somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমান মাযার ও কবর পূজা এবং মুর্তিপূজার ‎সাদৃশ্যতাঃ ভন্ড মাযারপন্থীদের মুখোশ উন্মোচন

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১৪ সকাল ১১:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বর্তমান মাযার ও কবর পূজা এবং মুর্তিপূজার ‎সাদৃশ্যতাঃ ভন্ড মাযারপন্থীদের মুখোশ উন্মোচন

শিরকের ইতিহাস

হযরত নূহ আ: এর সময় প্লাবণে সকল কাফের মৃত্যু বরণ করার পর সবাই ছিল মুসলমান। ‎তারপর এই মুসলমানদের মাঝে কিভাবে শিরক ঢুকল? এ ব্যাপারে হযরত শাহ ওয়ালী উল্লাহ ‎মুহাদ্দেসে দেহলবী রহ: তার সুবিখ্যাত তাফসীরের মূলনীতির গ্রন্থ “আল ফাউজুল কাবীর” ও ‎তাফসীরের বিভিন্ন গ্রন্থ থেকে মুসলমানদের মাঝে শিরক প্রবিষ্ট হবার যে বর্ণনা পাওয়া যায় তা ‎নিম্নরূপ-‎

নুহ আ: এর মৃত্যুর পর তার তিন ছেলের বংশধর সবাই সঠিক পথে ছিল। কিন্তু তাদের মৃত্যুর ‎পর দ্বীনের প্রতি মানুষের আগ্রহ কমতে থাকে। ধীরে ধীরে এমন এক প্রজন্ম আসল যারা শুধু ‎এতটুকু জানে যে তারা মুসলমান। আর তাদের পূর্বসুরী ছিলেন অনেক ভাল ও বুযুর্গ। কিন্তু ‎পূর্বসূরী বুযুর্গদের কোন গুণ তাদের মাঝে ছিলনা।
সে সময় শয়তান মানুষের সুরতে এসে মানুষকে ধোঁকা দিত। একদিন শয়তান মানুষের সুরতে ‎বিশাল জুব্বা আর পাগড়ী মাথায় দিয়ে ঐ লোকদের কাছে এসে বলে-ওহে নুহ আঃ এর ‎বংশধরেরা! তোমরা কি জান? তোমাদের পূর্বসুরীদের মাঝে অনেক বুযুর্গ আর আল্লাহভীরু ‎লোক ছিলেন? ‎
তখন লোকেরা বলল-হ্যাঁ জানি। ‎
‎-তাহলে তোমাদের এই গর্ব করার মত বুযুর্গানে দ্বীনকে তোমরা ভুলে গেলে কেন?‎
‎-আপনি দেখা যায় খুব কামেল মানুষ, আপনি একটু বলে দিবেন কি আমরা আমাদের পূর্বসূরী ‎বুযুর্গদের কিভাবে স্মরণ করতে পারি?‎
‎-বলছি শোন! তোমরা তোমাদের পূর্বসূরী বুযুর্গদের ছবি বানাও। তারপর ওগুলিকে তোমাদের ‎উপসনালয়ে আর বসবাসের গৃহে রাখ। এতে তোমাদের উপসনালয় যেমন পবিত্র থাকবে, ‎তেমনি তোমাদের গৃহও থাকবে বরকতপূর্ণ।
শয়তানের এই কুপরামর্শে সাধারণ মুসলমানরা তাদের পরিত্যক্ত প্রায় উপসনালয়ে পূর্বসূরীদের ‎ছবি আঁকলো, নিজেদের গৃহেও ছবি এঁকে প্রতিদিন তাদের দেখে দেখে নিজেদের আমলী জযবা ‎উদ্দীপ্ত করত। অনেকে কাঁদতো তাদের কথা মনে করে। কিন্তু সেজদা বা কুর্ণিশ কেউ ‎করতোনা। কিন্তু পরের প্রজন্ম এসে শুরু করে দিল কুর্ণিশ। পরের প্রজন্ম সেজদা। এরপর আবার ‎শয়তান এসে তাদের পরামর্শ দিল , তোমরা শুধু ছবিকে সম্মান করছ কেন? তোমাদের পূর্বসূরী ‎বুযুর্গদের মুর্তি বানিয়ে নাও মাটি দিয়ে। ব্যস কেল্লা ফতে! মুসলমানদের মাঝে পরিপূর্ণভাবে ‎ঢুকে গেল মুর্তিপূজা।

