somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

প্রধান নির্বাচন কমিশনার

২৮ শে জানুয়ারি, ২০০৭ ভোর ৫:০৮
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

নিজ দায়িত্বে পড়ুন- উদ্ভুত আবেগের দায় আমার নয়- নিষিদ্ধ ঘোষিত হতে পারে হয়তো পড়ার জন্য আপনার গলায়ও পড়তে পারে জরুরী অবস্থার ফাঁস- তাই পাঠক সাবধান।

সংশয়বাদী অবস্থান আমার না। অনেক বিষয়েই নিশ্চিত সিদ্ধান্ত গ্রহনে সক্ষম আমি।বিশ্বাস করি বলেই নিশ্চিত হতে পারি। ইশ্বর যে মানুষের নির্মান, তিনি যে অস্তিত্বহীন একটা বুজরুকি এ বিষয়ে নিশ্চিত বিশ্বাসে বলতে পারলেও মশার কয়েলের বিজ্ঞাপনের ভেতরে যেভাবে দেখায়, মশার কয়েল ঠিক সেভাবেই মশা তাড়াতে সক্ষম এ বিষয়ে বিশ্বাস করতে চাই-
আমি বিশ্বাস করতে চাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের 2য় দল আসলেই নির্বাচনমুখী পদক্ষেপ নিবে।
মানবাধিকার ভয়ংকর এক বিলাসী ইসু্য, আমাদের সুশীল সমাজের চর্বিদার মহিলারা বিভিন্ন অজুহাতে অর্থ সাহায্য চান, তার একটা হলো জনসচেতনতা তৈরি-
পূর্বে জন্মনিয়ন্ত্রন ব্যবস্থা গ্রহনের একটা বৈশ্বিক তাগাদা ছিলো। এ বিষয়ে ব্যাপক অর্থও বরাদ্দ করেছিলো উন্নত বিশ্ব। তখন বাসায় বাসায় জন্মনিয়ন্ত্রন আপারা গিয়ে - আপা পিল খান, ভাইয়াকে বলবেন কনডোম ব্যাবহার করতে বলে মানুষের যৌনজীবনে আগ্রাসন শুরু করলো। লোক জন কিছু সময় পরে এসব মানতেও শুরু করলো। এ সময় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের অর্থায়নে প্রচারনা হতো। জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে সিনেমা হলে কনডোমের বিজ্ঞাপন হতো- টিভিতে আমার অন্যতম প্রিয় একটা জিঙ্গেল হলো -এই মায়া বড়ি খেলে- রাস্তার মোড়ে রাজা কনডোম আর মায়া বড়ি আর জন্মনিয়ন্ত্রনের বিজ্ঞাপন দেখতে দেখতে স্কুলে যাওয়া এবং ফিরে আসা। অবশ্য এখনও খুঁজলে সেসব মরচে পড়া সাইনবোর্ডের একটা দুইটা খুঁজে পাওয়া যাবে। এখন অবশ্য শুধু যৌনজীবনে আগ্রাসনেই সীমিত নেই তারা- বসতে দিলে শুতে চাওয়া মানুষ এখন যৌনাঙ্গে হাত দিয়েছে- প্রজননযন্ত্র নিয়ে নয় ছয় করছে- কুমারীর লাইগেশন করে ফেলছে- ছেলেদের বীচির রগ কাটছে- গিট্টু মেরে দিচ্ছে- ভ্যাসেকটমি করে লোলচর্মবৃদ্ধ হাসতে হাসতে লুঙ্গি নিয়ে যাচ্ছেন। যে বুড়ার কোমড়ও নড়ে না তাকেও স্টেচারে ধরে বেঁধে এনে ভ্যাসেকটমি করাচ্ছে- টার্গেট মিট করতে হবে।
সুশীল সমাজ ব্যাগ্র, দেশে গরীব উৎপাদন প্রক্রিয়া থামাতে হবে- সব শালা গরীবের ভ্যাসেকটমি করে ফেলো- আর সব গরীব মাগীদের লাইগেশন করে দাও- কোনো শালা গরীব জন্মাবে না, আর বিস্তর খেটে অপুষ্টিটে ভুগে আগামি 25 বছরে দেশ থেকে গরীবি হটে যাবে।

