খিলক্ষেতের নিকুন্জ সাইডে ব্রিজ এর নিচে প্রায় ভেংগে যাওয়া একটি সাইনবোর্ডে বাসের যথাস্থানে দাড়িয়ে যাত্রী উঠানোর কথা লেখা আছে। আমি ভাবছি, বাস ড্রাইভারতো শুধু গরু ছাগল চিনতে শিখেছে। পড়তে শিখেছে কি? মানুষ চিনতে শিখেছে কি? সাধারন জনগন উত্তরটা জানে। শিক্ষামন্ত্রী, পরিবহন মন্ত্রী নয়।
মন্ত্রী পরিষদ, প্রধানমন্ত্রী, বুড়ো, বড় বুযুর্গ, দরবেশ - এদের রাত ১২ থেকে ভোর ৬ টার ভেতরে দেশের ভেতরে বাইরে গমন আগমন করা উচিত। সারাদিন খাটুনি শেষে এই গরমে ঘন্টার পর ঘন্টা বাসে বসে থাকতে খুব কষ্ট হয়।
যে সমস্ত ওভারব্রিজ গুলোতে স্কেলেটর লাগানো হয়েছে তার প্রায় সব গুলো নষ্ট হয়ে আছে। প্রফেসররা রক্ষনাবেক্ষনই যদি না করতে পারে তাহলে স্কেলেটর লাগানোটাও গাধার বুদ্ধি ছাড়া কিছু নয়।
পেট কেটে বাচ্চা হওয়ানোটা এখন ফ্যাসনের পর্যায়ে চলে গেছে। আমার প্রথম বাচ্চাটাও পেট কেটে হয়েছে। আমাকে ডাক্তার বলে দিয়েছেন, দুইটার বেশী তিনটা, এর বেশী বাচ্চা নিলে বউটা মরে যাবে। কথাটা মনে হলেই আমার বুক ভেংগে যায়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে রাস্তায় চলাচল করেন শুধু সেই রাস্তা বার মাস ঠিক ঠাক রাখা হয়। মসৃন করে তৈরী হয়। - অতি সাধারন কথা এবং সাধারন ঘটনা। কিন্তু আমি যখনই কথাটা ভাবি, অতি অসাধারন হিসেবেই কথাটা ভাবি। তখন আমারও প্রধানমন্ত্রী হতে ইচ্ছে হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার গাড়ীর শিক্ষিত ড্রাইভারের মতোই আমরা সাধারন জনগন আমাদের সাধারন পরিবহনের জন্য শিক্ষিত ড্রাইভার আশা করি।
সর্বশেষ এডিট : ১৭ ই জানুয়ারি, ২০১৮ বিকাল ৩:৩৩

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।


