somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

এক নিরুদ্দেশ পথিক
ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব,ইইই প্রকৌশলী। মতিঝিল আইডিয়াল, ঢাকা কলেজ, বুয়েট এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র।টেলিকমিউনিকেশন এক্সপার্ট। Sustainable development activist, writer of technology and infrastructural aspects of socio economy.

ড্যাপ নিজেই আমাদের উন্নয়ন দর্শনের গভীরতম ক্ষতের নিদর্শন!

২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশের উন্নয়নের মডেলে অর্থনীতি ও রাজনীতির সবকিছু ঢাকা কেন্দ্রিক। সব কিছুই ঢাকায় ঘটে, অন্যত্র শুধু সেসব ঘটনার খবর রটে মাত্র। এই কেন্দ্রীভূত মডেলে শিক্ষার জন্য ছাত্রকে, কর্মের জন্য বেকার ও শ্রমিককে, বাঁচার জন্য ভূমিহীনকে ঢাকায় আসতে হয়। শিক্ষার্থীকে ভর্তির জন্য মেসে, ভর্তি সফল ছাত্র ছাত্রীকে গণরুমে, শ্রমজীবীকে বস্তিতে, বেকারকে আত্মীয় বন্ধুর আশ্রয়ে, শিক্ষাহীন কর্মহীন আয়হীন নারী ও শিশুকে বাসার কাজের বুয়া হিসেবে আশ্রয় নিতে হয়। প্রাণের স্পন্দনে কেউ ধুলি আবর্জনা শব্দ দূষণ যানজটের নগরে আসেন না, আসেন ক্ষুধা, কষ্ট ও কর্মের তাড়নায়। প্রাণ ও প্রকৃতি অবান্ধব, এ এমন এক নগর যে পথচারীকেও অতটুকুন তৃষ্ণার জল দিয়ে আপ্যায়ন করে না। কাক কুকুর সহ নিন্ম বিত্তের জন্য এই শহর শুধু প্রাণে বাঁচার এক ঠিকানা শুধু!

কথা ছিল যমুনা সেতু দিয়ে উত্তরবঙ্গের পণ্য যাবে দেশের অন্যত্র, কিন্তু অসম উন্নয়নের মডেলে পড়ে সেতু পেরিয়ে কৃষি পণ্য কিছু আসে বটে, সাথে সাথে আসে শ্রমিক নিজেই। কারণ উত্তরের জেলা গুলোতে মাথাপিছু হারে বাজেট বরাদ্দ হয়নি স্বাধীনতার পরের ৫ টি দশকেও। বিগত এক যুগে মাদারীপুরের দারিদ্র্য ৩১,২% কমে গেলেও উত্তরের দশ জেলায় দারিদ্র্য বেড়েছে। নগরায়নকে টেনে হিচড়ে গ্রামে নেয়ার চেষ্টা হয়েছে তথাপি নগরের সেবাকে গ্রামে নিবার বোধ ও উদ্যোগ নেই। শিক্ষা, চাকুরি, ব্যবসা ও সুযোগের সব কিছুই নগরে! আরও স্পষ্ট করে বললে ঢাকায়, বড়জোর চট্রগ্রামে! পদ্মা সেতু উদ্ভোদনের পরে গরীবের ঢাকা আগমন আরো গতি পাবে। পণ্যের চেয়েও বেশি দ্রুত আসবে জীবন যুদ্ধে পরাজিত মানুষ। আর সবচেয়ে বড় যে কাজটা হবে, তা হচ্ছে ঢাকার জঞ্জালকে টেনে মাওয়া পর্যন্ত বিস্তৃত করা। এটাই তো উন্নয়ন দর্শন, ৫০ বছরের!

