somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

ুক্ষুদ্র ঋণে টেকসই উন্নয়ন হচ্ছে না গ্রহীতাদের

০৭ ই মার্চ, ২০০৭ রাত ২:৪৫
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ুক্ষুদ্র ঋণ নারীর অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য কাজ করলেও যৌতুকের চাহিদা তৈরি করে বলে এক গবেষণায় দেখা গেছে। গবেষণায় আরো দেখা গেছে, ঋণগ্রহীতাদের সামান্য উন্নতি হলেও ক্ষুদ্র ঋণ প্রক্রিয়ায় তাদের টেকসই উন্নয়ন বা তাৎপর্যপূর্ণ কোনো পরিবর্তন আসে না। মোদ্দা কথা, ক্ষুদ্র ঋণকে যতোটা ইতিবাচক মনে করা হচ্ছে, এ পদ্ধতিটি আসলে অতোটা ইতিবাচক নয়। গতকাল ইংরেজি দৈনিক নিউ এজে প্রকাশিত তানিম আহমেদের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
'সোশিও-ইকোনোমিক এন্ড ইনডেবটেডনেস-রিলেটেড ইমপ্যাক্ট অফ মাইক্রো-ক্রেডিট ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক এ গবেষণায় সারা দেশের 2501 ঋণগ্রহীতার সাক্ষাৎকার নেয়া হয়েছে। কাজী খালেকুজ্জামানের সম্পাদনায় এবং ইউনিভার্সিটি প্রেস লিমিটেড থেকে প্রকাশিত এ গবেষণার ফলাফলে দেখা গেছে, ক্ষুদ্র ঋণের পদ্ধতিতেই গলদ রয়েছে। গ্রামীণ ব্যাংক, আশা, প্রশিকা এবং ব্র্যাক_ এ 4টি প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতাদের ওপর পরিচালিত এ গবেষণার ফলাফলে আরো জানানো হয়, ক্ষুদ্র ঋণের প্রচলিত পদ্ধতি হতাশাব্যঞ্জক এবং দারিদ্র দূরীকরণে খুব একটা কাজে আসে না।
82 শতাংশ ঋণগ্রহীতা জানিয়েছেন, আগের চেয়ে যৌতুকের দাবি বেড়েছে। 54 শতাংশ ঋণগ্রহীতা জানিয়েছেন, তাদের সংসারে এখনো খাদ্যের ঘাটতি রয়েছে। এদিকে, 40 শতাংশ মনে করছেন, ঋণ নেয়ার পর তাদের অর্থনৈতিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে।
ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর চড়া সুদের হার নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে এ গবেষণায়। গ্রামীণ ব্যাংকে সুদের হার 30.5 শতাংশ, আশায় 42.3 শতাংশ, প্রশিকা এবং ব্র্যাকে 44.8 শতাংশ। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রথম কিস্তি শোধ করতে হিমসিম থেকে হয়েছে ঋণগ্রহীতাদের। 75 শতাংশ ঋণগ্রহীতা জানিয়েছেন, তারা অন্য উৎস থেকে প্রথম কিস্তির ঋণ পরিশোধ করেছেন। মহাজনদের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে কিস্তি পরিশোধের ঘটনাও ঘটেছে।
তবে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার ক্ষেত্রে ঋণগ্রহীতাদের সুবিধা আগের চেয়ে বেড়েছে। সাক্ষাৎকার প্রদানকারী ঋণগ্রহীতাদের মধ্যে ঋণ নেয়ার আগে যেখানে 4 শতাংশ হাসপাতালে যেত, এখন ঋণ নেয়ার পর সে সংখ্যা দাঁড়িয়েছে 29 শতাংশে। 64 শতাংশ ঋণগ্রহীতা শিক্ষা সেবা গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
১টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

নান্দাইলের ইউনুস ও স্বপ্নভঙ্গের বাংলাদেশ

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ০৩ রা মে, ২০২৬ বিকাল ৩:৪০


নব্বইয়ের দশকে বিটিভিতে প্রচারিত হুমায়ূন আহমেদের জনপ্রিয় একটি নাটকে একজন ভাড়াটে খুনীর চরিত্র ছিল। খুনীর নাম ইউনুস - নান্দাইলের ইউনুস। গ্রামের চেয়ারম্যান তার প্রতিদ্বন্দ্বী একজন ভালো মানুষ স্কুল শিক্ষককে হত্যার... ...বাকিটুকু পড়ুন

স্বনির্ভর অর্থনীতি থেকে ঋণনির্ভর, আমদানিনির্ভর, পরনির্ভর রাষ্ট্রে পরিনত হতে যাচ্ছি।

লিখেছেন এস.এম. আজাদ রহমান, ০৩ রা মে, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৪




মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের কাছে নতজানু হয়ে যে রাষ্ট্রগুলো নিজের অর্থনীতি, কৃষি আর ভবিষ্যৎ বিক্রি করে দেয়- তার পরিণতি কী, তার জীবন্ত উদাহরণ পাকিস্তান। কোটি কোটি মানুষকে ভিক্ষুক বানানোর সেই পথেই... ...বাকিটুকু পড়ুন

এরা খুবই বিপদজনক

লিখেছেন শ্রাবণ আহমেদ, ০৩ রা মে, ২০২৬ রাত ১১:০১

যে তোমার সাফল্য দেখে হিংসে করে,
যে তোমার বিপদ দেখে খুশি হয়,
যে তোমার সামনে এক আর পেছনে আরেক।
তাকে তোমার গোপন কথা কিংবা তোমার কোনো পরিকল্পনার কথা বলতে যেও না।
সবসময় তার... ...বাকিটুকু পড়ুন

গ্রেট প্রেমানন্দ মহারাজ

লিখেছেন রাজীব নুর, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ সকাল ১১:৪৮



'প্রেমানন্দ' একজন ভারতীয় হিন্দু তপস্বী ও গুরু।
১৯৭১ সালে কানপুরের কাছে 'আখরি' গ্রামে তার জন্ম। দরিদ্র পরিবারে জন্ম। ১৩ বছর বয়সে প্রেমানন্দ সন্ন্যাসী হওয়ার জন্য গৃহ ত্যাগ করেন।... ...বাকিটুকু পড়ুন

ডোগান- এক রহস্যময় জাতি

লিখেছেন কিরকুট, ০৪ ঠা মে, ২০২৬ বিকাল ৫:১০



আফ্রিকার মালি এর হৃদয়ে, খাড়া পাথুরে পাহাড় আর নির্জন উপত্যকার মাঝে বাস করে এক বিস্ময়কর জনগোষ্ঠী ডোগান। বান্দিয়াগারা এস্কার্পমেন্ট অঞ্চলের গা ঘেঁষে তাদের বসতি । এরা যেন সময় কে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×