এই হল মুসলমানদের মাঝে ঢুকে পরা মুর্তিপূজার সংক্ষিপ্ত ইতিহাস।

এই ইতিহাস থেকে একথা স্পষ্টই বুঝা গেল যে, ব্যক্তি পূজা থেকেই মুর্তিপূজার আবির্ভাব। ‎ব্যক্তি বুযুর্গদের ভালবাসতে ভালবাসতে ভক্তির আতিশয্যে মুর্তি বানালো, মাথা নোয়াতে যখন ‎শুরু করে দিল তখন তা হয়ে গেছে শিরক আর পূজা।

বর্তমান মূর্তিপূজকরা প্রধানত মূর্তিপূজায় ৪টি কাজ করে থাকে ‎

‎ ১. বছরে দু’বার বড় আকারের অনুষ্ঠান করে মূর্তিকে কেন্দ্র করে, (ক) কালিপূজা (খ) দূর্গা ‎পূজা। (ছোট আকারের পূজা আরো অনেক হয়।)‎
২. মূর্তির সামনে প্রদিপ জ্বালায়।
৩. মূর্তির নামে মান্নত করে ও কুরবানী করে।
৪. মূর্তির সামনে মাথা নত করে ও সেজদা করে।

কবর বা মাযার পূজারীরা যা করে কবরকে কেন্দ্র করে

১. বছরে দু’বার ওরস ও ফাতেহা মাহফিল নামে অনুষ্ঠান করে পীর বা বুযুর্গদের কবরকে কেন্দ্র ‎করে।
২. কবরের সামনে মোমবাতি প্রজ্জ্বলিত করে নিয়মিত।
৩. কবরে শায়িত বুযুর্গের নামে মান্নত ও কুরবানী করে।
৪. কবরকে সামনে নিয়ে দুআ করে, ক্ষেত্র বিশেষে মাথানত ও সেজদাও করে।

বিজ্ঞ পাঠকের কাছে আমার জিজ্ঞাসা-মূর্তিপূজকদের মূর্তিপূজায় যে কর্মাদী করে আর আমাদের ‎দেশের ভন্ড মাজারও কবরপূজারীরা যা করে এর মাঝে কি কোন পার্থক্য আছে?‎

এবার আসুন দেখি কবর পূজারীদেরর কর্মকান্ড কুরআন ও হাদিসের মানদন্ডে

১. স্বীয় কবরকে কেন্দ্র করে অনুষ্ঠান করাকে নিষিদ্ধ করে আল্লাহর নবী ইরশাদ করেন-‎
عن أبى هريرة قال قال رسول الله -صلى الله عليه وسلم- « لا تجعلوا بيوتكم قبورا ولا تجعلوا قبرى عيدا وصلوا على فإن ‏صلاتكم تبلغنى حيث كنتم (سنن ابى داود-كتاب المناسك، باب زيارة القبور، رقم الحديث-2044)‏‎ ‎
‎“তোমরা স্বীয় ঘরকে কবর বানিয়োনা। (অর্থাৎ কবরের ন্যায় ইবাদত-নামায, তেলাওয়াত ও যিকির ‎ইত্যাদি বিহীন করনা।) এবং আমার কবরে উৎসব করোনা।(অর্থাৎ বার্ষিক, মাসিক বা সাপ্তাহিক কোন ‎আসরের আয়োজন করনা। তবে হ্যাঁ আমার উপর দুরূদ পাঠ কর। নিশ্চয় তোমরা যেখানেই থাক না কেন ‎তোমাদের দুরূদ আমার নিকট পৌঁছে থাকে।(আল্লাহ তায়ালার ফেরেশতারা পৌঁছিয়ে দেন।)” (সুনানে ‎আবু দাউদ: হাদিস নং-২০৪৪/৪০)‎
এখানে লক্ষণীয় বিষয় হচ্ছে- রাসূলে সাঃ নিজ রওযা মুবারকে উৎসব (উরস) পালন করতে বারণ ‎করেছেন। তাহলে অন্য কে আর এমন আছে যার কবরে তা বৈধ হবে?‎
হাদিসের বিখ্যাত ব্যাখ্যাকার আল্লামা মুনাভী রহঃ এই হাদিসের ব্যাক্ষা করতে গিয়ে বলেন-‎
قال المناوي ويؤخذ منه أن اجتماع العامة في بعض أضرحة الأولياء في يوم أو شهر مخصوص من السنة ويقولون هذا يوم مولد ‏الشيخ ويأكلون ويشربون وربما يرقصون فيه منهي عنه شرعا وعلى ولي الشرع ردعهم على ذلك وإنكاره عليهم وإبطاله ‏‏(عون المعبود-كتاب المناسك باب زيارة القبور-6/23)‏
‎“এ হাদিস থেকে বুঝা যায় যে, সাধারণ মানুষ যারা বছরের কোন নির্দিষ্ট মাসে বা দিনে (উরসের নামে) ‎ওলীদের মাযারে একত্রিত হয় এবং বলে-আজ পীর সাহেবের জন্ম বার্ষিকী (মৃত্যু বার্ষিকী), সেখানে তারা ‎পানাহারেরও আয়োজন করে, আবার নাচ গানেরও ব্যবস্থা করে থাকে, এ সবগুলিই শরীয়ত পরিপন্থী ও ‎গর্হিত কাজ। এ সব কাজ প্রশাসনের প্রতিরোধ করা জরুরী। (আউনুল মা’বুদ-৬/২৩)‎

