৩২টি দল দিয়ে শুরু হয়েছিল বিশ্বকাপ। দু’রাউন্ড শেষে এখন বিশ্বকাপে দল আছে ৮টি। তার মানে এখন শুধু কোয়ার্টার ফাইনাল, সেমিফাইনাল এবং ফাইনাল বাকী। এবার দেখা যাক দলগুলোর সম্ভবনা কেমন।
কোয়ার্টার ফাইনাল লাইন আপটা হছে এমন,
উরুগুয়ে - – ঘানা এবং ব্রাজিল -– নেদারল্যান্ড
আর্জেন্টিনা –- জার্মানি এবং স্পেন -– প্যারাগুয়ে
উরুগুয়ে -– ঘানা
এবারের বিশ্বকাপে ল্যাটিন দলগুলোর সাফল্যের কথা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। উরুগুয়ের অনেক বিশ্বকাপের পর কোয়ার্টার ফাইনালে ওঠা যার জ্বলন্ত প্রমান। অপরদিকে ঘানা উঠেছে প্রথমবারের মতো কোয়ার্টার ফাইনালে। তারাই এখন সমগ্র আফ্রিকার প্রতিনিধিত্ব করছে এবারের বিশ্বকাপে। তাই তারাও শেষ বিন্দু দিয়ে লড়াই করবে পরিচিত পরিবেশ আর অসংখ্য দর্শক সমর্থন নিয়ে। তবে ঘানার তুলনায় উরুগুয়ের রক্ষনভাগ অনেক শক্তিশালী। আর দিয়াগো ফোরলানতো আছেই। ওদিকে ঘানার আবার রয়েছে কার্ড সমস্যা। তারা মিস করবে বোয়াটেং, আসমাওর মতো খেলোয়ারদের। তাই সব কিছু মিলিয়ে আমার মতে উরুগুয়েই এগিয়ে, তারাই ফেভারিট। তবে খেলা ট্রাইব্রেকারে গেলে যে কোন দিকেই যাওয়া সম্ভব।
ব্রাজিল – নেদারল্যান্ড
এই বিশ্বকাপে হট ফেভারিটদের মধ্যে ব্রাজিল অন্যতম। প্রথম দিকে তারা ততোটা ভালো না খেললেও শেষ ম্যাচে তারা দেখিয়েছে তারা ষষ্ঠ শিরোপা জয়ের পথেই আছে। কাকা, ফ্যাবিয়ানো, রবিনহো আস্তে আস্তে তারা নিজেদের মেলে ধরছে। আর তাদের ডিফেন্সতো দুঙ্গার অধীনে আরও শক্তিশালী হয়েছে। তারা কাউন্টার এটাকে ভালো। মাইকন, লুসিয়ো, জুয়ান তো দুর্দান্ত খেলছে। তাদের হারানো যে কোনো দলের জন্যই সত্যি কঠিন হবে। তবে অনেকের মতো আমিও ব্রাজিলের এই গোল বাঁচিয়ে আক্রমনে যাওয়া কৌশলে আমি ভীষন হতাশ। এতে আগের সেই সাম্বা সৌন্দর্য আর ভালো লাগে না।
অপরদিকে নেদারল্যান্ডের রয়েছে বেশ কিছু তারকা যেমন স্নাইডার, ভ্যান পার্সি, বোমেল। আর সদ্য ইনজুরি থেকে ফেরা রোবেনতো আছেই। তবু নেদারল্যান্ডের পক্ষে ব্রাজিলকে টপকানো খুব কঠিনই বটে। তবে এটাও সত্য যে ফাইনালের আগে ব্রাজিলকে শুধুমাত্র এই নেদারল্যান্ডের বিপক্ষেই যা একটু বাধার মুখে পড়তে হবে।
দেখা যাক শেষ পর্যন্ত কি হয়। আমাদের মনে রাখতে হবে এখানে ট্রাইবেকার নামক ভাগ্যপরীক্ষা বলে একটা জিনিস আছে, যেখানে সব কিছুই সম্ভব।
বাকি দু’টো কোয়ার্টার ফাইনাল নিয়ে দিচ্ছি পরের লেখায়। ততক্ষন উপভোগ করুন আপনার সময়।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


