somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

বিষয়ঃ শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষা !!!

৩০ শে নভেম্বর, ২০১৪ দুপুর ১২:০২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

বিষয়ঃ শিক্ষামন্ত্রীর শিক্ষা !!!
এক দম্পতির বাচ্চা হয় না।দোষ যায়
বৌ এর ওপর।
স্বামী বৌকে ডাক্তারের
কাছে নিয়ে যায়।
ডাক্তার বলেনঃ স্ত্রীর কোন
সমস্যা নেই।
এরপর সেই মহানুভব
স্বামী আরো চারটা বিয়ে করেন।
পরবর্তী চারটা বৌ এর কোন
সমস্যা নেই।
ডাক্তার লোকটিকে প্রতিবার
চেকআপ করাতে গেলেই
লোকটি বলেনঃ কি দরকার ! আমি পুরুষ
মানুষ আমার আবার রোগ কিসের ?
কিন্তু কাউকে না জানিয়ে একদিন
লোকটা চেকআপ করাতে যায়।
গিয়ে জানতে পারেঃ সে ইম্পোটেন্ট
[impotent] অর্থ্যাত্ সে সন্তান জন্ম
দিতে অক্ষম।
বাড়ি এসে শোনে বড় বৌয়ের
পেটে বাচ্চা। এই প্রথম বাচ্চা হবার
খুশিতে পুরো বাড়ি মাতোয়ারা হয়।
কিন্তু
লোকটি স্ত্রীকে তালাক দেয় কারন
সে নষ্টা , পরগামী।
জি হ্যা মন্ত্রী সাহেব আপনার
আমলের কয়েকটা বিখ্যাত ছবির
সাথেও কাহিনী মিলে যায়।
আপনি শিক্ষামন্ত্রী না হয়ে জোতিষী হয়ে যেতে পারেন !
আপনার শখের কারনে সৃজনশীল
পরীক্ষা দেয়া এইচএসসি ১৪ ব্যাচ আজ
ক্ষতিগ্রস্হ। যে শিক্ষা ব্যবস্হা শিক্ষক
বোঝাতে পারে না সে শিক্ষা ব্যবস্হা কতটা যৌক্তিক?
ব্যাপারটা এমন যে আপনাকে এক মন
ঘি দেয়া হলো কিন্তু তা ধারন করার
মত পাত্র নেই।
ক্ষমা চাওয়া উচিত আপনার !
তারপরও আপনি শিক্ষামন্ত্রী !
এরপর আপনি বললেনঃ
দেশের কোথাও প্রশ্ন ফাঁস হয়নি।অথচ
বাস্তবতা সবাই জানে।
এরপর আপনি বললেনঃ
ঢাকা ভার্সিটির প্রশ্নের উত্তর কোন
মানুষ দিতে পারে না !
এটা কি ধরনের কথা ?
আপনি না শিক্ষা প্রনয়ন করেন।
কি শিক্ষা ব্যবস্হা আমাদের
যে আমরা উত্তর করতে পারি না !
আর গতকাল
তো আপনি এক্কেবারে মহান
উক্তি দিয়েছেনঃ
প্রশ্ন ফাঁস রোধে প্রয়োজনে ফেসবুক
বন্ধ রাখবো !
পৃথিবীতে কোন দেশের
শিক্ষাব্যবস্হ্যা কখনো কোন সোসাল
নেটাওয়ার্কিং সাইটের জন্য
ক্ষতিগ্রস্হ হয়েছে কি?
কোথাও হয়েছে এমন ?
এটাই আপনাদের থ্রি জি ডিজি টাল
বাংলাদেশ !
আচ্ছা আপনাকে কয়েকটা দিক
দেখাইঃ
প্রথমতঃ
আপনি স্বীকার করলেন দেশে প্রশ্ন
ফাঁস হয়। [পুরাই স্যাটায়ার]
দ্বিতীয়তঃ
আপনি প্রমান করলেন
আপনি শিক্ষামন্তী কিন্তু প্রশ্ন প্রণয়ন ও
ছাপার সাথে যুক্ত
ফেসবুকে থাকা ছাত্ররা । [HOW
সেলুকাস]
তৃতীয়তঃ
আপনি বোঝাতে চাইলেন প্রশ্ন ফাঁস
রোধ করার ইচ্ছা আপনার নেই।কিন্তু
এটার ব্যপ্তি কমাবেন।যেন কম মানুষ
প্রশ্ন পায় আর দেশে যে শিক্ষার
বন্যা হচ্ছে তা দেখাতে আপনাদের
কষ্ট না হয় ! [ব্রিলিয়ান্ট
মন্ত্রী সাহেব !!]
আচ্ছা এবার আসুন বাস্তবতায়ঃ
এদেশে শিক্ষাব্যবস্হার গুরু দায়িত্ব
আপনার ওপর।
যদি আপনার বয়স
বেশি হয়ে থাকে অথবা আপনার
সৃজনশীলতা কমে যায়
আপনি সরে দাঁড়ান স্যার , অন্তত সম্মান
থাকবে।
আমাদের চোখে টিনের চশমা নেই।
আমরা বুঝি স্যার !
উদারহরণ দিবো ?
আপনার সৃজনশীল
শিক্ষা পদ্ধতি দিয়েই বোঝাই।
আসুন স্যার জ্ঞান আর অনুধাবনের
পরে এবার প্রয়োগমুলক প্রশ্নের
উত্তরে আসা যাকঃ
আমাদের পাশের দেশ ভারত।স্যার গুগল
ম্যাপ দেখে বলছি।সেই দেশে একবার
একটা ট্রেন এক্সিডেন্ট হয়।
খবর শোনার
সাথে সাথে রেলমন্ত্রী পদত্যাগ