২. কবরের সামনে বাতি প্রজ্জ্বলন করাকে হারাম সাব্যস্ত করে রাসূলে কারীম সাঃ ইরশাদ করেন-‎
عن ابن عباس قال : لعن رسول الله صلى الله عليه و سلم زائرات القبور والمتخذين عليها ‏المساجد والسرج (سنن الترمذى- أبواب الصلاة عن رسول الله صلى الله عليه و سلم ، ‏باب ما جاء في كراهية أن يتخذ على القبر مسجدا-2/136)‏
‎“হযরত ইবনে আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত যে, আল্লাহর নবী সাঃ অভিশম্পাত করেছেন (বেপর্দা) কবর ‎যিয়ারতকারীনী মহিলাদের উপর, এবং সেসব লোকদের উপর যারা কবরকে মসজিদ বানায় (কবরকে ‎সেজদা করে) এবং সেখানে বাতি প্রজ্জ্বলিত করে। (জামি তিরমীযী-২/১৩৬)‎
উক্ত হাদিসে সুষ্পষ্ট কবরে বাতি প্রজ্জ্বলনকারীর উপর আল্লাহ তায়ালার অভিশম্পাত করেছেন আল্লাহর নবী ‎সাঃ।

৩. আল্লাহ ছাড়া কারো নামে মান্নত বা কুরবানী করা যায়না। কারণ মান্নত ও কুরবানী হচ্ছে ইবাদত। আর ‎ইবাদত আল্লাহ ছাড়া কারা জন্য করা জায়েজ নয়। মহান রাব্বুল আলামীন পবিত্র কুরআনে ইরশাদ ‎করেন-‎
قُلْ إِنَّ صَلاَتِي وَنُسُكِي وَمَحْيَايَ وَمَمَاتِي لِلّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ (162) لاَ شَرِيكَ لَهُ وَبِذَلِكَ أُمِرْتُ وَأَنَاْ أَوَّلُ الْمُسْلِمِينَ (163) ‏‏(سورة الأنعام-162-163)‏
‎“আপনি বলুনঃ আমার নামায, আমার কুরবানী এবং আমার জীবন ও আমার মরণ বিশ্ব প্রতিপালক ‎আল্লাহর জন্যই। তাঁর কোন অংশিদার নেই। আমি তা-ই করতে আদিষ্ট হয়েছি এবং আমিই প্রথম ‎আনুগত্যশীল। (সূরা আনআম-১৬২-১৬৩)‎
সূরা কাউসারে মহান রাব্বুর আলামীন বলেন-‎‏ فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ (2)‏‎( অতএব আপনার পালনকর্তার ‎উদ্দেশ্যে নামায পড়ুন এবং কুরবানী করুন। (সূরা কাউসার-২)‎
সুতরাং পীরের নামে ও মাযারের নামে মান্নত করা কি শিরকী কর্ম নয়?‎

