somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

পোস্টটি যিনি লিখেছেন

জুল ভার্ন
এপিটাফ এক নিঃশব্দ প্রচ্ছদে ঢাকা আছে আমার জীবনের উপন্যাস...খুঁজে নিও আমার অবর্তমানে...কোনো এক বর্তমানের মায়াবী রূপকথায়।আমার অদক্ষ কলমে...যদি পারো ভালোবেসো তাকে...ভালোবেসো সেই অদক্ষ প্রচেষ্টা কে,যে অকারণে লিখেছিল মানবশ্রাবণের ধারা....অঝোর

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

ফেসবুক অ্যাক্টিভ মানেই- অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট নয়।

বর্তমান ডিজিটাল যুগে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ একটি বহুল ব্যবহৃত পরিচয়। সামাজিক এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে এই পরিচয়ের কদর দিন দিন বাড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে- ফেসবুকে নিয়মিত পোস্ট দেওয়া, ছবি আপলোড করা, লাইক-কমেন্ট করা কিংবা অন্যের পোস্ট শেয়ার করলেই কি কেউ অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হয়ে যান?
মোটেই না। ফেসবুকে সক্রিয় থাকা আর 'অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট' হওয়া এক বিষয় নয়।

সোশ্যাল মিডিয়া একটি মাধ্যম, আর অ্যাক্টিভিজম একটি সচেতন, উদ্দেশ্যনির্ভর ও দায়িত্বশীল কর্মকাণ্ড। মাধ্যমটি ব্যবহার করলেই কেউ অ্যাক্টিভিস্ট হয়ে যান না; ঠিক যেমন হাতে মাইক্রোফোন থাকলেই কেউ বক্তা হন না, কিংবা ক্যামেরা থাকলেই কেউ সাংবাদিক হয়ে যান না।
একজন প্রকৃত অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের কাজ শুধু নিজের মতামত প্রকাশ করা নয়; বরং তথ্য, যুক্তি, বিশ্লেষণ ও পরিকল্পিত প্রচারণার মাধ্যমে জনমত তৈরি করা, মানুষকে সচেতন করা এবং প্রয়োজনে সামাজিক বা রাজনৈতিক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখা।

একজন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের ন্যূনতম যোগ্যতা কী হওয়া উচিতঃ
(১) বিষয়ভিত্তিক জ্ঞান ও রাজনৈতিক সচেতনতাঃ
আপনি যে বিষয়ে প্রচারণা চালাবেন, সে বিষয়ে আপনার ন্যূনতম জ্ঞান থাকতে হবে। রাজনীতি নিয়ে লিখলে সংবিধান, ইতিহাস, রাজনৈতিক দর্শন, রাষ্ট্রব্যবস্থা ও সমসাময়িক ঘটনাবলি সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। মানবাধিকার নিয়ে লিখলে অধিকার, আইন ও নাগরিক স্বাধীনতার মৌলিক বিষয়গুলো জানতে হবে।
শুধু আবেগ দিয়ে সাময়িক উত্তেজনা তৈরি করা যায়; কিন্তু জ্ঞান ছাড়া দীর্ঘমেয়াদি বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করা যায় না।

(২) তথ্য যাচাই ও বিশ্লেষণী ক্ষমতাঃ
কোনো একটি পোস্ট দেখে, কারও বক্তব্য শুনে কিংবা একটি স্ক্রিনশট, ফটোকার্ড পেয়েই সেটিকে সত্য ধরে প্রচার করা দায়িত্বশীলতা নয়। তথ্যের উৎস, প্রেক্ষাপট, সময় ও সত্যতা যাচাই করতে হবে।
মনে রাখতে হবে, মিথ্যা তথ্য একজন সাধারণ ব্যবহারকারী শেয়ার করলে সেটা ব্যক্তিগত ভুল হতে পারে; কিন্তু একজন প্রভাবশালী অ্যাক্টিভিস্টের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা বৃহত্তর জনমতকে বিভ্রান্ত করতে পারে।

