চীনের সামরিক উপস্থিতি ঠেকানোই লক্ষ্য : উদ্বিগ্ন ভারত : চট্টগ্রামে ঘাঁটি গাড়ছে আমেরিকান সপ্তম নৌ বহর!
আমেরিকার ৭ম নৌবহর চট্টগ্রামে ঘাঁটি গাড়ছে বলে দাবি করেছে টাইমস অব ইন্ডিয়া (অনলাইন)। গত বৃহস্পতিবার টাইমস অব ইন্ডিয়ার একটি এক্সক্লুসিভ ভিডিও চিত্রে এ দাবি করা হয়। বাংলাদেশে আমেরিকান রণতরীর ঘাঁটি গাড়ার পেছনে কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে চীনকে। ভিডিও ফুটেজে বলা হয়, গত মাসে আমেরিকান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটনের বাংলাদেশ সফরের সময় উভয় পক্ষ এ বিষয়ে কৌশলগত বিভিন্ন কথাবার্তা সেরে রেখেছিলো। কারণ দক্ষিণ চীন সাগরে চীনের নৌঘাঁটি গঠন সংক্রান্ত খবরে পেন্টাগণের ওই অঞ্চলে কর্তৃত্ব হারানোর উদ্বেগ বাড়ছে। তাই তারা চীনকে রুখতে কাছাকাছি অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি মজুদ রাখতে চায়। এছাড়া আফগানিস্তান থেকে আমেরিকান সেনা প্রত্যাহার শুরু হলে তারা দক্ষিণ এশিয়ায় কর্তৃত্ব ধরে রাখতে চাইবে। তাই এ শক্তি মজুদের জন্য বঙ্গোপসাগরই উপযুক্ত স্থান। রিপোর্টে বলা হয়েছে, যদিও হিলারির সফরের সময় ৭ম নৌ বহর বা সামরিক কোনো বিষয়ে বাংলাদেশের সাথে আলোচনার বিষয়টি অস্বীকার করেছে আমেরিকান প্রশাসন। তবে এ বিষয়ে তারা পরিষ্কার করে কিছু জানায়ওনি। এমনকি বাংলাদেশ সরকারও এ বিষয়টিতে মুখ বন্ধ রেখেছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ভারতের রাষ্ট্রদূতকে এ বিষয়ে একটি প্রশ্ন করা হয়। প্রশ্নটি হলো- যদি আমেরিকা চট্টগ্রামে তাদের নৌ ঘাঁটি স্থাপনের অনুমতি চায়, আপনি কি তাতে মত দেবেন? উত্তরে তিনি বলেন, ‘আমি জানি না এমন কোনো অনুরোধ এসেছে কি-না।’ এছাড়া এ বিষয়ে একটি চীনা মিলিটারি ওয়েবসাইট জানায়, টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্টটিতে বাংলাদেশে হিলারির সফরকে যতোটা না বন্ধুত্বের তার চেয়ে বেশি কৌশলগত বলে ইঙ্গিত করা হয়েছে। কারণ চট্টগ্রামে আমেরিকান নৌবহর ঘাঁটি গাড়লে ভারতও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে তাদের ধারণা। কারণ তখন ভারতের সকল নিরাপত্তা স্থাপনা আমেরিকার নজরদারির আওতায় থাকবে। তাছাড়া নতুন এ ঘটনায় ভারতও বিস্মিত হয়েছে, কারণ চট্টগ্রামের প্রতি ভারতেরও কৌশলগত আগ্রহ রয়েছে বলে ওয়েবসাইটটি দাবি করে। টাইমস অব ইন্ডিয়ার রিপোর্ট সত্য হলে তা হবে গত ৪১ বছরের মধ্যে বঙ্গোপসাগরে আমেরিকার নৌবহরের প্রথম প্রবেশ।
উল্লেখ্য, বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় পাকিস্তানকে সাহায্য করার জন্য আমেরিকান ৭ম নৌবহর বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিলো। তখন সোভিয়েত ইউনিয়নের পাল্টা হুমকির মুখে তা ফিরে যেতে বাধ্য হয়। আন্তর্জাতিক সূত্রে জানা গেছে, দক্ষিণ চীন সাগরের নৌ-ঘাঁটিতে চীন তাদের সামরিক উপস্থিতি বাড়াচ্ছে। চীনের পাল্টা কৌশল হিসেবে