সর্বশেষ খানা জরিপে দেখা যায়, কুড়িগ্রাম জেলার প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৭১ জনই গরিব। ৬৪% দারিদ্র্য নিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে দিনাজপুরের। বিবিএস তথ্য পর্যালোনায় দেখা যায়, রংপুর বিভাগের দারিদ্র্যের হার এখন ঢাকা ও সিলেট বিভাগের চেয়ে তিন গুণ বেশি। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, দারিদ্র্য বেশি এবং বাড়ছে ১০টি জেলা হচ্ছে কুড়িগ্রাম, দিনাজপুর, গাইবান্ধা ও লালমনিরহাট, রংপুর, বান্দরবান, খাগড়াছড়ি, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ ও মাগুরা। অন্যদিকে ২০১০ থেকে ২০১৬র মধ্যে মাত্র ৬ বছরে নারায়ণগঞ্জের দারিদ্র্য ২৬,১ থেকে মাত্র ২,৬ শতাংশে নেমেছে। এই সময়ে মুন্সিগঞ্জের দারিদ্র্য কমেছে ২৫,৬% এবং মাদারীপুরের কমেছে সর্বোচ্চ ৩১,২%। অর্থাৎ কর্মসংস্থান, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি সহ সকল সেবার অবকাঠামো সব দারিদ্র্য পরিমাপের ভিতিত্তে সুষম কিংবা যৌক্তিক বাজেটীয় বরাদ্দ এখনও বাংলাদেশের উন্নয়ন দর্শনে স্থান পায়নি। প্রকৃতপক্ষে আঞ্চলিক দারিদ্র্য বিষয়টি শুধু বৈষম্যের প্রশ্ন নয়, এর আড়ালে রয়েছে ব্যক্তিতান্ত্রিক নেতৃত্ব, স্বজনপ্রীতি, পক্ষপাত ও দুর্নীতিগ্রস্ত মানসিকতা যা সুশাসনের অনুপস্থিতি। অর্থাৎ বাংলাদেশের উন্নয়ন দর্শন নিজেই অস্বচ্ছ, বিভ্রান্তিকর এবং গন্তব্যহীন।

ফলে উন্নয়ন মডেলে ব্যক্তির নিজ জন্মস্থানে বেড়ে উঠা, শিক্ষা নেয়া, কর্ম করার, শ্রম বিনিয়োগ করার, উৎপাদন করার, সেবা পাবার ও বিনোদন করার সুযোগ তৈরি হয়নি। তাঁকে ঢাকা যেতে হয় সব কিছুর জন্য। অন্যদিকে পার্শ্ববর্তী জেলা থেকে দ্রুতগ্রামী ট্রেন, মেট্রো কিংবা গণ পরিবহণে চড়ে ‘কর্মের রাজধানী ঢাকা’য় গিয়ে দিন শেষে নিজ নিজ আবাসস্থলে ফিরে আসার উপযোগী পরবহণ, সড়ক ও রেল নেটওয়ার্ক তৈরি এখনও উন্নয়ন দর্শনে স্থান পায়নি। বরং ড্যাপ নামক বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার নামে ঢাকার জঞ্জালকে কিভাবে ঢাকার আশেপাশে ছড়িয়ে দেয়া যায় সেই চেষ্টাই উন্নয়ন দর্ষণকে আচ্ছন্ন করে রেখেছে।

ঢাকার বস্তিতে মানবের মিছিল কোন বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয় বরং আমাদের হীনমান্য উন্নয়ন দর্শনের অনিবার্য করুণ পরিণতি।
ড্যাপ নিজেই আমাদের উন্নয়ন দর্শনের গভীরতম ক্ষতের নিদর্শন! সংকীর্ণ রাস্তা গুলোকে প্রশস্ত করার দীর্ঘমেয়াদী উদ্যোগ না নিয়ে, জঞ্জাল বাড়িয়ে কেবল মানহীন ফ্লাইওভার আর ব্যয়বহুল এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের মধ্যে উন্নয়নকে সীমাবদ্ধ রাখা হয়েছে আমাদের রাজনৈতিক অর্থনীতির স্বার্থের যায়াগা গুলোকে সুরক্ষা দিতে। নতুন ড্যাপ যেন রাজনৈতিক অর্থনীতির এই হীন দর্শনকে প্রতিষ্ঠা করতেই রচনা করা হয়েছে। আগামীর অবকাঠামো, আগামীর নগর পরিকল্পনার দিকে তাকিয়ে আমরা তাই ভয় পেয়ে পাই!

২০২০ সালে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা ২০১৬-৩৫ এর খসড়া প্রস্তাবনা প্রদান করা হয়েছে। এই খসড়ায় ওয়ার্ড ভিত্তিক স্কুল, হাসপাতাল ও ড্রেনেজ পয়েন্ট, ট্র্যাফিক পয়েন্ট ভিত্তিক বহুতলের কথা থাকলেও রাজধানীর অপরিকল্পিত ও অবৈধ ভবনের ব্যাপারে ছাড়া দেয়া আছে। নিজস্ব পার্কিং না করার ব্যাপারে ধনবানকে উৎসাহ দেয়া আছে। মোট ভূমির মাত্র ৫% রাস্তা যে নগরে, সেখানে রাস্তা প্রশস্তকরনের ব্যাপারে উদাসীনতা দেখিয়ে বস্তবতা মেনে নিবার কথা আছে। যেমনটা বলা হয়েছে অর্থের বিনিময়ে অবৈধ ভবন বৈধ করে নিতে। আবাসিক, বাণিজ্যিক ও শিল্পের মিশ্র মডেলের নগরয়ানের গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, যা অপরিকল্পিত ভাবে এমনিতেই গড়ে উঠেছে, তার জন্য ড্যাপের দরকার কি!

