somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বর্তমানে রাজনীতি অবস্থা বালিশ খেলার মত হয়ে গেছে।

১২ ই জুলাই, ২০১৬ রাত ২:০৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বাংলাদেশ রক্ত ঝরা৭১ এ স্বাধীনতা অর্জন করেছে ঠিকই সাথে করে বলদ প্রজাতির নাগরিক পেয়েছে বটে। কেউ এক পক্ষকে গালি দিচ্ছে আবার কেউবা বক্তিতা শুনে হাত তালি দিচ্ছে।
আমার প্রশ্ন কয়জন বুঝে কাজ গুল করছে?

স্বাধীন দেশের নগরিক হিসাবে , আমাদের স্বাধীন ভাবে রাজনিতিক দলকে সমর্থনকরার কথা ছিল। কিন্তু কয় জন তাঁর ইচ্ছা মত সমর্থন করছে?

সমর্থনক পুরো প্রক্রিয়া একটা সিস্টেম এর মধ্যে দিয়া আসে। যেমন আমার বাবা মা আওয়ামীলীগ সমর্থন করে , তাই আমিও আওয়ামীলীগ। আমার বাবা বি এন পি করে , তাই আমিও বি এন পি সমর্থন করব। পাড়ার বড় ভাই আওয়ামীলীগের নেতা সে আমাকে মারামারিতে সাপোর্ট করে তাই আমি আওয়ামীলীগ। বি এন পি সরকার ক্ষমতায় ,বি এন পি এর ভাইরা মারামারিতে সাপোর্ট করে তাই আমি বি এন পি ।

আমাদের ছোট থেকে বড় হওয়া কার না কার বদনাম শুনে , তাই আমরাও কার না কার বদনাম করি।

একবারের জন্য চিন্তা করি না, যে বাবা মারাও ভুল জানতে পারে। এইভাবে আমরাও নতুন প্রজন্ম ভুল শিক্ষা দিব। আসলে আমরা আমাদের স্বাধীন ভাবি কিন্তু আমরা স্বাধীন না । আমরা আমাদের বিবেক কে সমালোচনার বেড়াজালে আটকে ফেলেছি। আমারা চাইলেই নিজের মত করে চিন্তা করতে পারি না।

আমারা সবাই বালিশ খেলা সম্পর্কে জানি যেখানে , কয়েকজন মানুষ গোল হয়ে বসে থাকবে। একদিক দিয়া সুর বাজবে কিছু খনের জন্য । তাদেরকে একটা বালিশ দাওয়া হবে সেটা একজন আরেকজনের কাছে দিবে । সুর বন্ধ হওার সময় যার হাতে বালিশ থাকবে , সে খেলা থেকে আউট।

আমাদের নেতারা খেলতে বসেছে, এর বালিশ এর স্থানে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি দোরে খেলা শুরু হয়। কন কিছু ঘটলে , সরকারি দল সেকেন্ড এর মধ্যে বিরোধী দলের হাতে দিয়ে দেয়। আবার সেকেন্ডে বিরোধী দল সরকারি দলের হাতে দিয়ে দেয় ।
সরকারি দল বলে "এইসব বিরোধী দলের কাজ , এর দায়ভার আপনাদেরই নিতে হবে"
আর বিরোধী দল বলে "সরকার পরিকল্পিত ভাবে কাজটি করেছে, এর দায়ভার আপনাদেরই নিতে হবে
কিন্তু, দুঃখের বিষয় এই খেলায় কোন নেতা / নেত্রী আউট হয় না । কারণ সুর তো বন্ধ হয় না একটার পর একটা লেগেই থাকে ।

আমারা যারা বংশীয় ভাবে যার যার সমর্থনে , হাত তালি দি বা গালি দি এর থেকে বেশী কিছু না।

সর্বশেষ এডিট : ১২ ই জুলাই, ২০১৬ সকাল ১১:৪৪
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

বেঁচে থাকাই পরম বিস্ময়

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:২৩


পথেঘাটে ঘুরিফিরি, যেকোনো সময়
পটল তুলতে পারি গাড়ির ধাক্কায়।
মাঝেমধ্যে থাকি এমনও আশঙ্কায়,
নির্মাণাধীন ভবন থেকে ইট পড়ে
মাথা ফেটে রক্তক্ষরণে প্রাণটা যায়!
এমন পরিণতিতে লোকে দুঃখ করে।
গাড়ি, ট্রেন, প্লেন, হয়তোবা ইস্টিমার
দুর্ঘটনায় প্রাণটা চলে... ...বাকিটুকু পড়ুন

কবিতাঃ মা'কে লেখা প্রীতিলতার শেষ চিঠি

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৬ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:০৯




আমায় তুমি পিছু ডেকো না'গো মা
আমার ফেরা সম্ভব  না।
দেশ মাতৃকায় উৎসর্গিতা আমি
আমি তো সেই ক্ষণজন্মা! 

আমায় তুমি আশীর্বাদ করো মা,
মোছো তোমার চোখের জল।
নিপীড়িতদের আর্তনাদ শুনছো... ...বাকিটুকু পড়ুন

আল কোরআনের ১১৪ সূরায় হানাফী মাযহাবের সঠিকতার অকাট্য প্রমাণ (পর্ব-২)

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ২:০৮



সূরাঃ ২ বাকারা, ২১ নং আয়াতের অনুবাদ-
২১। হে মানব সম্প্রদায়! তোমরা তোমোদের সেই রবের ইবাদত কর যিনি তোমাদেরকে ও তোমাদের পূর্ববর্তীদেরকে সৃষ্টি করেছেন, যেন তোমরা মোত্তাকী হও।

সূরাঃ ২... ...বাকিটুকু পড়ুন

নিনাশ গ্রহাণুপুঞ্জের অধিবাসী - সাইন্স ফিকশন

লিখেছেন আরাফাত৫২৯, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:১০




১/
বিজ্ঞান একাডেমির প্রধাণ মহামতি গ্রাহাম উনার অফিসের বিশাল জানালা দিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে ছিলেন। সময়টা প্রায় শেষ বিকেল। সন্ধ্যার রক্তিম আভা দূর আকাশে দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে পুরো আকাশটাতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

লিখেছেন নতুন নকিব, ২৭ শে মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:১৪

ইমাম, মুয়াজ্জিন, কুরআনের শিক্ষক ও দ্বীন প্রচারকদের বেতন বা সম্মানী গ্রহণের শরয়ী হুকুম

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

মসজিদে ইমামতি করা, আযান দেয়া, কুরআন শিক্ষাদান করা কিংবা সাধারণভাবে দ্বীন প্রচারের কাজে বিনিময়,... ...বাকিটুকু পড়ুন

×