somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জিএম হারুন -অর -রশিদ
আমার কারো কাছে নেই কোন অভিমানের দেনাপাওনা, নেই কোন কষ্টের হিসাব, তবুও লুকিয়ে থাকা হাহাকার পরম যতনে আগলে রাখি-- প্রথম পাওয়া চিঠির মত, আমি এই রকমই বন্ধু ।

ঢাকা শহরের ফুটপাতের দেওয়াল

২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৯
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


আজকাল আমার খুব ইচ্ছে জাগে ঢাকা শহরে রাজপথের দেওয়ালে দেওয়ালে কবিতা লিখতে,
স্লোগানের মতো ভরে দিতে এই শহরের পুরো দেওয়াল,
ঢাকা শহরের সব দেয়াল যদি আমার কবিতায় ভরে যায়
তাহলে কি কারো বেশি ক্ষতি হয়ে যাবে?
শহরের চলন্ত মানুষজনদের
কেউ হয়তো দু' এক লাইন পড়বে,
আবার কেউবা মনে করবে
কাগজের ঘাটতি পড়ছে ঢাকা শহরের কবিদের জন্য!
এই শহরের সবাই মনে করে,
রাজপথের দেওয়ালে শুধু বিপ্লবীদের কথা আর তাদের স্লোগান লেখা হয়।
তবু কখনো যদি আমি লিখি শহরের রাজপথের দেওয়ালে দেওয়ালে,
আমি শুধুই লিখবো অভিমানের কবিতা।
একটা উদাহারণ দিচ্ছি,
-ধরুন লিখলাম-
" রাজপথে শুয়ে আছে
সরকারী লাইসেন্স ছাড়া বিশাল এক অভিমান,
ট্রাফিক পুলিশ এই মামলার নতুন ধারা খুঁজে খুঁজে হয়রান।”
অথবা লিখলাম-
“ গাড়ির নিচে গোপনে চাপা পড়ে
মরে যায় বিষণ্ন সব জোনাকি,
পূর্ণিমার চাঁদ আজ ঘরে বসে
শোক করে একাকী।''
ঢাকা শহরে রাজপথের দেওয়াল আজকাল কথা বলা একেবারেই ভুলে গেছে!
আমি অনেকদিন হলো ঢাকা শহরের রাজপথের দেওয়ালের কথার শব্দ পাইনা!
যেদিন অন্তত একজন মানুষ শহরের দেয়ালে দেয়ালে লেখা
আমার এই সব কবিতা পড়ে
তার চোখের জল ফেলবে খুবই গোপনে,
-সেদিন থেকে এই শহরের রাজপথের দেওয়াল
আবার কথা বলা শুরু করবে।
———————————
রশিদ হারুন
কাব্যগ্রন্থ- তুমি ছাড়া আমি এক বিষণ্ন চড়ুই
১৩/০৫/২০২০
সর্বশেষ এডিট : ২৭ শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ সন্ধ্যা ৬:২৯
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

‘ছুটি’র স্মৃতি

লিখেছেন খায়রুল আহসান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:৫০

(প্রায় দু’মাস আগে লেখা। তখন গ্রীষ্মকাল হলেও ঢাকায় কয়েকদিন পরপর বৃষ্টি হতো। এখনকার মত “ঘাম ঝরে দরদর” ধরণের গরম ছিল না। রাতগুলো তুলনামূলকভাবে বেশ ঠাণ্ডা থাকতো।)

আজ খুব ভোরে (শেষরাতে)... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে কারণে এবারের বিশ্বকাপও আর্জেন্টিনার ঘরেই উঠবে B-)

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ বিকাল ৩:৫৪



কারণ আর্জেন্টিনা দুর্দান্ত, মেসি-মার্তিনেজরা অপ্রতিরোধ্য। আর্জেন্টিনা এখন পর্যন্ত এই বিশ্বকাপের সবগুলো ম্যাচেই একছত্র আধিপত্য দেখিয়ে জয়লাভ করে প্রবল বেগে ফাইনালের দিকে ধ্বাবিত হচ্ছে। আশা করা যাচ্ছে গতবারের... ...বাকিটুকু পড়ুন

ইরানে দরীদ্রদের হাতে নগদ টাকা পৌঁছানোর নীতি বিশ্বকে কাঁপিয়ে দিয়েছে

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ০৪ ঠা জুলাই, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৭



ইরানের ২০১০ সালে প্রবর্তিত 'টার্গেটেড ক্যাশ ট্রান্সফার' বা সরাসরি গরিবের হাতে নগদ টাকা পৌঁছানোর নীতিটি বিশ্ব অর্থনীতি ও সমাজবিজ্ঞানের ইতিহাসে অন্যতম বৃহত্তম এবং সবচেয়ে সাহসী পরীক্ষা হিসেবে স্বীকৃত। বিশ্বব্যাংকের... ...বাকিটুকু পড়ুন

হোমিওপ্যাথি হচ্ছে একটি ধাপ্পাবাজ কিবিরাজি চিকিৎসা পদ্ধতি এর বৈজ্ঞানিক কোন ভিত্তি নেই

লিখেছেন জ্যাক স্মিথ, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১:০৪



হোমিওপ্যাথি যে একটি ভাঁতাবাজি চিকিৎসা পদ্ধতি তা আমি আগেও জানতাম কিন্তু আমি কখনো এর বিরুদ্ধে কথা বলিনি বা কোথাও কিছু লিখিনি- তবে আজ কি মনে করে চ্যাটজিপিটির কাছে... ...বাকিটুকু পড়ুন

বিপ্লবের শরিকরা

লিখেছেন তানভীর রাতুল, ০৫ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ২:৪১

যারা বিপ্লব আনে, তারা বিপ্লব টেকায় না। যারা বিপ্লব টেকায়, তারা শরিকদের টেকায় না। ১৯৭৯ সালে ইরানে খোমিনি ক্ষমতায় এসেছিল বামদের কাঁধে চড়ে। কমিউনিস্ট, সেকুলার, নারীবাদী—সবাই শাহের বিরুদ্ধে এক কাতারে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×