সেই বিদেশী হুজুগ থেমেছে এখন, এখন বাপু শিশুঅধিকারদিন। শিশু অধিকারের প্রচারনায় অর্থ বরাদ্দ চলছে তাই সুশীল সমাজের চর্বিদার গৃহীনিরা এখন শিশু অধিকার নিয়ে মাতামাতি করছেন।
শালার ভুল সময়ে জন্মের আক্ষেপ রয়েই গেলো। আমাদের শৈশবে শিশু অধিকার ছিলো- শিক্ষক এবং বাবা-মামা-চাচার কিল- চড়-ঘুষি-বেত আর বেলটের পিটুনির অধিকার- সেই সব খেয়ে খেয়েই- পেটে পিঠে অনবরত খেয়েও সয়ে গেলো- মানসিক বৃদ্ধি ব্যাহত হলো না- অবশ্য এখন হয়- বিজ্ঞাপনে দেখি।
হেডু আর বি এস সির সেই সর্ষে তেলচর্চিত চিকন জালি বেত এখন সাহিত্যের অংশ- ইতিহাসের মলিন পৃষ্টা।
প্রযুক্তির উন্নয়নে মাঝে মাঝেই আপডেটেড বানী আসে- নতুন অর্থ বরাদ্দ চলছে নারী অধিকার নিয়ে- নারীরা সম্মানিত- মায়ের জাত- অধিকার প্রশ্নেও দ্্বিমত নেই- এখন সামপ্রতিক অর্থ বরাদ্দ হচ্ছে বলেই এ ট্রেন্ড আছে বলেই এখন চর্বিদার গৃহীনিরা নারীঅধিকারজীবি।

বলা যায় না হয়তো ভবিষ্যতে কোনো এক দিন কোনো এক বিপ্লবি উন্মুক্ত স্বমেহন প্রাকৃতিক পরিবেশ পরিচ্ছন্ন করে এমন একটা বিষয়ে ব্যাপক অর্থ বরাদ্দ দিবেন- এটাই তখন ট্রেন্ড হয়ে গেলে ট্রেন্ডের সাথে বয়ে চলা আমাদের সুশীল গৃহীনিরা হাতা মারার শত সুফল প্রচারনা চালাবেন- সিনেমা শুরুর আগে প্রাকৃতিক পরিবেশে হাত মারার ট্রেলার দেখানো হবে- বলা যায় না হুমায়ুন আহমেদও অর্থ বরাদ্দ পেয়ে নতুন নাটিকা লিখবেন এবং পরিচালনা করবেন " হিমুরা জোৎস্না রাতে হাত মেরেছিলো"

প্রতি রাস্তার মোড়ে উঁচু বিলবোর্ডে স্বমেহনরত বলিষ্ট পুরুষের ছবি থাকবে স্বমেহন করুন পরিবেশ বাঁচান শ্লোগানসমেত। হয়তো সেই পুরুষের ছবি কারো কারো ভেতরে হীনমন্যতার জন্মও দিবে। যারা প্রতিযোগী মনোভাবের তারা হয়তো কে কার চেয়ে দ্্রুত বা দীর্ঘস্থায়ী বা কৌশলী বা উদ্ভাবনকুশল পন্থায় স্বমেহন করতে পারে এর একটা প্রতিযোগীতা করবে - এ প্রতিযোগীতার উপস্থাপিকা হবেন আবার ফারাজানা ব্রাউনিয়া- এ বিষয়ক সেমিনার হবে- গবেষণানিবন্ধ পাঠ হবে --

তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই গনমাধ্যমে প্রচারনার জন্য নয় আসলেই এই তত্ত্বাবধায়ক সরকার আন্তরিক ভাবেই নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ সৃষ্টি করবেন।
এন জি ও ঘারানার থেকে আমরা বিকল্প গনজাগরনের ধারনা পাই- এক কক্ষে 24 দিন 10 জনকে আটকে রেখে ধারাবাহিক সমপ্রচার করে যাওয়া রিয়ালেটি শো হবে ভবিষ্যত বিনোদন। মানুষ নতুনত্ব চাইতে চাইতে এখন কে কিভাবে জীবনযাপন করে জানতে চায়-
নিজস্ব ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা চায় 100% এবং অন্যের ব্যক্তিগত জীবনের ব্যাপারে তাদের কৌতুহল 16 আনা। প্রতিবেশীর সুন্দরি কন্যা কিংবা স্ত্র ী কি করছে এ বিষয়ে আগ্রহ চরম- চরম পিনিক জানতে পারা হাবু গাবু দুপুরে সেখানে আসে ঘন্টাখানেক কাটিয়ে যায়। রগরগে আলোচনা চলে- অবশেষে কল্পনা ডালপালা মেলে= ওদের তো শালা বংশই খারাপ পর্যন্ত যেতেও সময় লাগে না।
আমি বিশ্বাস করতে চাই নতুন তত্ত্বাবধায়ক সরকার এমন অর্থহীন খুনসুটি বা কুচুটি আলোচনা না করে গঠনমূলক আলোচনা করবেন নিজেদের ভেতর এবং আমাদের সুন্দর একটা নির্বাচন উপহার দিবেন।

