আজ আমি একজন বিধবা নারী,আমার স্বাদ আল্লাদ বলতে যেন কিছু নেই। সমাজের সবাই যেন আমাকে ভোগ দখল নিয়েই ব্যস্ত। আমার দুঃখ কেউ বুঝতে চায় না নিজেদের স্বার্থ নিয়ে সকলের পদচারনা। আমার একমাত্র বেচে থাকার প্রেরণা কিশোরী মেয়েটি। যাইহোক মুল কথায় আসি আমার যখন বিয়ে হয়েছে পাশের বাড়ীর দাদা তার সময় শ্রম মেধা যোগ্যতা দিয়ে অনেক সহযোগীতা করেছে যার ঋন হয়ত শোধ করা সম্ভব হবে না। আমার বাচ্চা হওয়ার সময়কার দাদার সহযোগীতাও ভোলবার নয়। দাদা আমাকে অনেক ভালবাসে! আমার স্বামী মারা যাওয়ার পর থেকে দাদার সাথে আমার সম্পর্ক আর গারো হয়,প্রথম দিকে দাদা শান্তনা দিত মাথায় হাত বুলিয়ে বিভিন্ন কথা বলত আমি আশান্বিত হইতাম এভাবে শুরু এই প্রেম এখানে সীমাবদ্ধ থাকল না দৈহিক সম্পর্কে গড়াল। আমি বাড়ীর গৃহকর্ত্রী হওয়াতে কেউ কিছু বললেও গায়ে মাখাতাম না। ভালবাসবার বহিঃপ্রকাশতো কিছুকাল গেলে বোঝা যায়। ইদানীংকাল দাদা আর আগের মত সহযোগীতা করে যখনতখন এসে ভোগ করে যায় কিংবা ধর্ষন করে যায় ইচ্ছামত কিছু বলতেও পারিনা কি থেকে আবার কি হয়ে যায় এই আশংকায়। আমারতো কিছু ইচ্ছে থাকতে পারে যার কোন দাম নেই দাদাদের কাছে যখনি ইচ্ছে হল ভোগ বা ধর্ষন করে চলে গেল। এখন আমি আশংকিত আমার কচি মেয়েটার প্রতিও দাদার কুনজরের কুলুপ দৃষ্টি পরেছে আমাকে ভোগ করে তার স্বাদ মিটল না আমার মেয়েটাকেও ভোগ করতে চায়। এই কু-প্রস্তাব আমার কাছেই দিচ্ছে সে,আমার এখন কি করা উচিৎ আপনারা বলুন???(বি দ্র: ট্রানজিট ও সমুদ্রবন্দর ব্যাবহার দেহ ভোগেরই শামিল, সুন্দরবন ধ্বংস করে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ কিশোরী মেয়েকে ভোগ বা ধর্ষণ করতে দেওয়ার শামিল)
সর্বশেষ এডিট : ০৬ ই আগস্ট, ২০১৬ রাত ১২:২৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