(৩) লেখার দক্ষতা ও যুক্তি উপস্থাপনের ক্ষমতাঃ
ভালো অ্যাক্টিভিস্ট মানেই বড় বড় শব্দ ব্যবহারকারী কিংবা দীর্ঘ পোস্ট লেখক নন। অল্প কথায় জটিল বিষয় ব্যাখ্যা করা, তথ্যের সঙ্গে যুক্তির সংযোগ তৈরি করা এবং প্রতিপক্ষের বক্তব্যের অসংগতি তুলে ধরার দক্ষতা থাকতে হয়।
গালাগালি, ব্যক্তিগত আক্রমণ, বিদ্রূপ কিংবা আবেগনির্ভর স্লোগান দিয়ে সাময়িক হাততালি পাওয়া যায়; কিন্তু যুক্তিনির্ভর বক্তব্য দিয়ে মানুষের চিন্তাকে প্রভাবিত করা যায়।

(৪) ডিজিটাল দক্ষতা ও সাইবার নিরাপত্তাঃ
সোশ্যাল মিডিয়ার অ্যালগরিদম, কনটেন্টের উপস্থাপন, ছবি-ভিডিওর সত্যতা যাচাই, তথ্যসূত্র ব্যবহার এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা সম্পর্কে ধারণা থাকা প্রয়োজন। আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করাও ইতিবাচক দক্ষতা হতে পারে- যদি তা তথ্য যাচাই ও নিজস্ব চিন্তার বিকল্প না হয়ে সহায়ক হয়।

(৫) নৈতিকতা ও দায়িত্ববোধঃ
একজন অ্যাক্টিভিস্টের সবচেয়ে বড় সম্পদ তার বিশ্বাসযোগ্যতা। তাই উদ্দেশ্য মহৎ হলেও মিথ্যা, বিকৃত তথ্য, ব্যক্তিগত গোপনীয়তা লঙ্ঘন কিংবা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
নিজের দল-মতের ভুল হলে তা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সাহস, প্রতিপক্ষের সঠিক বক্তব্য স্বীকার করার মানসিকতা এবং ভুল তথ্য ছড়ালে তা সংশোধন করার সততাও একজন দায়িত্বশীল অ্যাক্টিভিস্টের পরিচয়।

(৬) ধারাবাহিকতা, ধৈর্য ও প্রতিকূলতা মোকাবিলার ক্ষমতাঃ
অ্যাক্টিভিজম কোনো মৌসুমি পেশা কিংবা সুবিধা পাওয়ার সিঁড়ি নয়। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে সরব হওয়া, আর প্রতিকূল সময়ে নীরব হয়ে যাওয়া- ধারাবাহিক সক্রিয়তার প্রমাণ নয়।
বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয় দীর্ঘদিনের কাজ, অবস্থানের ধারাবাহিকতা এবং চাপের মুখেও নীতিগত অবস্থান বজায় রাখার মধ্য দিয়ে।

(৭) সাংগঠনিক সমন্বয় ও কৌশলগত চিন্তাঃ
অনলাইন অ্যাক্টিভিজম মানে শুধু নিজের টাইমলাইনে লেখালেখি নয়। কোন বক্তব্য কার কাছে পৌঁছাতে হবে, কোন তথ্য কীভাবে উপস্থাপন করতে হবে, কখন প্রতিবাদ জানাতে হবে এবং কীভাবে জনসচেতনতা থেকে বাস্তব উদ্যোগে পৌঁছাতে হবে- এসব বিষয়ে কৌশলগত চিন্তা থাকা প্রয়োজন।
সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত থাকাই যোগ্যতার একমাত্র মাপকাঠি নয়। স্বাধীনভাবে তথ্য বিশ্লেষণ, নিজস্ব বিবেক অনুযায়ী অবস্থান নেওয়া এবং প্রয়োজনে সংগঠনের ভুলের সমালোচনা করাও গুরুত্বপূর্ণ।

(৮) জনপ্রিয়তা ও যোগ্যতার পার্থক্য বোঝাঃ
অনুসারীর সংখ্যা, পোস্টের রিচ, লাইক-কমেন্ট কিংবা ভাইরাল হওয়ার ক্ষমতা একজন মানুষের ডিজিটাল জনপ্রিয়তা নির্দেশ করতে পারে। কিন্তু এগুলো তার জ্ঞান, সততা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা কিংবা রাজনৈতিক প্রজ্ঞার প্রমাণ নয়।
কারোর লাখো অনুসারী থাকতে পারে, কিন্তু তার বক্তব্য তথ্যহীন হতে পারে। অন্যদিকে, অল্পসংখ্যক পাঠকের কাছে পৌঁছানো একজন চিন্তাশীল মানুষও গুরুত্বপূর্ণ জনমত তৈরিতে অবদান রাখতে পারেন।

