মহানগরীর ট্রান্সপোর্ট মিডিয়াম ধারনা
১। প্রথমে মেট্রো রেল এবং আধুনিক মেট্রো কাম ট্রাম করে নগরীর সকল ব্যস্ত সড়কের ব্যস্ত কমিউটার রুটের ট্রাফিক ৫০% পর্জন্ত অফ্লোড করতে হবে।
২। তার পর বাস রেপিড ট্রান্সপোর্ট ডিজাইন এবং বাস্তবায়ন করতে হবে। এটা করতে গিয়ে যাথা সম্ভভ সিগন্যাল ফ্রি রোড এর খাতিরে অভার পাস, আন্ডার পাস, ফ্লাই ওভার ডিফাইন করতে হবে। স্টপেজ গ্যাপ বাড়াতে হবে সকল প্রকারের কমিউটার বাস, মেট্রো, ট্রাম এর। ফলে হাটার এবং সাইকিলিং পথ গুলো ভালো করতে হবে।
৩। তৃতীয় ধাপে সাইক্লিং লেইন করতে হবে, সাইকিলিং সিগ্ন্যাল কে মেইন ট্রাফিক সিগন্যাল এ ইন্টিগ্রেট করতে হবে। এটা নিরাপত্তার জন্য খুব দরকার। সাইক্লিং লেইন এর সিগ্ন্যাল প্র্যোরিটি প্রাইভেট কার এবং প্রাইভেট কমিউটার ভেহিক্যাল এর চেয়ে বেশি হবে, তবে ট্রাম বা ট্রাম কাম মেট্রো বা মেট্রো থেকে কম হবে।
৪। চতুর্থ ধাপে হাটার লেইন এর জন্য পর্জাপ্ত রাস্তা (ফুটপাথ) রিজার্ভ করতে হবে। আবশ্যিই এটা বর্তমানের মত মানহীন সংকীর্ন রাস্তার অংশ বিশেষ নয়!
৫। পঞ্চম ধাপে গিয়ে ঢাকার বাকি রাস্তা প্রাইভেট কারের জন্য বন্দবস্ত থাকবে। ১ থেকে ৪ নিং ধাপের ডিজাইন বা বাস্তবায়ন এর পর যদি দেখা যায় ৫ নং এ এসে প্রাইভেট কারের জন্য রাস্তা নেই তাহলে দুটো পথ-
ক। ১০০% ট্রাফিক মেট্রো বা বিআরটি তে নিতে হবে।
বড় লোকের জন্য মেট্রো এবং বি আর টিতে শোভন শ্রেণী প্রবর্তন।
খ। সম্ভব হলে রাস্তা সম্প্রসারণ কিংবা এলিভেটেড রোড। ২ তলা, ৩ তলা, ৪ তলা যা পারা যায়!
সময় নিয়ন্ত্রত্রিত যাত্রা ১-৪ নং গন পরিবহনে নিশ্চিত হবে, ৫ নং এ এসে বিলাস আসবে।
এই ফাঁকে সি এন জি দিয়ে প্রাইভেট কার চালানোকে টাটা বাই বাই বলে দিতে হবে, গ্যাস দিয়ে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে! কার এর রোড ট্যাক্স বহু গুন বাড়াতে হবে, কার্বন এমিশন ট্যাক্স বসবে। ডিজেল কারে অতিরিক্ত Co2 ট্যাক্স বসবে। বিলাসবহুল কারের মডেল আইডেন্টিফাইড হবে সেগুলোর ইনপোর্ট ট্যারিফ বাড়বে।
নগর ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থাপনা ধারনা
১। প্রতিটি বানিজ্যিক ভবনের পারকিং ক্যাপাসিটি তার এমপ্লয়ি কার সংখ্যার সাথে সামঞ্জস্য পুর্ন থাকতে হবে, নাইলে নিয়মিত মনিটরিং সাপেক্ষে ব্যাপক আর্থিক পেনাল্টির আওতায় আনতে হবে, পার্কিং ক্যাপাসিটি বিল্ড আপ এর টাইলাইন সেট করে দিতে হবে।
২। রাজধানীতে বহুতল পার্কিং কিংবা শুধু পার্কিং স্টেশনের জন্য ডিডেকেটেড বিল্ডিং বানাতে হবে।
৩। "নো পার্কিং এরিয়া, নো কার" নীতি বাস্তবায়ন করতে হবে, বাড়ীওয়ালার বা ভাড়াটিয়ার গাড়ি থাকলে বাধ্যতা মূলক ভাবে নীচ তলা ভেঙ্গে পার্কিং এরিয়া বানাতে হবে।
৪। অতিরিক্ত রাস্তায় বা অব্যস্ত রাস্তায় (যদি থাকে!) পার্কিং এরিয়া এবং পার্কিং টাইম নির্ধারিত করে ফিক এবং অফ পিক রেট করে পেইড পার্কিং ব্যবস্থা করতে হবে।
৫। সকল গাড়ির গ্যারেজ (পার্কিং নয়, গাড়ির হস্পিটাল ) ঢাকার শহর তলীতে ট্রান্সফার হবে, সিটি সেন্টারে গ্যারেজ থাকবে না।
৬। সকল গাড়ির শো রুম শহর তলীতে স্থানান্তর করতে হবে। সিটি সেন্টারে গাড়ির শো রুম থাকবে না।
৭। ঢাকার রাস্তায় প্রথম লেইন (ফুটপাথের পাশে) এ গাড়ি পার্কিং কে উচ্চ পেনাল্টির আওতায় এনে এই লেইন ট্রাফিক প্রবাহের উন্মুক্ত করতে হবে।
৮। ড্রেন পরিস্কার করে ঢাকার রাস্তায় প্রথম লেইন (ফুটপাথের পাশে) কে যান চলাচলের উপযোগী রাখতে হবে।
নগর ট্রান্সপোর্ট টেকনোলজি বেইজড হোক!
ট্রান্সপোর্ট ব্যবস্থাপনা সেন্সিবল হোক
কর্মঘন্টা জ্বালানী সাশ্রয় হোক,
নগর জীবন সস্ত্বিদায়ক হোক,
বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।
এই বিষয়ে পুর্বের লিখার লিংক-
http://www.somewhereinblog.net/blog/fateee/29972392
সর্বশেষ এডিট : ০৯ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৫ বিকাল ৩:৩৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


