somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

সাংবাদিকঃ একজন চরিত্রহীন,স্বার্থপর মানুষ!

১১ ই নভেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:১২
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :

কাজিনের সমন্ধ এসেছে। সম্প্রতি পাত্রপক্ষ পাত্রী দেখে গিয়েছে এবং জানিয়েছে- পাত্রী তাদের পছন্দ হয়েছে। এবার পাত্রী পক্ষের পছন্দ হলেই ফাইনাল। সামনের সপ্তাহে'ই বিয়ে। খাল ফোনকলে এসব বলছিলেন। পাত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে, বললেন- পাত্র নামকরা সাংবাদিক। সাথে ব্যবসাও আছে। শুনে কিছুটা খারাপ লাগছিলো। ইদানিং সাংবাদিক শব্দ'টার প্রতি আমার একধরনের বিরক্তি কাজ করে। সাংবাদিক মাত্রই যেনো চাটুকার, দালাল চরিত্রের স্বার্থপর ধুরন্ধর একজন ব্যক্তি। যে সচেতন চিত্রে সমাজ, দেশ ও জাতির ক্ষতি করে। সাংবাদিক সম্পর্কে আমার এই নেতিবাচক ধারনা জন্মানোর যথেস্ট কারণ আছে। লক্ষ করলে দেখবেন, আমাদের দেশের সংবাদপত্রগুলো সবসময় ক্ষমতাসীনদের পক্ষে অবস্থান নেয়। ক্ষমতাসীনদের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য ক্ষমতাসীনদের চাপের চাইতে তাদের নিজেদের স্বার্থই বেশি কাজ করে।

দুঃখজনক হলেও সত্য, আমাদের দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপর'ই নিজেদের স্বার্থে আমাদের মিডিয়া 'চাটুকার এবং দালাল' এই দুটি শ্রেণীতে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। ৭৫ পূর্ববর্তী এবং পরবর্তী সংবাদপত্রগুলো পরোক্ষভাবে বঙ্গবন্ধু হত্যার পরিবেশ তৈরি করতে ভূমিকা রেখেছে। (দালাল শ্রেণীর সংবাদপত্রগুলো পাকিস্তান, সি.আই.এ'র হয়ে কাজ করেছে আর চাটুকারশ্রেণী করেছে চাটুকারিতা। তাদের এসব কর্মকাণ্ড তৎকালীন সরকারের সিদ্ধান্তে প্রভাব ফেলেছে।)

বঙ্গবন্ধু হত্যার পর যারা দেশ পরিচালনা করেছেন তাদের কেউই দেশের অর্থনৈতিক মুক্তি নিয়ে বৃহৎ পরিসরে কাজ করেন নি বা কোনপ্রকার প্লান পরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হয়ন নি। তাই পুজিবাদি রাস্ট্রগুলোও এইদেশ নিয়ে তেমন মাথা ঘামানোর প্রয়োজন মনে করেনি বা করছে না। ফলে দালাল না বাড়লেও চাটুকার মিডিয়ার সংখ্যা ব্যাঙ্গের ছাতার মতো বাড়ছে। তারা ক্ষমতাসীনদের সুনজরের আশায় পেশাদারিত্ব ভুলে প্রকৃত সত্য গোপন করছে, সমালোচনা থেকে বিরত থাকছে, এবং নির্লজ্জের মতো সরকারের পক্ষে অবস্থান নিচ্ছে।

সাংবাদিক শব্দটা শুনলে এখন নেগেটিভ চরিত্রের মানুষদের প্রতিচিত্র ভেসে ওঠে।
সর্বশেষ এডিট : ১১ ই নভেম্বর, ২০১৮ ভোর ৬:১৩
৮টি মন্তব্য ৮টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

আজকাল বিবাহযোগ্য নারী-পুরুষ যে কারণে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে ভয় পায়

লিখেছেন এমএলজি, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১২:৩৪

বছর দশেক আগের কথা। আমি তখন কানাডায় ব্যবসারত অস্ট্রেলিয়ান এক ইঞ্জিনিয়ারিং ফার্মে সিনিয়র স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করি। আমার এক সহকর্মী ছিলেন যার বয়স কমবেশি ৪৫ বছর। বেশ ভালো... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

লিখেছেন নতুন নকিব, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ৯:৩৬

গভীর রাতের যে আহ্বান পাল্টে দেয় জীবন

ছবি অন্তর্জাল থেকে নেওয়া।

ভূমিকা: এক ফাঁকা রাতের গল্প

রাত গভীর হয়ে গেছে। ঘড়ির কাঁটা তিনটার ঘরে। ঘরের সবাই ঘুমে আচ্ছন্ন, পুরো বাড়িতে নিস্তব্ধতা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

সীমান্তের সুলতান

লিখেছেন শাম্মী নূর-এ-আলম রাজু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ সকাল ১০:৫৬



টেকনাফ মডেল থানার ভেতরের খাস কামরা। এসি চলছে তীব্র গতিতে, কিন্তু বাতাসে এক ধরনের ভারী, ভয়ের গন্ধ। টেবিলের ওপাশে দুই হাত জোড় করে কাঁপছে এক স্থানীয় বাসিন্দা।... ...বাকিটুকু পড়ুন

রুবা

লিখেছেন রানার ব্লগ, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ দুপুর ১২:১২




শ্রাবনের প্রথম দিন । এই সময়ে আকাশ তার দুই রকম চরিত্রে দেখা দেয় । পেট ভড়া মেঘ নিয়ে পশ্চিম কোন ঝুলে থেকে আবার পূবকোনে ঝলমলে সুর্যের দেখা মেলে ।... ...বাকিটুকু পড়ুন

গভীর ক্রন্দন

লিখেছেন রূপক বিধৌত সাধু, ১৬ ই জুলাই, ২০২৬ রাত ১১:৫৮


মেম্বার বাড়ি আর সরকার বাড়ির শত্রুতা দীর্ঘদিনের। জমিজমা লইয়া আজ এমন একখানি ঘটনা ঘটিয়া যাইবে, কেহ বোধহয় কল্পনাও করিতে পারেন নাই।

সকাল আটটায় কাঠের ব্যাপারী খসরু আসিয়া হাজির। দলিল লেখক আবু... ...বাকিটুকু পড়ুন

×