somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এক নিরুদ্দেশ পথিক
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব,ইইই প্রকৌশলী। মতিঝিল আইডিয়াল, ঢাকা কলেজ, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।টেলিকমিউনিকেশন এক্সপার্ট। Sustainable development activist, writer of technology and infrastructural aspects of socio economy.

ক্যাচাল ক্যাচাল আর ক্যাচাল

২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৫৬
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ঘন্টা খানেক পরেই বিশ্বকাপের গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচ। বিশ্বের ভিন্ন ভিন্ন দেশ থেকে আসা দর্শকদের অনেকেই স্টেডিয়ামে চেকইন করে ফেলেছেন। অলস সময়ে গল্পরত এক জটলায় আমেরিকান, ব্রিটিশ, রাশান, ব্রাজিলিয়ান, আর্জেন্টাইন, জার্মান আর এক জাপানিজ সিটিজেন। পরিচিতি পর্ব, নিজ নিজ এক্সপার্টেইজ, ওয়ার্ক এন্ড লাইফ শেয়ারিং,ট্রাভেল, হবি ইত্যাদি নিয়ে দীর্ঘ আলাপ শেষ দিকে গড়িয়েছে!

এমেরিকান- সত্যি কথা বলতে কি! শুধু পায়ের ফুটবলে আমরা তেমন ভালো না, তবে আমাদের "এমেরিকান ফুটবল ইউনিক"। ইটস দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ, তাই এখানে আসা আরকি!

রাশান- সত্যি কথা বলতে কি! আমরাও মধ্যমানের। তবে আমাদের আয়োজনটা বেশ ভালো হয়েছে। তবে কথা কি জানো,একটা রিউমার কিন্তু আছে। রাশান উচ্চমান সফটওয়্যার ইন্টেলিজেন্স টিম ২০১৮ হোস্ট ভোটাভোটির সময়ে কিছুটা হ্যাকিং/সফটওয়্যার ইন্টারভিন করে করে রাশাকে আয়োজকই বানিয়ে ফেলেছে! এনি ওয়ে ইটস এ গ্রেট ক্যাপাবিলিটি অফ ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট উই শো"ড দ্য ওয়ার্ড অলরেডি!

ব্রিটিশ- ওয়েল, আমাদের দেশ হল ফুটবলের বাজার! ইংলিশ প্রিমিয়ার লীগ হল গ্রেটেস্ট লীগ। হ্যারি কেইন গ্রেটেস্ট প্লেয়ার অন আর্থ, ইউ নো!!!

(শালার চাপায় আর থাকা যাচ্ছে না, বাকিরা মনে মনে!)

জাপানী- হুম। তবে আমাদের দেশ হল সবচেয়ে ফেয়ার প্লে'র দেশ। আমরা সবসময় ফিফা ফেয়ার প্লে প্রাইজ উইন করি।

ব্রাজিলিয়ান-গাইজ! উই আর অন হেক্সা মিশন। উই হ্যাভ নেইমার, মার্সেলো,কুতিনহো,ফিরমিনো এন্ড সো অন। ইউ রিয়েলি ডিজার্ভ দ্য কাপ।

আর্জেন্টাইন- দেখ, আমাদেরও কিন্তু আছে মেসি, কাইন্ড অফ প্লেয়ার আউট অফ দ্য আর্থ। দ্য বেস্ট অফ দ্য প্লানেট।

জার্মান- লুক, এট দ্য এন্ড অফ দ্য ডে, উই আর দ্য চ্যাম্পিয়ন্স।

(পাশ থেকে তীব্র চিৎকার আর দু' দল বিশাল বিশাল পতাকা ওয়ালা সমর্থকের ঝগড়ায় সবাই খুব বিরক্ত, উচ্চস্বরের চেঁচামিচিতে আড্ডা চালানো যাচ্ছে না। এর মধ্যে জাপানী একটু ভীত হয়ে পড়েছে, এই দিকটায় থাকা নিরাপদ না। মনে হচ্ছে এখুনি তারা মারামারি শুরু করবে।)

জার্মান লোকটা বলে উঠলো, আরে এরা তো ব্রাজিল আর আর্জেন্টিনার লোক, এই দেখ তোমাদের দেশের পতাকা! ব্রাজিলিয়ান বলছে, তাই তো মনে হচ্ছে! এই কথা শুনে এমেরিকান লোকটা হাসছে। তুমি হাসছ কেন,রাশান জিজ্ঞেস করলো।

এমেরিকান- এরা হল বাঙালী।
আর্জেন্টাইন, এরা কোন দেশের?
এমেরিকান- বাংলাদেশ।
আর্জেন্টাইন, বাংলাদেশ কি?
রাশান- (তুই একটা আস্ত বলদ,মনে মনে বিরক্ত হয়ে), বাংলাদেশ একটা দেশের নাম।
ব্রাজিলিয়ান- উ! তাই নাকি! আমি তো জান্তাম ই না!

