আল আমিনের অপরাধ নিয়ে লিখেছিলাম। তাই খালেদ মাহমুদ সুজনের অপরাধ নিয়ে না লিখলে নিজের কাছে নিজে অপরাধী হয়ে যাবো।
রাত ১০টার পর হোটেলের বাইরে থাকায় দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে বাংলাদেশের আল-আমিন হোসেনকে অস্ট্রেলিয়া থেকে দেশ ফেরত পাঠিয়েছে টিম ম্যানেজম্যান্ট।
রাত ১০টার পর বাইরে থাকার বিষয়টি বাংলাদেশ দলের ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনকে অবহিত করে আইসিসির দুর্নীতি দমন ইউনিট (আকসু)। পরবর্তীতে বোর্ড পরিচালকদের সাথে বৈঠক করে আল-আমিনকে দেশে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন খালেদ মাহমুদ সুজন।
অপর দিকে স্বয়ং টীম ম্যানেজার খালেদ মাহমুদ সুজনের প্রায় প্রতিদিনই রাতের বেলায় ক্যাসিনোতে যাওয়ার ঘটনাটি খেলোয়াড়রা জানলেও কেউই ভয়ে মুখ খুলতে নারাজ।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারী রাত ১টা ৩০ মিনিটে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের ০৮ হোয়ইটম্যান স্ট্রীটের ক্রাউন ক্যাসিনোর জুয়ার আসরে দেখা গেছে খালেদ মাহমুদ সুজনকে।
আমি যখন মালয়েশিয়াতে গিয়েছিলাম, আমার এক কাকা বলেছিলেন, সাবধান বাবা, ঘুড়াঘুড়ি আর যাই করো ভুল করেও ক্যাসিনোতে ঢুকবা না। সব শেষ হয়ে যাবে...।
সেই ক্যাসিনোতে ঢুকে শুধু নিজেকে নয়, পুরো বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করেছেন সুজন।
জানা যায় যে, সুজন ক্যাসিনোর সিসি ক্যামেরায় ধরা পরা বেশ কিছু ছবি ক্যামেরা থেকে মুছে ফেলতে সিকিউরিটি গার্ডদের নির্দেশ দিয়েছিলেন।
এই সুজনই একদিন আশরাফুলকে বুকিদের সাথে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিলেন। যার ফলে একজন প্রতিভাবান ক্রিকেটার আশরাফুলের ক্যারিয়ার এক প্রকার ধ্বংসের দ্বারপ্রান্ত চলে গেছে। আশরাফুলের সাজা হয়েছে ঠিকই। কিন্তু-
বহাল তবিয়াতে রয়েগেলেন নাটেরগুরু সুজন।
প্রশ্ন হচ্ছে: শুধুমাত্র বিসিবির সভাপতি নাজমুল হাসান পাপনের ঘনিষ্ট হওয়ার কারণেই কি নিজের ইচ্ছামতো সব কিছু করতে পারেন তিনি??
আমাদের ক্রিকেটারসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে বোঝা উচিত যে, আমাদের ঘাম ঝরানো কষ্টের পয়সায় তাঁদেরকে সেখানে পাঠানো হয়েছে ক্রিকেট খেলতে, জুয়া খেলতে নেয়....।
জুয়াখেলার জন্য বাংলাদেশে জায়গার অভাব নেই...।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



