প্রিয় মুখশ্রীর এক ছ্যতলা হাসির তত্ত্বে
দরিদ্রতার ক্লান্ত লোচন যখন গোধূলির ঐ দূর প্রবাসে,
লৌ আবাসে মানব মুখোশে নেকড়েগুলো তখন
হিংস্র দানবের রুপ ধারন করে ওত পেতে রয়।
আর জগৎ পূজারী
রক্ত পিপাসু জলৌকার পানাহার হয়ে উঠে অহরহ।
এখানে দিন দুপুরে ভূলুণ্ঠিত হয় মানবতা।
ঐ আকাশ চুম্বী নিখিল প্রসাদের ইন্দ্রজাল যেই লোহিত রক্তে বিনির্মিত,
সেই ভৃত্য নামের সুখ পাখিদের কচি পালকের ক্ষয় এখানেই।
কানুনের অন্ধ চাদরে ঢাকা সভ্য মস্তিষ্কের হুংকার,
আর নরক বেষ্টনীতে ঢাকা পড়ে জীবনের সমস্ত আহলাদ।
বিচিত্র অচলার নিখিল অট্রালিকার ভীড়ে প্রজাপতির পাখনায়
একফোঁটা সুখের সন্ধানেই ঘটে যায় জীবনের ইস্তফা।
ভিনদেশী প্রভুদের অনাবিল সুখ বিনির্মাণ-ই যখন ধর্ম,
তখন জীবনের হিসেব কষতে বিজ্ঞানীর সূএ নীরব।
চৈএের খরতাপে উত্তপ্ত মরুর ক্রুদ্ধ বালিকনার সংক্রামণে
নগ্ন চামড়া বিলীন জীবাণুর স্বর্গরাজ্যে।
প্রবাসীরর হাড়ের রস নির্গত হয়
কংক্রিটের প্রতিটি জোড়ায়, জোড়ায়।
পাষাণ্ড সুখ তবুও দেয়না ধরা,
প্রিয়জনের মুখে ফুটেনা হাসির লেশ,
হয়না প্রয়োজনেরর শেষ।
জগতের দু"দিক হতেই ধর্ষিত এরা।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই জুন, ২০১৬ বিকাল ৩:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