(৯) আত্মসমালোচনা ও জবাবদিহিতাঃ
প্রকৃত অ্যাক্টিভিস্ট শুধু অন্যের ভুল ধরেন না; নিজের ভুলও সংশোধন করেন। তিনি প্রশ্নের উত্তর দেন, যুক্তির মুখোমুখি হন এবং ভিন্নমতকে শত্রুতা হিসেবে বিবেচনা করেন না।
যিনি শুধু প্রশংসা গ্রহণ করেন, সমালোচনা সহ্য করতে পারেন না এবং প্রতিটি প্রশ্নকে ষড়যন্ত্র মনে করেন, তাঁর সক্রিয়তা থাকলেও দায়িত্বশীল অ্যাক্টিভিজমের ঘাটতি থেকে যায়।

এবার আসল প্রসঙ্গে আসি।
আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে কাউকে কাউকে ‘অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট’ হিসেবে পরিচিত করা হয়, গুরুত্ব দেওয়া হয়। কিন্তু তাঁদের কাজের মান, জ্ঞান, তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা, লেখার দক্ষতা, রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও নৈতিকতার মূল্যায়ন কতটা করা হয়?
কেউ দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে সক্রিয় থাকলেই যে তাঁর বিশ্লেষণ পরিণত হয়েছে, তথ্যভিত্তিক হয়েছে কিংবা রাজনৈতিক দূরদর্শিতা তৈরি হয়েছে, তা ধরে নেওয়ার সুযোগ নেই।

★মনে রাখতে হবে, সক্রিয়তা একটি অভ্যাস; অ্যাক্টিভিজম একটি দায়িত্ব। জনপ্রিয়তা একটি পরিমাপ; যোগ্যতা একটি অর্জন। আর পরিচয় দাবি করা সহজ, সেই পরিচয়ের মর্যাদা রক্ষা করা কঠিন।

অবশ্যই, সব অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের মধ্যে সব ধরনের দক্ষতা সমানভাবে থাকবে- এমনটা না। কেউ লেখায় ভালো, কেউ গবেষণায়, কেউ প্রযুক্তিতে, কেউ সাংগঠনিক কাজে। কিন্তু তথ্যের প্রতি সততা, ন্যূনতম বিষয়জ্ঞান, দায়িত্বশীলতা ও শেখার মানসিকতা- এই মৌলিক মানদণ্ডগুলো উপেক্ষা করার সুযোগ নেই। বিশেষ করে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কে কত বেশি নেতাদের সাথে নানান ভংগিমায় ছবি তুলে ভাই, চাচা, মামা, খালু পরিচয় দিয়ে পোস্ট করে নিজেকে নেতাদের অত্যন্ত ঘনিষ্ট এবং গুরুত্বপূর্ণ একজন প্রমাণ করতে পোস্ট করেন, কে কত বেশি নেতার প্রশংসায় সরব- এসব দিয়ে অনলাইন কর্মীর মূল্যায়ন করা হলে প্রকৃত মেধা, বিশ্লেষণী ক্ষমতা ও দায়িত্বশীল কণ্ঠগুলো আড়ালে পড়ে যেতে পারে।

দলীয় আনুগত্য গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু আনুগত্যের নামে তথ্যহীনতা, অন্ধ প্রশংসা কিংবা সমালোচনাহীন পরিবেশ তৈরি করা কোনো রাজনৈতিক দলের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থ রক্ষা করে না।
তাই কাউকে অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট হিসেবে প্রোমোট করার আগে তাঁর অনুসারীর সংখ্যা নয়, কাজের মান দেখুন; পোস্টের পরিমাণ নয়, বক্তব্যের গভীরতা দেখুন; স্লোগানের তীব্রতা নয়, যুক্তির শক্তি দেখুন; আর দলীয় আনুগত্যের পাশাপাশি সততা, বিবেক ও দায়িত্ববোধের পরিচয়ও যাচাই করুন।