থানায় চোরকে সিলিং এ বেঁধে পেটানো হয়েছে ফখরুদ্দিন সাহেব দোষি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে বলেছেন- একজন উপস্থাপক যখন এটার সাথে জরুরী অবস্থা ঘুঁটে বিদঘুটে বীভৎস একটা স্যালাইন গেলানোর চেষ্টা করলেন ভীষন বিব্রত হয়ে ভাবলাম- আমি কি খাই? সকালে নাস্তা করা হয় না- অনভ্যাস- তবে দুপুরেও ভাত খাই, রাতেও ভাতই খাই- সারা দিনমান হিসাব করে দেখলাম - দেখলাম স্মৃতি ঘেটে গত 1 মাস- গত 1 বছর- যতদুর যাওয়া যায় স্মৃতিচারণ করতে করতে ততদুর গিয়েও উদ্ধার করতে পারলাম না আদৌ কখনও ঘাস বিচলি ভুষি খড় আর ফলের বাকল আমার খাদ্য তালিকায় উপস্থিত ছিলো কি না? আমার ধারনা এখানে যতজন আসে- যতজন টিভি দেখে- তাদের অধিকাংশই আমার মতোই সর্বভূক- এরপরও যখন 3 আলোচক সম্মিলিত চাবে ফখরুদ্দিন সাহেবকে অতিমানব বানানোর চেষ্টা করছেন তখন সবাইকে টৃনভোজী ভাবার যে প্রবনতা তা আমাকে বিব্রত করে। যখন এ উদাহরনের সাথে জরুরি অবস্থার মানবাধিকার লংঘনকে একীভুত করছেন তারা- যখন বলছেন জরুরি অবস্থায় মানবাধিকার লংঘিত হলেও প্রধান উপদেষ্টা বিবেচক, মহানুভব,,সাদাশয়, সহৃদয়- মানাবাধিকার রক্ষা করেছেন- চোরদের সিলিং এ বেঁধে পেটানো অবশ্যই জরুরী অবস্থাজাত একটা বিষয়। অবশ্যই এ জরুরী অবস্থা ঘোষনার পরে চোরকে সিলিং এ বেঁধে পেটানোর যে রীতি প্রচলিত হয়েছে তাকে প্রধান উপদেষ্টা ঘৃণা করেন- তিনি বাংলাদেশ আবির্ভুত মানবাধিকার দেবদুত।
যদিও মানবাধিকার লংঘন প্রসঙ্গে জরুরী অবস্থাজাত উপাদানসমুহে এই চিত্র নেই এর পরও সাধারন জনগনকে তৃনভোজি ভাবা উচ্চশিক্ষিত সুশীল সমাজ এটাকে প্রচারনার পুঁজি ভেবেছেন। তাদের এই ইসু্যহীনতায় আমার করুনা হয়-
অবশ্যই আমি সুযোগ পেলেই ছেড়া প্যান্ট পড়ে প্রধান উপদেষ্টার সাথে দেখা করে বলবো জরুরী অবস্থার নিষ্পেষনে আমার প্যান্ট শতছিন্ন- উপদেষ্টা বিবেচক মানবাধিকারবাদী, তিনি নতুন একটা পয়ান্ট কিনে দেবেন আমাকে- আমার নিম্নাঙ্গের তত্ত্বাবধান করা সে আবরনের কথা প্রচারিত হবে গনমাধ্যমে- রাসেলকে আজ একটা পয়ান্ট কিনে দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা জরুরী অবস্থায় তার এই মহানুভবতা অনুকরনীয়--

ছুটি 2 দিন হবে কিংবা 1 দিন হবে- সেটা সপ্তাহের কোন দিন হবে এ নিয়ে আমার চিন্তা নেই- তবে এটা যে একটা জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয় তা আমি নিশ্চিত- 3টা চ্যানেলে সব মিলিয়ে 8 জন 1 ঘন্টা সাপ্তাহিক ছুটির দিন নির্ধারনে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের ভুমিকা এবং তাদের সাম্ভাব্য অবদান রাখার সুযোগ এবং বিবেচনার কথা বলেছেন।
এরশাদ সাহেব এসে সাপ্তাহিক ছুটির দিন বদলে ছিলেন, এখনও মনে পড়ে, মনে পড়ে তার আগমনে জরুরী অবস্থা ঘোষিত হয়েছিলো- মনে পড়ে তার সদাহাস্যোজ্জল মুখ, বিভিন্ন সড়ক, সেতু উদ্্বোধন- দৃশ্যমান উন্নতির চিত্রময় কাব্য প্রচারনায় টার স্বশসীর উপস্থিতি- তার মসজিদগমন তারা ধর্মপ্রাণতা-
জনগনের বাহবা পাওয়ার বিভিন্ন তরিকা উদ্ভাবন, উন্নয়ন বটিকা প্রদানের সেই অনন্য উদ্যোগ নতুন সাজে ফিরে এসেছে। এরশাদ সাহেব স্বৈরাচারী ছিলেন, তার গ্রহনযোগ্যতা বাড়ানোর একটা প্রচেষ্টা ছিলো তার এই আচরন।
জলপাই বাগানে বেড়ে ওঠা সবার ভেতরেই একটা সস্তা বাহবা পাওয়ার প্রবণতা সমভাবেই বিদ্যমান। নেপথ্যে না কি জলপাই বুড়োরা এখন- অবশ্য প্রচারনা কৌশল দেখলেও এমনটাই মনে হয়- আরও মাস খানেক দিলেই বিভিন্ন ভিত্তিপ্রস্তর উদ্্বোধন মিছিলে 11 জনকেই হাত নাড়তে দেখা যাবে ক্যামেরার দিকে এ বিষয়টা বোধ হয় সাম্ভাব্য সত্য।
প্রায় 600 কোটি টাকার ভোটার তালিকা বানিজ্যের মুনাফাভোগী প্রতিষ্ঠান কে হবে আমি জানি না- তবে আমি বিশ্বাস করতে চাই
অবশ্যই ভোটার তালিকা হবে- নির্বাচন হবে- এবং গনপ্রতিনিধিরা অবশ্যই সংসদে যাবে এ বছরেই- তারাই উন্নয়ন বাজেট প্রণয়ন করবে।