এমেরিকান- হাসতে হাসতে! আরে! এই হালারা নিজেরা ফুটবল খেলতে পারে না। বিশ্বকাপের সময়ে নিজেদের কাজ কাম ফালাইয়া পাগলের মত ব্রাজিল আর্জেন্টিনার খেলা দেখে, বড় বড় পতাকা টানায় আর এক দল অন্য দলরে খালি ট্রল করে, এমনকি আবাল""""র দল নিজেরা নিজেরা মারামারি খুনাখুনিও করে। বেশ কিছু লোক এভাবে মারাও পড়েছে।

(জার্মান চিন্তায় পড়ে গেছে! বলে কি! সে ভাবছে- ফাকিং এমেরিকান ইস গুড ফর স্ক্রুইং আপ থার্ড ওয়ার্ল্ড পিপল হোয়েনএভার ইস পসিবল! ইয়েট ইফ ট্রু, বাঙালীজ মাস্ট বি ভেরি আন প্রডাক্টিভ, হাউ স্যাড আ ওয়ে অফ ওয়েস্টিং রিসোর্স!!!)

জাপানী- শুধু তাই না! বিশ্বকাপ শেষ হলে বাকিরা যখন পরবর্তীতে আরো ভালো করার উপায় নিয়ে জোর দিবে তখন এই বোকার দল পরের চার বছর ব্রাজিল আর্জেন্টিনা নিয়েই ক্যাচাল করতে থাকবে!!!

রোলিং লাফ। লাফ আউট লাউড!

এরি মধ্যে খেলা শুরু, রেফ্রির বাঁশি!
ফ্রুউউউউ!
সর্বশেষ এডিট : ২৮ শে জুন, ২০১৮ রাত ২:৫৬
৪টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ সকাল ৮:৪৯

মাননীয় "যদি-কিন্তু" সাহেবের বিদায়ী ভাষণ
একটি কাল্পনিক রম্য রচনা

অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

একদিন সকালবেলা, চায়ের কাপে চুমুক দিতে দিতে জাতি খবরের কাগজ খুলে দেখল, দেশের সবচেয়ে বড় পদটির জন্য মনোনীত... ...বাকিটুকু পড়ুন

"ধর্ষক ও চরিত্রহীনদের বাঁচাতেই কি ওয়াজের মঞ্চ? সাধারণ মানুষকে আর কত অন্ধ বানিয়ে রাখবেন!"

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২


ধর্মের দোহাই দিয়ে ধর্ষক ও ব্যভিচারীদের পাপ ঢাকা এবং সাধারণ ধর্মপ্রাণ মানুষকে অন্ধ বানিয়ে রাখার এই ভণ্ডামি আর কতকাল সহ্য করবেন?
পবিত্র ইসলাম আর সাহাবিদের ত্যাগকে কতখানি নামালে এই ভণ্ড মোল্লা... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিঃশব্দ প্রহর

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:১৯



খাস খাতার পাতায় কলম চালাচ্ছিলেন ফরিদা বেগম (৪৫)। রাত তখন সাড়ে সাতটা। চশমাটা নাকের ডগায় নামিয়ে পাশে বসা ছোট ছেলে সিয়ামকে (৯) বললেন, "হাতের লেখা এত দ্রুত শেষ করলে হবে?... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশিরা কেন বিজেপির পতন চায়?

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


আজকাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঢুকলে মনে হয় ভারতের ভাগ্য নির্ধারণের গুরুদায়িত্ব বুঝি এদেশের মানুষের ওপর এসে পড়েছে। ভারতে কোথাও একটু আন্দোলন বা উত্তাপ ছড়ালেই এপারে যেন উৎসবের ধুম পড়ে যায়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রিয়েলিটি আপনারা মাইনে নেন

লিখেছেন ধূসর সন্ধ্যা, ২৫ শে জুলাই, ২০২৬ রাত ১০:৩০



নরেন্দ্র মোদীকে আপনি যতই অপছন্দ করেন না কেন, তার একটা একটা প্রশংসনীয় গুণ আছে। সে বিশেষজ্ঞদের উপদেশ নিতে এবং সেই অনুযায়ী নিজের অপছন্দের কাজটা করতেও পিছপা হয় না।
সে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×