করেন।তখনো হতাহতের খবরই প্রকাশ হয়
নি।
আমরা ভারতকে গালি দেই।কিন্তু
ওরা দেশকে ভালোবাসে।
A leader should be like this!
A teacher should be like this!
শুধুমাত্র আপনার কারনে হাজার
শিক্ষার্থীর স্বপ্ন খুন হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের মনোবল
আপনি ভেঙে দিয়েছেন!
স্বপ্ন খুনের দায়ে কোন বিচার নেই
পৃথিবীতে।
একজন
শিক্ষার্থীকে মানসিকভাবে খুন
করার কোন বিচার নেই এদেশে।
আজ আপনি একজন মন্ত্রী , একজন
শিক্ষার্থীর জায়গায়
নিজেকে কল্পনা করে তারপর
সিদ্ধান্ত নিন।
শিক্ষা জাতির মেরুদন্ড।
আর আপনি এই মেরুদন্ডের
একটা একটা কয়ে হাড় ভাঙছেন।
এবার স্যার উচ্চতর দক্ষতার প্রশ্নের
উত্তরঃ
আপনি একজন শিক্ষামন্ত্রী , আপনার
অধিনে একটা মন্ত্রনালয় আছে।
রাজকীয় ব্যাপার স্যাপার।কিন্তু
দুর্ভাগ্যের ব্যাপার আপনার
রাজ্যে আপনি হয় ক্ষমতাহীন
অথবা আপনার ঢাকায়
আরো বাড়ি গাড়ি দরকার।
স্যার একদিন আপনার বয়স হবে আর এই
শিক্ষা ব্যবস্হার
শিক্ষার্থীরা হবে দেশের মাথাঃ
কেউ ডাক্তার , কেউ ইন্জিনিয়ার ,
কেউবা মন্ত্রী।
ধরুনঃ
ডাক্তার আপনার
সর্দি হয়েছে বলে নাক
কেটে দিলো।কিংবা খাবার হজম
না হলে পাকস্হলীর সাথেকার
সংযোগ নালী কেটে দিলো।
কি হবে তখন ?
ইন্জিনিয়ার
বাড়ি বানালো যে বাড়িতে কোন
ওয়াশরুম পেলেন না।বাধ্য
হয়ে রাস্তায় ...
থাক কি হবে না ই বললাম।
অথবা আপনার মত আরো একজন
মন্ত্রী এসে বললেনঃ ষাটোধ্ধ কেউ
থাকবে না এই রাজ্যে।
মুহাহা !
কি গবুচন্দ্রের দেশে হবুচন্দের শাসনের
রম্যরুপকথা মনে হচ্ছে ?
না স্যার এর ষাড়
হবে না এরা শিখবে নিজের
গরজে শিখবে।
এরা ভালো ডাক্তার হবে ।
ভালো ইন্জিনিয়ার হবে ।
কিংবা মন্ত্রী ।
কিন্তু
গ্রেটেটস এমোং দ্যা গেট্রেটস ।
মানে সেরাদের
সেরা হতে পারবে না হয়তো।কারন
সেরা হওয়ার সময়টাতে অর্থ্যাত্
PSC
JSC
SSC
HSC
এসকল পরীক্ষায় আপনি প্রশ্ন সাপ্লাই
দিয়ে কেবল শেষের কমন
ওয়ার্ডটা অর্থ্যাত্ C
বা ছিঃ ছিঃ কুড়াচ্ছেন।
ওহ হ্যা ওপরের গল্পের মত ,
আপনার
হয়তো বা শিক্ষামন্ত্রী না হয়ে জোতিষী হওয়া উচিত।
ফেসবুক বন্ধের
চেষ্টা না করে নিজের মন্ত্রনালন
ঠিক করুন।
কারন
স্যার আপনি হয়তো জানেন নাঃ
ফেসবুক ছাড়াও আছে WHAT'S APP , VIBER
। আছে নানা প্রজাতির মেসেন্জার।
মনে রাখবেন মন্ত্রীসাহেবঃ
বাচ্চা কাচ্চারা ফেসবুক
দিয়ে ইন্টারনেট চালায় না,
ইন্টারনেট দিয়ে ফেসবুক চালায়।
বিঃদ্রঃ পোস্টটি মঙ্গলগ্রহের
পেক্ষাপটে লেখা।
বাস্তবে কাহারো সাথে মিলিয়া গেলে মঙ্গলগ্রহের
এলিয়েনরা দায়ী।
২টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা এবং "দি ম্যাট্রিক্স" এর নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যানে এদের ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ওয়াহিদুজ্জামান শামীম নামের এক যুবককে পিটিয়ে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

আপনার নাফসকে আচ্ছা করে টাইট দিন

লিখেছেন সত্যপথিক শাইয়্যান, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৭

মানুষের ভিতরে এমন একটি অংশ আছে, যা মানুষকে খারাপ কাজ করতে উদ্বুদ্ধ করে, খারাপ কাজের বুদ্ধি দেয়। ইসলামী পরিভাষায়, আমরা মানুষের এই অংশকে নফস বলি। আপনি খারাপ কাজ থেকে দূরে... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×