একটা জিনিস লক্ষ্য করে দেখলাম মানুষের ভিতরে পরিবর্তনের ফলাফল মানুষকেও পরিবর্তন করে দেয়। আর এই পরিবর্তন হয় দুইভাবে।
১. উগ্রতা,খামখেয়ালিপনা, অহমিকাবোধ একেবারেই স্থিরতা, নম্রতা এবং কোমনীয়তায় রুপান্তর হয়ে যায়।
যেমন:- কেউ নন প্র্যাক্টিসিং থেকে যখন প্র্যাক্টিসিং হয়ে যায়। তার মত কোমল আর কেউ পৃথিবীতে হতে পারে না।
.
২. একটু মেলামেশা, হাসিমুখে কথা বলা, কেউ দেখা করতে আসলে অধিক ব্যাস্ততা সত্ত্বেও কপাল থেকে বিরক্তির ভাব মুছে ফেলা গুনগুলো আমিই আমিই ভাব করা, আত্ম-অহংকারে কাউকে পাত্তা না দেওয়া, সর্বাদা কপালে একটা বিরক্তির ভাব ফুটিয়ে তোলার মত নিকৃষ্ট অভ্যাসে পরিবর্তিত হয়ে যায়।
যেমন:- যখন কেউ পরীক্ষায় মোটামুটি মানের ফলাফল থেকে আকাশ ছোঁয়া ফলাফলে পৌঁছে যায় কিংবা কেউ দীর্ঘদিন বেকার থাকার পরে যখন নতুন একটা চাকরী পায়। তখন তার মত অহংকারী হয়তো দুনিয়াতে আর দ্বিতীয়টি থাকে না।
।
আমি খুব ভয় পাই দ্বিতীয় প্রজাতিকে। এরা তার আশেপাশের মানুষকে কতটা কষ্ট দিচ্ছে নিজেরাও বুঝতে পারে না।
তাইতো নবী (আঃ), রাসূল (সাঃ) এবং সাহাবার সর্বদা দুনিয়ার খ্যাতি বা কর্মফল নিয়ে উদাস থাকতেন। তাঁরা এই ভয় পেতেন যে, আমার এই দুনিয়াবি সম্পদ, খ্যাতি না জানি আমার ভিতর কখন আত্ম অহমিকার বীজ বুনে ফেলে। নিজেরদের সম্পদ সবসময় দান করার মাধ্যমে খরচ করতেন।
.
আমিও কিছুটা অহংকারী হয়ে যাওয়ার ভয়ে ভীত। তাই আমার ভবিষ্যত পরিকল্পনা নিয়ে আল্লাহর কাছে চাওয়া হল আল্লাহ যেন মাথা গোঁজার মত জাস্ট একটুকরো ছাদ দেন আর দুই বেলা যেন শুধু ডাল ভাতের ব্যবস্থা করে দেন। আর কিছুই আমার চাওয়া নেই। কারণ আমি আমার পরিবারকে অল্পতেই আলহামদুলিল্লাহ বলতে দেখে অভ্যস্ত।
আল্লাহ কবুল করুন সকল নেক আমল। এবং রক্ষা করুন অহংকার নামক সায়ানাইড বিষ থেকে যেটা অন্তরকে পঁচিয়ে শেষ করে দেয়।

সর্বশেষ এডিট : ১০ ই মার্চ, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১২

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



