somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

আধিভৌতিক পূর্ণিমা

২৬ শে জুলাই, ২০১২ রাত ৮:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বছর ১০ আগের কথা । আমি তখন নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম । গ্রামে তখন বিদ্যুৎ সুবিধা ছিল না । বিকালে গ্রামের বাজারে গেলাম সময় কাটানোর জন্য । বাজার নানা বাড়ি থেকে প্রায় মাইল ২ দূরে হবে। কখন সন্ধ্যা হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না । আস্তে আস্তে অন্ধকার বাড়তে লাগলো রাত বাড়ার কারনে । বাড়ি ফেরার কথা মনে হতেই বুজলাম টর্চ লাইট আনতে ভুলে গিয়েছি । নানা বাড়ি যাওয়ার রাস্তা পুরোটারি ঘন অন্ধকার প্রচুর গাছ রাস্তার দুপাশে এবং বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকার কারনে । ওই সময় আকাশে তাকিয়ে দেখলাম ভরা পূর্ণিমা তাই সিদ্ধান্ত নিলাম একা টর্চ লাইট ছাড়াই বাড়িতে ফেরার । কিছু দূর যাওয়ার পর একটা অদ্ভু্ত জিনিস দেখে অবাক হলাম কারন রাস্তায় তখন আমি ছাড়া অন্য কেউ ছিলনা এবং রাস্তা ছিল একদম নিরব । কিছুক্ষন ওইটা দেখা যাচ্ছে আবার একটু পরে আর দেখা যাচ্ছে না । প্রথমে মনে হল মানুষ কিন্তু একটু পরে বুঝলাম মানুষ হলে তো হাঁটার শব্দ হত কিন্তু কোন শব্দ হচ্ছে না । আমি ওই দিন কাল শার্ট , কাল প্যান্ট, কাল ক্যাপ এবং কাল জুতো পরেছিলাম । প্রথমে কিছুটা ঘাবড়ে গেলাম । এর পর সিদ্ধান্ত নিলাম আমার সামনের ওটা কি আমাকে দেখতেই হবে আমি জোরে হাঁটা শুরু করলাম । কিন্তু আমি যতই সামনে যাই ওইটা তত দূরে সরে যায় । একটু দেখতে পাই আবার একটু পরে নাই । এভাবে একপর্যায়ে আমি ওইটাকে ধরার জন্য হাটার গতি আরও বাড়িয়ে দিলাম কিন্তু নাগাল পেলাম না । একসময় দেখলাম নানাবাড়ির খুব কাছে চলে এসেছি তাই জোরে দৌড় দিলাম দেখার জন্য ব্যাপারটা কি । যেই আমি তার সামনে গেলাম জোরে একটা চিৎকার শুনলাম । আসলে অই লোকটাও বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল সে আমাকে দেখে ভয় পেয়ে জোরে হাঁটছিল যেহেতু তার পায়ে জুতো ছিল না তাই কোন শব্দ হচ্ছিল না । যখন গাছের মধ্য দিয়ে পূর্ণিমার আলো আসছিল তখন তাকে দেখতে পেয়েছি আবার অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছিল । আমার উচ্চতা বেশী এবং কালো পোশাকের কারনে লোকটা বিভ্রান্ত হয়ে ভয় পেয়ে জোরে হাঁটছিল । শেষপর্যন্ত যখন আমি তার সামনে চলে আসলাম সে ভয়-এ চিৎকার দিয়েছিল । আর আমি তাকে দেখে
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

হায়রে জীবন!

লিখেছেন জুল ভার্ন, ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ৮:৫৬

হায়রে জীবন!

যারা বছরের পর বছর রাষ্ট্রক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে মানুষ গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, পরিবার ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রকে ভয় ও আতঙ্কের কারখানায় পরিণত করেছে- তাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন আজ “ভিআইপি আসামি”।
কারাগারেও... ...বাকিটুকু পড়ুন

যা মা তুই অসীমে... পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিস

লিখেছেন সৈয়দ মশিউর রহমান, ২৪ শে মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৯


ইয়াসমিন থেকে রামিশা এরপর কে? আমরা কবে মানুষ হবো? ওরা ধর্ষণকারী, আর আমরা দর্শনকারী! ...বাকিটুকু পড়ুন

রসময় গালগল্প

লিখেছেন রাজীব নুর, ২৪ শে মে, ২০২৬ দুপুর ১২:৫৮



প্রতিদিন ভাবি তুমি এলে বেশ জমিয়ে করবো-
রসকষহীন কাঠখোট্টা গল্প!
আমার সঞ্চয়ে নেই কোনো রসময় গালগল্প-
যা থেকে পেতে পারো যৎকিঞ্চিত উষ্ণতা।

আমি ঠিক নিশ্চিত নই আদৌ তুমি আসো কিনা!... ...বাকিটুকু পড়ুন

ঈদযাত্রায় সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন

লিখেছেন শাওন আহমাদ, ২৪ শে মে, ২০২৬ বিকাল ৩:২১



ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সারা বছরের কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে শেকড়ের টানে নীড়ে ফেরার চিরন্তন আকুলতা। প্রিয় মুখগুলোকে বুকে জড়িয়ে অপার্থিব শান্তি অনুভব করা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রতি বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন

মেঝ দা

লিখেছেন শেরজা তপন, ২৪ শে মে, ২০২৬ রাত ৮:৩৩

লেখালেখি ভীষন বিরক্তিকর লাগে এখন। গাইতে গাইতে গায়েনের মত আমি লিখতে লিখতে লেখক হয়েছি। লেখালেখি নি কোন আশাবাদ বা প্যাশন আমার কস্মিনকালে ছিল না- এটা আমার নেহায়েত শখের বিষয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

×