বছর ১০ আগের কথা । আমি তখন নানা বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলাম । গ্রামে তখন বিদ্যুৎ সুবিধা ছিল না । বিকালে গ্রামের বাজারে গেলাম সময় কাটানোর জন্য । বাজার নানা বাড়ি থেকে প্রায় মাইল ২ দূরে হবে। কখন সন্ধ্যা হয়ে গেল বুঝতেই পারলাম না । আস্তে আস্তে অন্ধকার বাড়তে লাগলো রাত বাড়ার কারনে । বাড়ি ফেরার কথা মনে হতেই বুজলাম টর্চ লাইট আনতে ভুলে গিয়েছি । নানা বাড়ি যাওয়ার রাস্তা পুরোটারি ঘন অন্ধকার প্রচুর গাছ রাস্তার দুপাশে এবং বিদ্যুৎ সুবিধা না থাকার কারনে । ওই সময় আকাশে তাকিয়ে দেখলাম ভরা পূর্ণিমা তাই সিদ্ধান্ত নিলাম একা টর্চ লাইট ছাড়াই বাড়িতে ফেরার । কিছু দূর যাওয়ার পর একটা অদ্ভু্ত জিনিস দেখে অবাক হলাম কারন রাস্তায় তখন আমি ছাড়া অন্য কেউ ছিলনা এবং রাস্তা ছিল একদম নিরব । কিছুক্ষন ওইটা দেখা যাচ্ছে আবার একটু পরে আর দেখা যাচ্ছে না । প্রথমে মনে হল মানুষ কিন্তু একটু পরে বুঝলাম মানুষ হলে তো হাঁটার শব্দ হত কিন্তু কোন শব্দ হচ্ছে না । আমি ওই দিন কাল শার্ট , কাল প্যান্ট, কাল ক্যাপ এবং কাল জুতো পরেছিলাম । প্রথমে কিছুটা ঘাবড়ে গেলাম । এর পর সিদ্ধান্ত নিলাম আমার সামনের ওটা কি আমাকে দেখতেই হবে আমি জোরে হাঁটা শুরু করলাম । কিন্তু আমি যতই সামনে যাই ওইটা তত দূরে সরে যায় । একটু দেখতে পাই আবার একটু পরে নাই । এভাবে একপর্যায়ে আমি ওইটাকে ধরার জন্য হাটার গতি আরও বাড়িয়ে দিলাম কিন্তু নাগাল পেলাম না । একসময় দেখলাম নানাবাড়ির খুব কাছে চলে এসেছি তাই জোরে দৌড় দিলাম দেখার জন্য ব্যাপারটা কি । যেই আমি তার সামনে গেলাম জোরে একটা চিৎকার শুনলাম । আসলে অই লোকটাও বাজার থেকে বাড়ি ফিরছিল সে আমাকে দেখে ভয় পেয়ে জোরে হাঁটছিল যেহেতু তার পায়ে জুতো ছিল না তাই কোন শব্দ হচ্ছিল না । যখন গাছের মধ্য দিয়ে পূর্ণিমার আলো আসছিল তখন তাকে দেখতে পেয়েছি আবার অন্ধকারে অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছিল । আমার উচ্চতা বেশী এবং কালো পোশাকের কারনে লোকটা বিভ্রান্ত হয়ে ভয় পেয়ে জোরে হাঁটছিল । শেষপর্যন্ত যখন আমি তার সামনে চলে আসলাম সে ভয়-এ চিৎকার দিয়েছিল । আর আমি তাকে দেখে
আলোচিত ব্লগ
হায়রে জীবন!
হায়রে জীবন!
যারা বছরের পর বছর রাষ্ট্রক্ষমতার ছত্রছায়ায় থেকে মানুষ গুম করেছে, নির্যাতন করেছে, পরিবার ধ্বংস করেছে, রাষ্ট্রকে ভয় ও আতঙ্কের কারখানায় পরিণত করেছে- তাদের মধ্যে হাতেগোনা কয়েকজন আজ “ভিআইপি আসামি”।
কারাগারেও... ...বাকিটুকু পড়ুন
যা মা তুই অসীমে... পারলে আমাকে ক্ষমা করে দিস

ইয়াসমিন থেকে রামিশা এরপর কে? আমরা কবে মানুষ হবো? ওরা ধর্ষণকারী, আর আমরা দর্শনকারী! ...বাকিটুকু পড়ুন
রসময় গালগল্প

প্রতিদিন ভাবি তুমি এলে বেশ জমিয়ে করবো-
রসকষহীন কাঠখোট্টা গল্প!
আমার সঞ্চয়ে নেই কোনো রসময় গালগল্প-
যা থেকে পেতে পারো যৎকিঞ্চিত উষ্ণতা।
আমি ঠিক নিশ্চিত নই আদৌ তুমি আসো কিনা!... ...বাকিটুকু পড়ুন
ঈদযাত্রায় সচেতন হোন, নিরাপদ থাকুন

ঈদ মানে আনন্দ, ঈদ মানে সারা বছরের কর্মব্যস্ততা পেছনে ফেলে শেকড়ের টানে নীড়ে ফেরার চিরন্তন আকুলতা। প্রিয় মুখগুলোকে বুকে জড়িয়ে অপার্থিব শান্তি অনুভব করা। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, প্রতি বছর... ...বাকিটুকু পড়ুন
মেঝ দা


অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।