৪. আল্লাহ ছাড়া কাউকে সেজদা করা সুষ্পষ্ট হারাম। কুরআনের অসংখ্য আয়াত ও হাদিসে ‎নববী দ্বারা যা দিবালোকের ন্যয় পরিস্কার। একথা মনে হয় অন্ধ পীর ও মাজারপূজারী ছাড়া ‎সকল মুসলমানরাই জানে।

উল্লেখিত কুরআন ও হাদিসের বিবরণ মোতাবিক কবর ও মূর্তিপূজার সাযুজ্যতার মাধ্যমে ‎আমরা সহজেই অনুমান করে নিতে পারি আমাদের দেশের ভন্ড মাযারপূজারী ও ‎কবরপূজারীরা কি পরিমাণ শিরকী কর্মকান্ডে লিপ্ত।

আরবের মুশরিকদের শিরক কি ছিল?‎

মহান রাব্বুর আলামীন বলেন-‎‏ قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ السَّمَاء وَالأَرْضِ أَمَّن يَمْلِكُ السَّمْعَ والأَبْصَارَ وَمَن يُخْرِجُ الْحَيَّ ‏مِنَ ‏
الْمَيِّتِ وَيُخْرِجُ الْمَيَّتَ مِنَ الْحَيِّ وَمَن يُدَبِّرُ الأَمْرَ فَسَيَقُولُونَ اللَّهُ فَقُلْ أَفَلاَ تَتَّقُونَ (سورة يونس-31)‏
‎“হে পয়গম্বর! আপনি মুশকদেরকে জিজ্ঞেস করুন যে, বল তো কে তোমাদেরকে আসমান জমিন থেকে ‎রুযী দেন? এবং কে তোমাদের কান ও চোখের মালিক? তাছাড়া কে জীবিতকে মৃতের ভেতর থেকে বের ‎করেন এবং কে মৃতকে জীবিতের মধ্য থেকে বের করেন? কে করেন কর্মসম্পাদনের ব্যবস্থাপনা? তারা ‎পরিস্কার বলবে যে, মহান আল্লাহ।(সূরা ইউনুস-৩১)‎

আল্লাহ তায়ালাই মূল ক্ষমতার অধিকারী একথা আরবের মুশরিকরাও বিশ্বাস করতো, তারপরও তারা ‎কাফের কেন?‎

এই সূরার প্রথমাংশে মহান রাব্বুল আলামীন এ প্রশ্নের জবাব দিয়ে দিয়েছেন। ইরশাদ হচ্ছে-‎
وَيَعْبُدُونَ مِن دُونِ اللَّهِ مَا لاَ يَضُرُّهُمْ وَلاَ يَنفَعُهُمْ وَيَقُولُونَ هَؤُلاء شُفَعَاؤُنَا عِندَ اللَّهِ قُلْ أَتُنَبِّئُونَ اللَّهَ بِمَا لاَ يَعْلَمُ فِي السَّمَاوَاتِ ‏وَلاَ فِي الأَرْضِ سُبْحَانَهُ وَتَعَالَى عَمَّا يُشْرِكُونَ (18)‏
আর তার (মুশরেকরা) আল্লাহ ভিন্ন এমন কতিপয়ের ইবাদত করে, যারা তাদের কোন অপকারও করতে ‎পারেনা এবং তাদের কোন উপকারও করতে পারেনা, ও তারা বলে-এরা হল আল্লাহ তায়ালার কাছে ‎আমাদের সুপারিশকারী। (হে রাসূল!) আপনি বলে দিন, তোমরা কি আল্লাহ তায়ালাকে এমন বিষয়ের ‎সংবাদ দিচ্ছ যা আছে বলে তিনি (নিজেও) জানেন না, না আসমানে না জমিনে! তিনি তাদের শিরকী ‎কার্যকলাপ হতে পবিত্র ও অনেক ঊর্দ্ধে। (সূরা ইউনুস-১৮)‎

