“আগুন,গুলি,ফাঁসি”
সুচি তোমার বুছিতে কেউ
জোরসে মারে কোপ
বলো তোমার এই আঘতে
লাগবে না’ক দুঃখ?
তোমার পাচায় বরুয়া বাঁশ
কেউ যদি দেয় ঠেলে
বলো তোমার পাচার ছাল
যাবে না’ক ছিড়ে ?
(বেদনারই নীল কষ্টে
ধরবে না’ক ঘিরে!)
আগুন মাঝে তোমায় ফেলে
কেউ করে হই চই
জলসে যেতে তোমার কেমন
লাগবে বলো সই?
এখন বলো রেহিঙ্গাদের
করছো তুমি এমন
শুয়োরেরও অধম হয়ে
করছো তাদেরন দমন।
রেহিংঙ্গাদের মেয়ে শিশুর
লজ্জা স্থানে বসে
লেলিয়া দেয়া কুকুররা তোর
উঠছে ভীষণ হেসে।
আগুন,গুলি,ফাঁসি তাদের
ভাগ্যে কেন লিখা
বসত ভিটায় জলছে কেন
তোর আগুনের শিখা ?
এই সবুজের জমি কেন
তাদের দোজখ হলো
শান্তিকামি নোবেল সূচি
বলো বলো বলো............??
ঃলেখকের কফিয়তঃঃ ছড়াটিতে বাংলা ভাষার কিছু ফালতু শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে এবং তা ইচ্ছে করেই। আর ছড়াটির প্রাসিঙ্গতার জন্যই তা করা হয়েছে।তাই বেহুদা কেউ নাক,কান,ভুরু চুলকাবেন না।মিয়ানমারে যা হচ্ছে কিছু কিছু ক্ষেত্রে তা কুকুরের পক্ষেও করা সম্ভব নয়।তাই লিখতেই হল। আর এই সময় সন্নিক্ষনে একজন লেখকের পক্ষে ” শ্যাম রাখি না কুল রাখি ”এ দো’টানায় থাকা সম্ভব নয়।তাই লেখকের দায়িত্ব ও বিবেকের তাড়নাই লিখেছি।লেখকের সহজ লিখন কোন কালেই সহজ ছিলনা।এখনো তা নয়।এদেশে তো কিছু বাড়তি সমস্যাও আছে,তা রাজাকারবাদ,জঙ্গিবাদ।জঙ্গিবাদ,সমাজ,রাষ্ট্র সব কিছুর রক্ত চক্ষু উপেক্ষা করে একজন লেখককে লিখতে হয়।পৃথিবীর যেখানেই যে জাতি বা ধর্মের লোকেই অত্যাচারিত হবে লেখকের কলম সে মজলুমের পক্ষেই গর্জে উঠবে।So লিখলাম,বাকী নিয়তির হাতে।
রচনাকালঃআজিমপুর, ঢাকা।
৩০।০১১।২০১৬ ইং
সর্বশেষ এডিট : ৩০ শে নভেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:৪৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।