নির্বাচিত সাংসদদের দায়বদ্ধতা আছে- এই 11 জনের কোনো দায়বদ্ধতা নেই - জনগনের প্রতি জবাবদিহিতার কোনো প্রয়োজনও তাদের নেই- অকার্যকর একটা ব্যাবস্থার জন্য রাজনৈতিক দলগুলো নাক কান ম'লে আবার সংবিধান থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার অধ্যাদেশ মুছে ফেলার আন্দোলন করবে- তবে বিরাজমান পরিস্থিতি যা তাতে হয়তো প্রথম সর্বদলীয় ঐক্যের রাজনৈতিক আন্দোলন হবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের দাবীতে-
আমি বিশ্বাস করতে চাই- সর্বপ্রথমে একজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হবে।।
সর্বশেষ এডিট : ৩১ শে ডিসেম্বর, ১৯৬৯ সন্ধ্যা ৭:০০
৮টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

কবিতাঃ ইলিশ

লিখেছেন ইসিয়াক, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ ভোর ৬:২৬


ইলিশ!ইলিশ!! রূপালী ইলিশ, কোথায় তোমার দেশ? 
ভোজন রসিকের রসনায় তুমি তৃপ্তি অনিঃশেষ। 

সরষে- ইলিশ, ইলিশ-বেগুন আরও নানান পদ
যেমন তেমন রান্না তবুও খেতে দারুণ সোয়াদ

রূপে তুমি অনন্য ঝলমলে ও চকচকে।
যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।

লিখেছেন রাবব১৯৭১, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ৮:০৯

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প শেখ হাসিনার অবদান।
শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশে গত এক দশকে ব্যাপক উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে, যা দেশের অর্থনীতি ও মানুষের জীবনমান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। এর মধ্যে... ...বাকিটুকু পড়ুন

অদৃশ্য ছায়া: সমুদ্রের সাক্ষী

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ সকাল ১১:৪৬



ঢাকার বনানীর সেই ক্যাফেতে বৃষ্টির শব্দ এখন আরও তীব্র। আরিয়ান তার কফির মগে আঙুল বোলাচ্ছিল, তার চোখ দুটো ক্লান্ত কিন্তু তীক্ষ্ণ। সাঈদের দিকে তাকিয়ে সে নিচু গলায় বলতে শুরু করল,... ...বাকিটুকু পড়ুন

'মানবাধিকার' (অণু গল্প)

লিখেছেন আবু সিদ, ২৯ শে এপ্রিল, ২০২৬ দুপুর ১২:২৪

'মানবাধিকার' একটা এনজিও। তারা বিদেশী সহায়তা নিয়ে মানুষ, বন্যপ্রাণী ও পরিবেশ সুরক্ষায় কাজ করে। আজ তারা একটা বড় সমাবেশ করছে প্রেসক্লাবে। সমাবেশে সাংবাদিকসহ নানান পেশার মানুষ অংশ নিয়েছে। টিভি সাংবাদিকেরা... ...বাকিটুকু পড়ুন

শুধু দ্বিতীয় রিফাইনারি (ERL-2) টা করে দেখান , সবার মুখ বন্ধ হয়ে যাবে !

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ৩০ শে এপ্রিল, ২০২৬ রাত ১২:৫০


গতকাল নাটকীয়তায় ভরা একটা দিন আমরা পার করলাম । রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের উদ্বোধনকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন ঝড় বয়ে গেল। পুরো সোশ্যাল মিডিয়া যেন দুই ভাগে ভাগ... ...বাকিটুকু পড়ুন

×