somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আল্লাহর বিষয়টা আসলে কি?

৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দুপুর ১:০১
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :



আল্লাহর কথা বলেছেন হযরত মোহাম্মদ (সা.)। তাঁর কথা বিশ্বাস করে প্রায় দুইশত কোটি মানুষ। এর তিনগুন মানুষ তাঁর কথা অবিশ্বাস করে। আল্লাহর বিষয় হলো তিনি সবচেয়ে বড়। এটা যৌক্তিক। কারণ যা আছে এর মধ্যে বড়-ছোট আছে। এখন সবচেয়ে বড় আল্লাহ না হলে সবচেয়ে বড় কে? মোহাম্মদের (সা.) কথা যারা অস্বীকার করে তারা সেটা বলুক। সবচেয়ে বড় যে সব নাম বলা হবে তাদের সবার গুনাগুন এক হলে বুঝতে হবে এক জনই বিভিন্ন নামে বিদ্যমাণ। সব চেয়ে বড় হিসাবে যাদের নাম প্রস্তাব করা হবে তাদের গুনাগুনে ভিন্নতা থাকলে বুঝতে হবে যিনি সবচেয়ে বড় তাঁর গুন আসলে কোনগুলো হওয়া সঠিক? এ ক্ষেত্রে আমার হযরত মোহাম্মদের (সা.) কথা সঠিক হওয়ার ক্ষেত্রে সুদৃঢ় বিশ্বাস আছে।

হযরত মোহাম্মদের (সা.) কথা বিশ্বাস করে সে অনুযায়ী কাজ করলে পরকালের অনন্ত জীবনে জান্নাতে কোন কাজ করা ছাড়াই শান্তিতে জীবন যাপন করা যাবে। হযরত মোহাম্মদের (সা.) কথা অবিশ্বাস করলে পরকালের অনন্ত জীবনে আরাফে কাজ করে খেতে হবে- এটা আমাকে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে। এদেরকে অনন্তকাল আল্লাহর ইবাদত করতে হবে। এরা ইবাদত না করলে এরা জাহান্নামের কয়েদী হবে। জাহান্নামের কয়েদী ইবাদত স্বীকার করলেই আরাফে ইবাদত ও কাজের বিনিময়ে শান্তিতে জীবন যাপন করতে পারবে।

যারা মুসলিম তাদের প্রতি আমার কথা হলো আমার কথার স্বপক্ষে আমার নিকট যথাযথ কোরআনিক প্রমাণ আছে। যারা অমুসলিম তাদের প্রতি আমার কথা হলো মোহাম্মদের (সা.) কথা অবিশ্বাসের কারণে আপনাদের ক্ষতি হওয়ার বিষয়ে আমার সুদৃঢ় বিশ্বাস আছে। আমি আপনাদের উপকার করতে চাই বিধায় এ বিষয় আমি অবগত করছি। অবিশ্বাসীগণের কথায় লজিক থাকলে আমি সেসব শুনতে চাই। কারণ ভুলের কারণে আমি ক্ষতির মধ্যে পড়তে চাই না।

সোনা ভাই ও রানু লজিক ছাড়া অনেক কথা বলে। তাঁদেরকে বলতে চাই আপনাদের লজিক বিহীন কথা মানার ক্ষেত্রে আসলে কারো গরজ নাই। ইসলামে কোন ক্ষেত্রে লজিক হারায় না বলে আমি এর সাথে আছি। আমাকে এখান থেকে সরাতে হলে যথাযথ লজিক লাগবে।
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৫ দুপুর ২:৩০
২৬টি মন্তব্য ২৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বিশ্ব পাঠ

লিখেছেন আবু সিদ, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

I. পড়ার সাধারণ অর্থ
সাধারণভাবে, পড়া বা Reading হলো লিখিত বর্ণ বা চিহ্ন দেখে তার অর্থ উদ্ধার করার উপায়। পড়া কেবল শব্দ উচ্চারণ নয়, বরং লেখার বিষয়বস্তুর সাথে নিজের চিন্তার যোগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

এঁনারা কিসের আশায় দালালি করে যাচ্ছেন?

লিখেছেন বিচার মানি তালগাছ আমার, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:০৫



১. ১৫ আগস্ট টাইপ কিছু বা ৭ নভেম্বর টাইপ কিছু না ঘটলে আওয়ামী লীগ সহসা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না। জুলাই-এর মত কিছুও বার বার হয় না। তাই ধরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বমিনং করোনং ইচ্ছং

লিখেছেন সামছুল আলম কচি, ২৮ শে মার্চ, ২০২৬ দুপুর ১২:১১


গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান
ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী বিধানাবলী
১৫০।(১) এই সংবিধানের অন্য কোন বিধান সত্ত্বেও ১৯৭২ সালের ১৬ই ডিসেম্বর তারিখে এই সংবিধান প্রবর্তনকালে সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে বর্ণিত বিধানাবলী ক্রান্তিকালীন ও অস্থায়ী... ...বাকিটুকু পড়ুন

মতভেদ নিরসন ছাড়া মুসলিম আল্লাহর সাহায্য পাবে না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৩:০৩



সূরাঃ ৩ আলে-ইমরান, ১০৫ নং আয়াতের অনুবাদ-
১০৫। তোমরা তাদের মত হবে না যারা তাদের নিকট সুস্পষ্ট প্রমাণ আসার পর বিচ্ছিন্ন হয়েছে ও নিজেদের মাঝে মতভেদ সৃষ্টি করেছে।... ...বাকিটুকু পড়ুন

‘স্বপ্নের শঙ্খচিল’ কে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভকামনা….

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ২৯ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:৪৬



আজ সকালে ল্যাপটপ খুলেই উপরের চিত্রটা দেখলাম। দেখে মনটা প্রথমে একটু খারাপই হয়ে গেল! প্রায় একুশ বছর ধরে লক্ষাধিক ব্লগারের নানারকমের বৈচিত্রপূর্ণ লেখায় ও ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ায় সমৃদ্ধ আমাদের সবার... ...বাকিটুকু পড়ুন

×