বিজ্ঞ পাঠক পাঠিকার কাছে আমার আবেদন-আপনারা শান্ত মস্তিস্কে একটু ভেবে দেখুন, আমাদের দেশে ‎মাজার পূজা আর কবর পূজার নামে মুসলমানদের কিভাবে মুশরিক বানানো হচ্ছে সুপরিকল্পিতভাবে।
একবার যদি মন থেকে কেউ ঈমান আনে, আর সারা জীবন নাফরমানীও করে তবুও তার নাফরমানীর ‎শাস্তি পেয়ে জান্নাতি হবার সুযোগ আছে। কিন্তু কেউ যদি শিরক করে মুশরিক হয় তাহলে তাকে আল্লাহ ‎তায়ালা কখনো মাফ করবেন না। তার জন্য রয়েছে চিরস্থায়ী জাহান্নাম। ‎
আল্লাহ তায়ালা আমাদের কবর পূজা ও মাযার পূজা এবং পীর পূজা করে মুশরিক হওয়া থেকে হিফাযত ‎করুন।

ভন্ড পীরদের কারণে সঠিক ও হকপন্থী পীর মাশায়েখগণকেও খারাপ বলা মোটেও উচিত নয়। অচিরেই ‎কুরআন ও হাদিসের দৃষ্টিতে সহিহ পীর মুরিদীর উপর একটি সমৃদ্ধ পোষ্ট দিব ইনশাআল্লাহ।

সংকলক
লুৎফুর রহমান ফরায়েজী
ইমেইল[email protected]
৩টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

পাপ বাপকেও ছাড়ে না!!! পার্ট -২

লিখেছেন ঘূণে পোকা, ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ দুপুর ২:০৫



সাবেক স্বরাষ্ট্র-প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর...একটা সময় প্রচুর ক্ষমতার মালিক ছিলেন!
এতো বেশি আতিশয্য যে এক শার্ট ২য় বার পড়তেন না,
ওয়ারড্রপে ২০০০ শার্ট রিজার্ভ ছিল!
আজ তার ১ শার্টে মাস পার হয়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

রাস্তায় পাওয়া ডায়েরী থেকে-১০৬

লিখেছেন রাজীব নুর, ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৩:২১



১। বই পড়াটা আপনার উন্নতির জন্য সবচেয়ে শর্টকাট রাস্তা।
একটা টাই, একটা স্যুট, একটা ব্র্যান্ডেড শার্টের চেয়ে একটা ভাল বই আপনাকে বেশি স্মার্ট করবে। বইপড়া স্বাভাবিকভাবেই মানুষকে স্মার্ট... ...বাকিটুকু পড়ুন

এক বাস্তব কুসংস্কারের গল্প।

লিখেছেন জাদিদ, ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ বিকাল ৪:০০

কুসংস্কার নিয়ে গত কিছুদিন ধরে একটু পড়াশোনা করার চেষ্টা করেছি। কুসংস্কার কি শুধুই অযৌক্তিক যেকোনো বিশ্বাস বা অভ্যাস নাকি কাকতালীয় কিছু ঘটনার প্রেক্ষিতে কোন ঘটনা যা এক সময় সমাজে স্বীকৃত... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০ জন ডাক্তার, ২০০ জন স্বাস্থ্যকর্মী ডেংগুতে আক্রান্ত

লিখেছেন চাঁদগাজী, ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১৮



Hospitals are not mosquito free!

ডেংগুর শুরুতেই ঢাকা মেডিক্যাল, পিজি ও অন্যান্য সরকারী হাসপাতালগুলোর উচিত ছিলো, বংগবন্ধু মিলনাতন, ও এই ধরণের সব বড় বড় মিলনায়তন, ও কম্যুনিটিটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

সমন্বিতা (পর্ব-২)

লিখেছেন পদাতিক চৌধুরি, ২২ শে আগস্ট, ২০১৯ রাত ১১:৫৬



ডাক্তারবাবুর ঘোষণার পরে আর দেরি না করে বাড়ির লোকের সঙ্গে যোগাযোগের উদ্দেশ্যে কাকাবাবুর ব্যাগের ভেতরে ছোট্ট একটি ডাইরি থেকে পাওয়া সপ্তর্ষি দার ফোন নম্বরে কল লাগালাম। প্রথম কলেই লাইন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×