প্রশ্নটি কে কত পোস্ট করেন, তা নয়। প্রশ্ন হলো- তাঁর পোস্ট মানুষকে কতটা সচেতন করে, কতটা সঠিক তথ্য দেয়, কতটা চিন্তা করতে শেখায় এবং বাস্তব পরিবর্তনে কতটা ভূমিকা রাখে।

অনলাইন অ্যাক্টিভিস্টের পরিচয় পদক নয়, দায়িত্ব। এটি বিশেষ সুবিধা পাওয়ার সনদ নয়, বরং জনসমক্ষে নিজের বক্তব্য ও আচরণের জন্য জবাবদিহি করার অঙ্গীকার।
আসুন, ব্যক্তিকে নয়- যোগ্যতাকে মূল্যায়ন করি। জনপ্রিয়তাকে নয়- বিশ্বাসযোগ্যতাকে গুরুত্ব দিই। অন্ধ অনুসরণ নয়- যুক্তিনির্ভর রাজনৈতিক চর্চাকে উৎসাহিত করি।
কারণ, একটি রাজনৈতিক দলের ডিজিটাল শক্তি শুধু তার কর্মীদের সংখ্যায় নয়; বরং তাঁদের জ্ঞান, সততা, চিন্তার গভীরতা ও দায়িত্বশীলতার মানেও নির্ধারিত হয়।

সর্বশেষ এডিট : ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ২:১৩
২টি মন্তব্য ২টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

মক্কা থেকে বদর: মুসলিম ভ্রাতৃত্বের ভূরাজনীতি

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১২:৪৫


মুসলিম বিশ্বে ঐক্যের নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। অন্তত চুক্তিগুলোর নাম শুনলে তেমনটাই মনে হয়। মক্কা ও বদর। মুসলিম ইতিহাসের দুটি পরিচিত নাম। নাম শুনে মনে হতে পারে, বহুদিনের বিভেদ... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধর্মোন্মাদদের কল্পিত বাস্তবতা: "দি ম্যাট্রিক্স" এবং নীল বড়ি

লিখেছেন শ্রাবণধারা, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১:১৭


বাংলাদেশ ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গিদের কবলে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধম্যের কল্যানে এই ধর্মোন্মাদনা দাবানলের মতো সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ছে।

ধর্ম অবমাননার অভিযোগ তুলে, কদিন আগে সাতক্ষীরায় একদল ধর্মোন্মাদ ও জঙ্গি ওয়াহিদুজ্জামান শামীম... ...বাকিটুকু পড়ুন

যারা ব্রয়লার মুরগী খায় তারা সমকামী

লিখেছেন সৈয়দ কুতুব, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩


ওয়াজ শোনেন অথচ মুফতি কাজী ইব্রাহিম হুজুরকে চেনেন না, এমন মানুষ বাংলাদেশে খুব কমই আছেন। হুজুরের আরেকটি বড় পরিচয় হলো, তিনি করোনার ওষুধ স্বপ্নে পেয়েছেন বলে দাবি করেছিলেন। হুজুর... ...বাকিটুকু পড়ুন

শেইপ শিফটার ৩ - মাছ কন্যা

লিখেছেন হুমায়রা হারুন, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ বিকাল ৫:১৯


২০১১ এর দিকে নর্থ –ইয়র্কে থাকাকালীন রুমার বাসার আশেপাশে তেমন কোন বাঙালি দোকান ছিল না ।সেই টরোন্টর নামকরা চাইনিজ সুপারমার্কেট –টা বেশ দূরে। পায়ে হেঁটে যাওয়ার পথ নয়।... ...বাকিটুকু পড়ুন

যে পথ ধরে রথো রাফি হেঁটে যেতেন: চলে গেলেন ব্লগার রাফি

লিখেছেন শরৎ চৌধুরী, ২২ শে অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:০৩

কবি, ব্লগার ও অনুবাদক রথো রাফির স্মরণ
রথো রাফি ব্লগ
রথো রাফি আর নেই—সত্যটি মেনে নেওয়া ভীষণ কঠিন। একজন মানুষের চিরপ্রস্থানের পর আমরা কেবল তার শারীরিক অনুপস্থিতিই টের পাই না, বরং গভীরভাবে... ...বাকিটুকু পড়ুন

×