কিছু প্রভাবশালী লোক নিজেদের বাণিজ্যিক, ব্যবসায়িক ও ভূমি কেন্দ্রিক স্বার্থের জন্য যখন তখন আবাসিক এলাকা ও রাস্তাকে কমার্শিয়াল বানিয়ে ফেলতে পারেন কলমের খোঁচায়, কৃষি ভুমি ও জলাশয়কে প্রকৃতিগত ভাবে পরিবর্তন করে ফেলতে পারেন নিমিষেই, যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় নদী অববাহিকাকে স্বীকৃতি দেয়া না, সেখানে আপনি শুধু আবাসিক এলাকার জন্য অঞ্চল পরিকল্পনা করে নিজের ব্যক্তিগত স্বার্থ্য ছাড়া আর কি অর্জন করবেন? রাস্তাহীন খালের পাড়ে মালিক বাড়ি তোলার পর যে, রাস্তার অধিকার চেয়ে খাল ভরে না, সেটা পরিকল্পনাবিদ হিসেবে আপনার জানা আছে কি? কোথায় আমাদের আদালত নির্দেশিত মৌজা মাফিক জলাভূমি রক্ষার তাগাদা, কোথায় ঢাকার খাল উদ্ধারের কথা? কোথায় প্রকৃতি সংরক্ষের স্থান শনাক্তকরণ? এসব যদি নাই লাগে, তাইলে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার দরকার কি? কিছু ফরাসি ও মার্কিন জিআইএস ইমেইজ দিয়ে রিপোর্ট বানালেই কি সেটা পরিকল্পনা হয়ে যায়! এই তীর্থের কাকের মত, প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণের চাওয়া আমাদের নাগরিকদের, তাকে পাশ কাটিয়ে যা করা হচ্ছে, যত বিশদই হোক কিংবা খোদ বাংলা ভাষাতেই লেখা হোক, তাকে কিভাবে পরিকল্পনা বলি!

দেশের অন্যতম উল্লেখযোগ্য ইমারত নির্মাণ আইন ২০০৮ কে অবজ্ঞা করে তৈরি গোঁজামিলে ভরা এই ‘দেখতে শুনতে ভালো’ তথাকথিত মহাপরিকল্পনার ব্যাপারে উদ্বেগ জানিয়েছেন, পরিবেশকর্মী, স্থপতি ও নগর পরিকল্পনা বিদগণ। উল্লেখ্য যে, ১৯৯৫-২০১৫’র ২০ ব্যাপী যে বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা করা হয়ে তা গেজেট আকারে পাশ হয় ২০১০ সালের দিকে। এমন হীনমান্য সংস্কৃতির পুনরাবৃত্তি করে আবারো মাত্র ২০ বছরের পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে যার ৫ বছর ইতিমধ্যেই অতিবাহিত হয়ে গেছে। অর্থাৎ আগামী ২৫, ৫০, ৭৫ ও ১০০ বছর পরে রাজধানী ও তার আশেপাশের জেলা গুলোর আবাসন, শিল্প, পরিবহণ, বাণিজ্য, বিনোদনা, বনায়ন ও জলাশয়ের মডেল কি কি স্তরে উন্নীত করা হবে তার পর্যায়ক্রমিক ভাবনার বদলে ৫, ১০ বা ১৫ বছরের দিকেই আমাদের হীনমান্য গন্তব্য।

