ক্রিক! ক্রক ক্রক!
চারশো আশি মাইল বেগে আকাশে উড়ে চলেছেন যন্ত্রমানব। তার ধাতব অঙ্গের ঝনকার যেনো বহুদুর থেকে উড়ে আসছে। আর সে কি প্রচন্ড গতিতে সাঁ সাঁ করে ছুটে চলেছে রানার, কাঁধে কপিমাস্টারকে নিয়ে।
ওদিকে সেই শিল্পপতির ছেলের রেপ্লিকা রোবট উড়তে শুরু করেছে।
-এজেন্ট আসিফ স্পিকিং! লিসেন কেয়ারফুলি। এই জিনিশটার গায়ে একটা মার্ক দেখা যাচ্ছে। ইনভেন্টর সেইম। গেজ হোয়াট?
-ডক্টর ইকবাল? শালা এখনো বেচে আছে?
-শয়তানটা কিভাবে রিসার্চ করতে হ্যাক করে টাকা কালেকশানে নেমে গেছে দেখেছেন?
-লেট'স রোল টুগেদার!
ওদিকে, আন্ডারগ্রাউন্ডে, একদম গভীরে।
-স্যার, জাকুয়াকে আ্যাম্বুশ করতে ম্যাকাপ লোকজন পাঠাচ্ছে। যন্ত্রমানব নামে একজন মেটাহিউম্যান কুয়েট ছাত্র ইতিমধ্যে স্যাটেলাইট ভিউতে ধরা পড়ে গেছে। আর একজন ছয়শ মাইল বেগে জাকুয়ার নিচ দিয়ে ছুটে বেড়াচ্ছে।
-ওয়েল! লেট'স প্লে এ গেম! চেয়ার ঘুরিয়ে একটা ভীষণ পরিচিত মুখ সামনে এলো।
"আই নো হাউ টু প্লে হার্ডার"-সায়েন্টিস্ট ইকবাল বলে উঠলো।
-নিশা! তাদের জানতে দাও জাকুয়া একা নয়!
-মাই প্লেজার স্যার। একটা চতুর হাসি দিলো লাস্যময়ী ভঙ্গীতে নিশা।
ধুম করে থেমে গেলো রানার।
-আহ! রানারের কাধ থেকে ছিটকে পড়লো কপিমাস্টার। একটা বালুময় এলাকায় এসে থামলো।
-সুবিধার মনে হচ্ছে না জায়গাটা! রানার আবদুল হাকিম বললো।
ধ্রিম! ধ্রিম!
-হোয়াট দ্য?
মাটির নীচটা কেঁপে কেঁপে উঠছে!
অবশেষে মাটি ফেড়ে একটা দানব বেরিয়ে এলো যেনো।
"মাদার অফ অল এভিল"!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



