তিল তিল করে বেড়ে উঠছিল ,দুটি ,চারটি ,ছয়টি
করে মেলছিল সবুজ ডানা সূর্য পানে ।
প্রতিদিন সপ্নস্নানের আবেগ নিয়ে
ভর দিয়ে স্বপ্ন ডানায় ,উড়ছিল কিশোরী স্বপ্নরা
হঠাৎ একটা কুঁড়ি,কলি হয়ে উঠছিল ,মন্দ লাগছিলনা ।
বাতাসে গন্ধ মেখে ,বৃষ্টি আদর নিয়ে পাপড়ি গুলো
মেলছিল ডানা প্রজাপতির মত ,কখন জানি
যৌবন এসে গেলো ,ভালোই লাগছিলো ।
যৌবন মানেইতো বাসনা ,যৌবন মানেইতো কামনা
যৌবন মানেইতো গুপ্ত ভাবনার আত্মপ্রকাশ ,
স্বপ্নটা হয়ে উঠলো একদিন রূপবতী গোলাপ ।
আহ : কি সুন্দর ,একটু ছুয়ে দেখি ,নাহ থাক ,
দেখি আর একটু ।
মেঘ সরে যখন পঞ্চমীর চাঁদ বিলাবে আলো অকৃপণ
জোছনার আবীর গুঁড়ো ,গোলাপের গায়ে ঝরবে
তখন দূর থেকে নয় ,খুব কাছথেকে না হয় দেখবো ।
বিধি বাম !
কোথায় গোলাপ কোথায় তার স্বপ্ন ,কোথায় রূপসীর সঞ্চিত
সকল গোপন ভাবনা ,বাসনা আর কামনারা ।
ঝলসে গেছে সালফিউরিক এসিডে ,সপ্নের রঙ
পোড়া বীভৎস রূপ নিয়ে গোলাপেরা আজো কাঁদে ,
বিলীন হয়ে গেছে শত গোলাপের রূপ যৌবন ।
হাজারো স্বপ্নেরা এভাবেই ঝলসে যায় ,
কুৎসিত কামনার সালফিউরিকে ।
আর কতকাল স্বপ্নরা ঝলসাবে আর কতকাল ,
নিস্পাপ গোলাপের মুখ বিবর্ণ হবে সালফিউরিকে।

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