তদুপুরি ঢাকার জনঘনত্ব কেন বাড়ছে, কেন ঢাকার পার্শ্ববর্তি ও অন্য বিভাগের মানুষ উপার্জন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের মত মৌলিক অধিকারের জন্য নিজ জেলায় অবস্থান করতে পারছেন না, তার উত্তর খোঁজা হচ্ছে না। জনসংখ্যা বিস্ফোরণ রোধের পদক্ষেপে কেন ভাটা দেয়া হল নব্বই দশকের পরে, এই জিজ্ঞাসা কারোরই নাই।বরং জনসংখ্যা কমিয়ে দেখানোর যে হীনমান্যতা, পরিসংখ্যান ব্যুরোর মিথ্যা ভরা ডেটায় ছাত্র শিক্ষক বুদ্ধিজীবী প্রশাসনের সবাই তৃপ্ত। যে গ্রাম ও শহরে আমরা বসবাস করি, যে রাস্তায় আমরা পথ চলি, যেখানে আমারা বাজার করি, তাতে জনঘনত্ব বৃদ্ধির প্রভাব দৈনন্দিন জীবনের প্রতিটি পদক্ষেপে হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছি। অথচ বাংলাদেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ কার্যক্রম শুধু নাগরিক সচেতনতার বিষয় হয়ে গেছে, রাষ্ট্রের যেন এখানে আর কোন ভূমিকা রাখার নেই। পুরো বাংলাদেশের জন্য বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনার চিন্তা এখনও সরকারের আসেনি। ভূমির সর্বোচ্চ সদ্ব্যব্যবহার, কৃষি ভূমি জলাশয় বন ও পরিবেশ রক্ষা, আবাসন, কর্ম, শিল্প, বাণিজ্য, গণ পরিবহণ, সড়ক ও রেল নেটোয়ার্ক, শিক্ষা ও চিকিৎসা ইত্যাদির আলোকে বিস্তারিত অঞ্চল ও নগর পরিকল্পনার বোধ আমাদের সরকারের আসেনি। এমনটা চলতে থাকলে ঢাকা সবসময়ই পৃথিবীর বাসযোগ্য নগরের সর্বনিকৃষ্টতম কিংবা শেষ তিনটিতেই পাকাপোক্ত স্থান করে নিবে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে নভেম্বর, ২০২০ দুপুর ২:৩৬
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ব্লগার হিসাবে মানুষের প্রতি আপনার কর্তব্য কী?

লিখেছেন রাজীব নুর, ১৮ ই আগস্ট, ২০২২ দুপুর ১:৪৩



একজন ব্লগার একজন সাধারন মানুষের চেয়ে আলাদা।
একজন সাধারন মানুষ কাজ করে। সংসার নিয়ে ব্যস্ত থাকে। সে শুধু তার কাজ এবং সংসার নিয়েই ভাবে। দেশ বা সমাজ নিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমার বড় কন্যা (ছবি ব্লগ) - ০৫

লিখেছেন মরুভূমির জলদস্যু, ১৮ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:২৩


ছবি তোলার স্থান : সোনাকান্দা দূর্গ, বন্দর, নারায়ণগঞ্জ, বাংলাদেশ।
ছবি তোলার তারিখ : ২৪/১২/২০১৭ ইং

আমার বড় কন্যা সাইয়ারা নাজিবা সোহেন বেশশান্ত আর লক্ষী মেয়ে ছিলো ছোট বেলায়, এখনো আছে। দেখতে দেখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ভূতের রানীর জন্মদিনে !!

লিখেছেন নূর মোহাম্মদ নূরু, ১৮ ই আগস্ট, ২০২২ বিকাল ৫:৫০


ভূতের রানীর জন্ম দিনে !!
(মজা দেই, মজা লই)
নূর মোহাম্মদ নূরু

উৎসর্গঃ ভূতের রানীসহ সকল ভূতদেরকে!

ভূতের রানীর জন্ম দিনে ব্যপক আয়োজন,
পঁচা মাছের কোপ্তা কাবাব মরা মুরগীর রান।
নাতীন জামাই... ...বাকিটুকু পড়ুন

''আফগানিস্তানে তালেবান" - শাসনের এক বছর । তালেবান শাসনের এক বছরে কি পেল আফগানিস্তান এবং কোথায় ও কেমন আছে এখন !!! ( তালেবানদের কাবুল দখল পরবর্তী ফলোআপ পোস্ট - ৯ )।

লিখেছেন মোহামমদ কামরুজজামান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২২ সন্ধ্যা ৬:২৫


ছবি - আল জাজিরা

আফগানিস্তান থেকে আমেরিকা এবং পশ্চিমা বিশ্বের অবমাননাকর পশ্চাদপসরণ এবং কাবুল থেকে বিশৃঙ্খল প্রস্থান করার পর তালেবানরা আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে ২০২১ সালের ১৫... ...বাকিটুকু পড়ুন

গায়ে হলুদ নামক অপ্রয়োজনীয় অনুষ্ঠানের কোন দরকার আছে কি?

লিখেছেন মোহাম্মদ গোফরান, ১৮ ই আগস্ট, ২০২২ রাত ৮:২৪


একটি গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানে লিনা।

চাটগাঁতে অধিকাংশ বৃহস্পতিবার যন্ত্রনাদায়ক হয়ে ওঠে গায়ে হলুদের জন্য। বিয়েটা সহজ ভাবে হয়ত নেয়া যায় কিন্তু গায়ে হলুদ রিসেপশান বা ওয়ালিমা খুবই অপ্রয়োজনীয় মনে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×