
আসন্ন একাদশ জাতীয় নির্বাচনে নড়াইল-২ আসন থেকে লড়ার জন্য আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম নিয়েছেন জাতীয় ওয়ানডে দলের অধিনায়ক মাশরাফি বিন মর্তুজা।
মাশরাফির রাজনীতিতে প্রবেশ নিয়ে কয়েকদিন ধরেই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম উত্তাল। তাঁর রাজনীতিতে আসা কিংবা সতন্ত্র প্রার্থী হয়ে না লড়ে আওয়ামী লীগের ব্যানারে আসা ভাল চোখে দেখছেন না, তার ভক্তরা ও নেটিজেনরা।
.
.
তবে আমার দৃষ্টিতে মাশরাফির সিদ্ধান্ত সঠিকই মনে হচ্ছে। কারণ সবকিছুর একটা সঠিক লক্ষ্য ও সিদ্ধান্ত থাকে। ভেবে দেখুন, মাশরাফি আজ আওয়ামী লীগকে না করে দিল, কয়েক বছর পর অবসরে যাবে, তখন সে সতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে না হয় দাঁড়িয়ে একটা আসন পেল, তাতে কি লাভটা হত? এটা সিনেমা না, যে মাশরাফি অবসরে যাবে, সারাদেশ থেকে প্রার্থী দাড় করাবে,আর মানুষ তাঁর দলের সবাইকে ভোট দিবে।
.
.
তার চেয়ে বরং, এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর এবং আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর, যদি মাশরাফি কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পায় তাহলে,সে আরও বেশী মানুষের সাহায্য করতে পারবে।
.
.
আর সবচেয়ে বড় কথা, আগে ঘর তারপর পর। মাশরাফি নিজের ঘর আর বন্ধুবান্ধবদের ভাল অবস্থান দিয়েছে। এখন স্বভাবতই চাইবে আগে, তাঁর নিজ জেলা নড়াইলের উন্নতি করতে, তারপর নিজ বিভাগ, তারপর নিজ দেশ (যদি সম্ভব হয়)।
.
.
পরিবর্তন রাতারাতি হয় না। আমি বিশ্বাস করি, পরিবর্তন নিজ পরিবার থেকে শুরু করতে হয়, তারপর নিজ পাড়া,তারপর আপনার প্রভাব বা ক্ষমতা অনুযায়ী যতদূর পারেন।
.
.
মাশরাফি রাজনীতিতে গেলে পরিবর্তন হয়ে যাবে কি যাবে না, তা আগে দেখুন, আগেই হতাশ হওয়ার তো কারণ নেই। আপনারা অনেকেই এখন ইমরান খান নিয়াজীর উদাহরণ টানছেন, তার অতীতটা জানা আছে তো? সেই তুলনায় আমাদের ম্যাশ কিন্তু সাদা কাগজ,যাতে কোন কালির ফোঁটা নেই।
.
.
তাঁর রাজনৈতিক জীবনের জন্য শুভকামনা।
.
.
JN Hridoy (Pagol-Manob)
সর্বশেষ এডিট : ১২ ই নভেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:৩৬

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



