somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

গরুর রচনা

২৫ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৩৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


গরু একটি গৃহপালিত এবং চতুষ্পদী জন্তু। জন্তু বলাতে আমার পাশের খোঁয়াড়ে রাখা গরুটি হাম্বা হাম্বা করিয়া প্রতিবাদ জানাইতেছে, তাহাকে জন্তু বলা যাইবে না। কারণ, কোন কোন ধর্মে তাহাকে দেবতার মূল্য দিয়েছে, ইহাকে পূজো করছে বছরের পর বছর ধরে।

গরুর রয়েছে নানা উপকারী দিক। ইহার গোবর অত্যন্ত ভাল জৈবসার, জমি বা পরিবেশের উপর কোন বিরুপ প্রভাব ফেলে না। জমির উর্বরতা নষ্ট হয় না। গো-মূত্র, যাহাকে গ্রাম্য ভাষায় চুনা বলা হয়। ভারতে কেউ কারো পাছা মাইরা দিলে বলা হয়, “চুনা লাগাইয়া গেছে”। যাই হোক, এই চুনা থেকে তৈরি হয় পবিত্র পানীয় , যা পান করলে স্বর্গে যাওয়া অতিশয় সহজ হইয়া যায়।

গরু আমাদের দেবতা হলেও তাহাকে ম্লেচ্ছ এর কাছে বিক্রি করে দিলে প্রচুর অর্থ লাভ করা যায়। প্রতিবছর আমরা এই চতুষ্পদী দেবতাকে ম্লেচ্ছদের কাছে বিক্রি করিয়া প্রচুর বৈদেশিক মূদ্রা আয় করি।

জন্তু হইলেও ইহাকে দেবতা মনে করিয়া পূজা করা যায়। যুক্তি এই যে, জন্মের পর আমরা গরুর দূধ পান করি। যদিও আমরা মায়ের পেটে দশ মাস দশ দিন অবস্থান করে তীব্র যন্ত্রণা দিয়ে জন্মগ্রহণ করি এবং সর্বপ্রথম মায়ের দূধই পান করি, তারপরও গরুকেই আমরা দেবতা মান্য করি। মায়ের সাথে বেয়াদবী করা যায়, তাকে অপমান করা যায়, ভাত-কাপড় না দিয়ে তাকে ঘর থেকে বের করে দেয়া যায়, আশ্রমে রাখা যায়। কিন্তু গরু যে চতুষ্পদী হে, তার এই অতিরিক্ত দুই খানা পায়ের কারণে তাকে আমরা দেবতা মানি, পূজা করি

এই দেবতাকে নিয়ে ব্যবসা করার কারণে আমরা এক আদম সন্তানকে উল্লঙ্গ করিয়া নৃত্য করিয়াছি।

আর ভাল্লাগছে না রচনা লিখতে। রচনা কমন পড়ে নাই।

ধন্যবাদ সবাইকে।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে জানুয়ারি, ২০১২ দুপুর ১:৫৭
১৬টি মন্তব্য ১৬টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

যেখানে খোদা নেই; সেই ঠিকানার সন্ধানে( একটি দীর্ঘ সুফি দার্শনিক আত্মজিজ্ঞাসা)

লিখেছেন ডঃ এম এ আলী, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ৮:১৮


প্রথমেই জানাই আমার এই লেখাটি ব্লগার মরুভুমির জলদস্যুর লেখা “শরাব পিনে দে”
হতে উৎসারিত, তাই তাঁর প্রতি জানাই কৃতজ্ঞতা ।

সেই লেখাটিতে তিনি মির্জা গালিব এর বিখ্যাত শেরটি... ...বাকিটুকু পড়ুন

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

লিখেছেন জুল ভার্ন, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ সকাল ১১:৫৮

পুলিশ বদলাবেন, নাকি পুলিশ সংস্কার করবেন?

ফ্যাসিস্ট আমলে পুলিশকে দলীয় ক্যাডার বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছিল- এ অভিযোগ শুধু রাজনৈতিক নয়, দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতার অংশ।
জুলাইয়ের পর- সেই পুলিশ কি সত্যিই বদলেছে, নাকি শুধু... ...বাকিটুকু পড়ুন

২৮ বছর পর ঋণের খোঁজে সন্তান বনাম হাজার কোটি টাকার খেলাপি: আমাদের ব্যাংকিং ও শেয়ারবাজারের ট্র্যাজেডি

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ দুপুর ১:৫৯

সংবাদের পাতার দুটি বিপরীতমুখী ছবি সাম্প্রতিক সময়ে আমাদের চরম এক সামাজিক ও অর্থনৈতিক বৈপরীত্যের মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে দেয়।

একদিকে আমরা দেখি, ২৮ বছর আগে বাবার নেওয়া মাত্র ১০ হাজার টাকার দাদন... ...বাকিটুকু পড়ুন

এই ধরণের মানুষগুলোই বি,এন,পি-কে আবারও ডোবাবে!

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ৮:০১



পড়ালেখার পিছনে টাকা খরচ করা 'টাকা পাচার'?
যারা বিদেশে পড়ালেখা করতে যান, তাঁরা কি দেশের টাকা লুট করে নিয়ে যান, নাকি নিজের বাপের টাকায় পড়ালেখা করেন?

পড়ালেখার... ...বাকিটুকু পড়ুন

বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম কি?

লিখেছেন ঠাকুরমাহমুদ, ১৯ শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:৩০



প্রায় বিশ কোটি মানুষের এক লক্ষ সাতচল্লিশ হাজার বর্গ কিলোমিটারের দেশ বাংলাদেশ। আর বাংলাদেশের ফরেন কারেন্সি আয়ের মাধ্যম মাত্র: - রেমিট্যান্স আর পণ্য রপ্তানি।

রেমিট্যান্স: সাধারণত কোনো ব্যক্তি যখন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×