এশিয়ায় সার্বক্ষণিক সামরিক উপস্থিতি বজায় রাখতে চায় যুক্তরাষ্ট্র। কৌশলগত কারণে তারা বঙ্গোপসাগরে তাদের সপ্তম নৌবহর মোতায়েনের পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। এ কারণে জাপান থেকে দিয়াগো গার্সিয়া ঘাঁটি পর্যন্ত ভারত মহাসাগরীয় এলাকায় তারা সামরিক উপস্থিতি বাড়াতে চাইছে। যার মাধ্যমে চীনের ওপর নজর রাখা যাবে আবার আফগানিস্তান থেকে সেনা প্রত্যাহারের পর এশিয়ায় কৌশলগত স্বার্থও বজায় থাকবে। সম্প্রতি পেন্টাগনের প্রকাশিত প্রতিবেদনে দক্ষিণ চীন সাগরের নৌ-ঘাঁটিতে চীনের সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধিতে যুক্তরাষ্ট্রের শঙ্কার কথা প্রকাশ পেয়েছে। তাদের আশঙ্কা, এর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে পেছনে ফেলে পুরো এশিয়ায় চীনের নৌ আধিপত্য বিস্তার হতে পারে। এ অঞ্চলে মার্কিন সপ্তম নৌবহর রাখলে ভারতের নিরাপত্তা স্থাপনাগুলো যুক্তরাষ্ট্রের নজরদারির মধ্যে চলে আসবে। যার ফলে ভারতের কৌশলগত স্বার্থ হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের উপস্থিতি নিয়ে ইতোমধ্যেই উদ্বেগের মধ্যে রয়েছে ভারত।
সাদা নীল জার্সি

গায়ে ভাই রে সাদা নীল জার্সি
গন্ধ বাতাসে উম্মুখ হয়ে আছি;
কখন হবে- কণ্ঠ নালীর মিছিল-
তারপর- তারপর- সজোরে কিক
গোল- গোল শব্দটা আনন্দ মুখর!
আমার জার্সির রঙগুলো আত্মহারা
রাতজাগা পাগলাপাড়া ফুটবল খেলা
নয়ন জলে টলমলে- স্মৃতির... ...বাকিটুকু পড়ুন
বাইরে এসো
এসো, বৃত্তবদ্ধ খাঁচা ছেড়ে বাইরে এসো,
কল্পনাতীত উদাত্ত আকাশে চোখ পেতে
দুজনে বসি ঘাস গালিচাতে আজ পাশাপাশি ,
দেখ, পুস্প-ফলে বৃক্ষদের একাগ্র তপস্যা
দেখ, পূর্নিমাকে অর্থ দেয় বিপরীত অমাবশ্যা ।
দেখ, সাপ ও... ...বাকিটুকু পড়ুন
শেখ হাসিনা ও তাঁর মন্ত্রীবর্গের দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাওয়া উচিত নয় কি?
"হে কাবা! তুমি কতই না উত্তম, তোমার সুঘ্রাণ কতই না চমৎকার! তোমার মর্যাদা কতই না মহান! তবে সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে মুহাম্মদের প্রাণ! নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে একজন মুমিনের জান,... ...বাকিটুকু পড়ুন
স্পর্শে_ _ _ _ _
-কি পাও আমার মাঝে ?
-দুটি চোখ।
যেখানে আমার সর্বসুখ নিহিত,
ছমছমে সন্ধ্যা, ভয় জাগানিয়া অন্ধকার রাত,
এসব বৃথা হয়ে যায়,
তোমার একটি ছোঁয়ায়।
তোমার চোখের একটি পলক, আমার হাজার বছর,
আর কি... ...বাকিটুকু পড়ুন
বেসুরো গলায় গান গাওয়ার অপরাধে

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বাংলা বিভাগের অধ্যাপক চৌধুরী মো. তাশরিক-ই-হাবিবকে একাডেমিক কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
যে কোন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় পপুলিস্ট দিক ও ন্যায়বিচারের দিক উভয়ই খেয়াল রাখতে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।