
জাতির জনক বললেন, তোমরা আমাদেরকে দাবায়া রাখতে পারবা না। কথা সত্য! তারা আমাদেরকে দাবায়া রাখতে পারে নাই। তারপর তিনি যে জাতির জনক হলেন তিনি সে জাতিকে দাবায়া রাখতে পারেন নাই। এখন তাঁর কন্যা দাবায়া রাখার কাজ করছেন। তিনি কি দাবায়া রাখতে পারবেন? দেশের পিচ্চি পোলাপানও দেখি তাঁর বিরুদ্ধে কথা বলে!
ফখরুল কহিলো জাতির জনকের কন্যার পায়ের নীচে মাটি নাই। তবে তাঁর পায়ের নীচে আছে কি? আর্মি ও পুলিশ? ওগুলা যদি জনগণ সরায়া ফালায় তবে তাঁর পায়ের নীচে থাকবে কি? অকর্মা বিম্পি-জামায়াত এত্ত বড় কান্ড ঘটালো? দেশের জনগণ কি এসব বিশ্বাস করে?
জনগণ সরকারের প্রতিপক্ষ হয়ে গেলে আর্মি ও পুলিশ কতকাল সরকারের পক্ষে থাকবে? আমি সরকারের পক্ষে কোন হিসাব মিলাতে পারছি না। যত হিসাব করছি সব হিসাব সরকারের বিপক্ষে চলে যাচ্ছে। অতপর সরকারের পতন হলে জামাত বলবে সরকার বলেছে আমরা সরকারের পতন ঘটিয়েছি। প্রমাণ তাদেরকে নিষিদ্ধ করা বা নিষিদ্ধ করার কথা বলা। তারপর যে সরকার আসবে জামাত তাদের লাভের গুড়ে ভাগ বসালে অবাক হতে হবে কি? সব মিলে এসব কি হচ্ছে? চিন্তা করে দেখলাম চিন্তা করে কোন লাভ নাই। এক পক্ষের ভুলে অন্য পক্ষ লাভবান হয় এটাই নিয়ম। এদিকে সরকার রাজাকার খেতাবটাকে গৌরবের বানিয়ে দিলো। ভবিষ্যৎ প্রজন্ম জানবে যারা তাদের ভাইদেরকে হত্যা করেছে তাদের বিরুদ্ধে যারা আন্দোলন করেছে তারা হলো রাজাকার!
হত্যাকারী কারা জনগণ যখন জানে তখন এ দোষ কিভাবে অন্যকারো ঘাড়ে চাপানো যাবে? এটা তো শাক দিয়ে মাছ ঢাকার অপচেষ্টা মাত্র। উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে। গরু মেরে জুতা দান। ইত্যাদি আরো অনেক প্রবাদ এখন প্রাসঙ্গিক। আমি বুঝি না সমম্বয়ক আটকে কি সুবিধা পাওয়া যায়। সমম্বয়ক কি দল নেতা? এক সমম্বয়ক আটকালে হাজার সমম্বয়ক সমম্বয় করবে। এটাতো অতি সাধারণ হিসাব। মাথামোটা লোক ডিবি কর্তা হলে তা’ দিয়ে আসলে কাজের কাজ কিছুই হয় না।
দাবায়া রাখা যায় না, সমঝোতায় কাজ হয়। অথচ সমঝোতার পথ ছেড়ে লোকে দাবায়া রাখার পথেই হাঁটে। আর তাতেই ইতিহাসের পূনরাবৃত্তি ঘটে। লোকে ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহণ করে না। কেউ কেউ বলে এটা মরা মানুষের কাহিনী। অথচ মরা মানুষের কাহিনির মাঝে জীবিত লোকের জন্য অনেক শিক্ষা থাকে। মেঘে মেঘে অনেক বেলা হয়ে গেল। সমঝোতার পথটাও মনে হয় এখন বন্ধ হয়ে গেলো। এখন মনে হয় গণেশ উল্টে যাওয়ার অপেক্ষা। কখন কি ঘটে এটাই এখন দেখার বিষয়। প্রতিপক্ষে কম নির্যাতন করা ভালো। কারণ গণেশ উল্টে গেলে প্রতিপক্ষে করা নির্যাতন দ্বিগুণ হারে নিজের দিকে ফিরতে পারে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে জুলাই, ২০২৪ দুপুর ২:০৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



