁ নি
ছি কি নিলজ্জ আমি!!
সেই নর্তকীর বিবেক কি আমার মত পশু সাথে তুলনা হয়??
আমি একটি নর্তকী বিহীন রাত্রিকে নির্মম ভাবে অনুধাবন করেছি।।
সম্মান হিসেবে সেই রাত থেকে সন্ধা পর্যন্ত অচেন্দ্রচেতন থেকেছি

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


