somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

নিজের জš§দিনের তারিখ নিয়ে দ্বন্দ্বে মনমোহন

২৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০১১ সকাল ৮:১৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

৭৯ বছর পূর্ণ করে ৮০-তে পা দিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিং। এবার জš§দিনটা আকাশেই কাটিয়ে দিলেন তিনি। নিউ ইয়র্ক থেকে ফ্রাঙ্কফুর্ট আসার পথে বিমানে কাটা হল কেক। সাংবাদিকদের সঙ্গে বেশ জমিয়ে আড্ডাও দিলেন মনমোহন। এ সময় তিনি বলেন, জš§দিনটা ২৬-শেই কিনা, তা নিয়ে নাকি দ্বন্দ্বে আছেন তিনি। আনন্দবাজার
সাধারণত খুব কম কথা বলতে পছন্দ করেন মনমোহন। আবেগের বহির্প্রকাশ খুব একটা দেখা যায় না তার মধ্যে। কিন্তু এ দিন একাšে- কথা বলার সময় বেরিয়ে এলেন এক অন্য মনমোহন। স্মৃতিমেদুর, একটু যেন উদাসও! যিনি বলেনÑ ‘আমার জš§দিন আমি কখনওই পালন করিনি। আসলে আমার জš§দিনটা যে কবে সেটা নিয়েই আমি দ্বন্দ্বে ছিলাম।’ বিমানে কেক কাটছেন মনমোহন। দ্বন্দ্ব কেন? একাš- আলাপচারিতায় মনমোহন বলে চলেনÑ ‘আমার জš§ানোর ঠিক পরপরই আমার মায়ের মৃত্যু হয়। আমি ঠাকুমার কাছে মানুষ হই। পরে বাবা আর আত্মীয়স্বজনরা অনেক হিসেব-নিকেশ করে বলেছিলেন, ২৬-এ নাকি আমার জš§দিন। তার পর থেকে সেভাবেই কাগজে-কলমে আমার জš§দিনটা ২৬ তারিখই হয়ে রয়েছে। কিন্তু সেটা ঠিক কিনা, আমি নিজেও জানি না।’
এ সময় টু-জি মামলা, অর্থনীতির হালহকিকত, বৈদেশিক সম্পর্কের ভারি ভারি কথা নয়। ছোটবেলার গল্প বলছিলেন মনমোহন। দরিদ্র শিখ পরিবারের সš-ান। অবিভক্ত পাঞ্জাবে জš§ তার। সে অঞ্চলটি পরে পাকি¯-ানের অš-র্ভুক্ত হয়। দেশভাগের পর বাবা এ পাড়ে চলে আসেন। রা¯-ায় রা¯-ায় ফল বিক্রি করতেন তিনি। অনেক কষ্ট করে ছেলেকে পড়াশোনা করিয়েছিলেন। ‘ছেলে’ অবশ্য কোনও দিন পরীক্ষায় প্রথম ছাড়া দ্বিতীয় হননি। বাড়িটিতে আলো ছিল না বলে দীর্ঘদিন রা¯-ার আলোয় লেখাপড়া করেছেন। অল্প আলোয় পড়তে পড়তে ছোট থেকেই দৃষ্টিশক্তি কমে গিয়েছিল। একটা চোখে এখন তো দেখতেই পান না।
বিমানেই জš§দিন। কেক খাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী। পরবর্তী জীবনে কেমব্রিজ ও অক্সফোর্ডের কৃতী ছাত্র। নামী অধ্যাপক, রিজার্ভ ব্যাংকের গভর্নর, যোজনা কমিশনের ডেপুটি চেয়ারপার্সন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী এবং জওহরলাল নেহরুর পর প্রথম প্রধানমন্ত্রী যিনি পরপর দুবার ক্ষমতায় এসেছেন। সেই মনমোহন সিংহকে জš§দিনে হইচই করে পার্টি করতে কেউই দেখেনি কখনও। এমনকী বাড়িটিতে যখন থাকতেন তখনও নয়। আকাশের মাঝে আশিতে পা দিয়ে বললেন, ‘আকাশপথে এর আগেও জš§দিন কেটেছে আমার।’ কিন্তু এত নস্টালজিক মনমোহনকে এর আগে আকাশপথে দেখা গেছে কি?
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

লিখেছেন নাহল তরকারি, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:২৮

আপনার ATM কার্ড কি সত্যিই নিরাপদ?

ধরুন, মাসুদ একদিন বাজার করতে বের হয়েছেন। তার মানিব্যাগে একটি Contactless Visa Card ছিল। বাজারের ভিড়ের মধ্যে একজন চোর একটি বিশেষ স্ক্যানিং ডিভাইস নিয়ে ঘুরছিল।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ফিরে যাওয়া বলে কিছু নেই

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ৮:৫৫

আমি যে নদীর কথা ভাবি,
সে নদী জল নয় সময় বয়ে নিয়ে চলে।
এক পাড়ে মানুষের কোলাহল,
হাটের গুঞ্জন, ভাতের গন্ধ, সন্ধ্যার আহবান,
অন্য পাড়ে কেবল শূন্যতা,
যেন কেউ কোনোদিন সেখানে ছিলইনা।

তবু দু পাড়ই... ...বাকিটুকু পড়ুন

১০০০-তম পোস্টঃ কন্যা আপন সাজন সাজে রে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১০ ই জুন, ২০২৬ সকাল ১০:২৪

আমাকে ও রাহমিনকে এনিমেট করলে কেমন দেখাবে? এই আইডিয়া থেকেই গানটা রিমিক্স করে এনিমেটেড ভিডিও সং বানিয়ে ইউটিউবে ছেড়েছি। ছোটবেলায় মেঝ খালার বিয়েতে এই গানটা শুনেছিলাম। সবাইকে গানটি দেখা ও... ...বাকিটুকু পড়ুন

নাজিয়া সামান্তা, হিজাব এবং আমাদের সমাজের প্রাতিষ্ঠানিক ভণ্ডামি।

লিখেছেন মহিউদ্দিন হায়দার, ১০ ই জুন, ২০২৬ দুপুর ১২:৫১



​একজন তরুণী প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে ড্রাম বাজিয়ে দর্শক মাতাল। নেটিজেনরা বাহবা দিল। কিন্তু সমস্যাটা অন্য জায়গায়—মেয়েটি বোরকা-হিজাব পরা, সে ২০২৫ সালে হজ করেছে, পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে এবং নিজের... ...বাকিটুকু পড়ুন

শৃঙ্খল মুক্তি আমার

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ১০ ই জুন, ২০২৬ বিকাল ৪:৪৫

শৃঙ্খল মুক্তি আমার



ভেঙেছি সমাজের যত চেনা দায়,
চিন্তার প্রাচীর আজও ধুলোয় মেশায়।
ঈমানের নোঙর ছিঁড়েছি হেলায়,
ডুবেছি একাকী ; এক অচিন ভেলায়।
ভালোবাসা, মানবিকতার যত শত মায়াজাল,
ছিঁড়ে ফেলেছি আমি সব কটা পাল।
সহমর্মিতার পথ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×