ভাবছি বসে বসে-
রমজানের ঐ চাঁদখানি যে আবার এলো হেসে।
কৈশোরে এই চাঁদটি এসে বলতো কানে কানে,
'আসছে রে তোর আনন্দ দিন মাতবি গানে গানে'।
কয়টি গেলো, কয়টি আছে, হিসেব করি রোজ,
রোজার থেকে বড় হতো ঈদের দিনের খোঁজ।
ভাবছি বসে বসে-
রমজানের ঐ চাঁদখানি যে আবার এলো হেসে।
বসন্তের সেই সুর-
কাঁপিয়ে যেতো চঞ্চলতায়, সে কি সুমধুর!
রমজানের ঐ চাঁদের সাথে হাসতো যুবক প্রাণ,
রোজার সুধা পান করিতাম নিত্য অফুরান।
পবিত্রতার পরশ পেয়ে উঠতো এ মন নেচে,
চেতন মাঝে আনন্দতা ছড়িয়ে দিতো কে যে?
ভাবছি বসে বসে-
রমজানের ঐ চাঁদখানি যে আবার এলো হেসে।
শেষ বেলারই ডাক-
স্তব্ধ হলো উথাল-পাথাল খরস্রোতার বাঁক।
শেষের দিনের বাঁশি বাজে দূরের গহীন বনে,
আর পাবো কি এমন রোজা, ভাবছি মনে মনে।
রোজা পেয়ে পাপের রাশি করছে না যে দূর,
আখেরাতের জীবন যে তার দূঃখে ভরপুর।
ভাবছি বসে বসে-
রমজানের ঐ চাঁদখানি যে আবার এলো হেসে।
ওরে, মুমিন ভাই!
শুদ্ধ হতে সিয়াম থেকে বড়ো কিছুই নাই।।
এমন দিবস পেয়ে যে জন করলো না পাপ নাশ,
ত্রিভুবনে সেইতো দুঃখী, তারই সর্বনাশ।
সিয়াম দিনের পবিত্রতা এসো রাখি ঘরে,
চোখে-মুখে-হস্তে-পদে বিনীত অন্তরে।
ভাবছি বসে বসে-
রমজানের ঐ চাঁদখানি যে আবার এলো হেসে।
০৭/০৬/২০১৫
মিরপুর, ঢাকা।
০১ রমজান, ১৪৩৭।

সর্বশেষ এডিট : ১৩ ই জুন, ২০১৬ সন্ধ্যা ৭:৪৭

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



