somewhere in... blog
x
ফোনেটিক ইউনিজয় বিজয়

 জয়ে শুরু বাংলাদেশের

১৪ ই ডিসেম্বর, ২০১০ বিকাল ৫:১৭
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :


ছবি: জিতল বাংলাদেশ, উড়ল পতাকা। কাল কক্সবাজার জেলা স্টেডিয়ামে শ্রীলঙ্কাকে হারানোর পর
কক্সবাজার জেলা স্টেডিয়ামের তিনটি গ্যালারি। এর আশপাশে সবুজঘেরা গাছগাছালি। একটু দূরেই নির্মাণাধীন ভবন। ভবনের ছাদে বসা অসংখ্য দর্শক। শুধু এটাই নয়, আশপাশের ভবনের ছাদ, গাছের ডাল, স্টেডিয়ামের প্রাচীরের ওপরও তিল ধারণের জায়গা ছিল না। প্রথম সাফ মহিলা ফুটবলের স্বাগতিক বাংলাদেশের খেলা দেখার অধীর অপেক্ষায় ছিল কক্সবাজারবাসী। তাদের হতাশ করেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারাল ২-০ গোলে। সুইনু প্রু ও সাবিনা করেছেন গোল দুটি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গত এসএ গেমসেও ২-০ গোলেই জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই জয়ের স্মৃতি বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছিল। মাঠে নামার আগে দলের খেলোয়াড়দের মুখে ছিল ভালো ফুটবল উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। স্কোরলাইন বড় হয়নি, তবে বলা যায়, প্রতিশ্রুতি কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পেরেছে তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা বাদ দিলে পুরো ম্যাচেই আক্রমণাত্মক খেলেছে বাংলাদেশ। ওই সময়ের অগোছালো মাঝমাঠটা মনে করিয়ে দিচ্ছিল গত সেপ্টেম্বরের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইপর্বকে। ওই টুর্নামেন্টে প্রথমার্ধে দারুণ খেলা বাংলাদেশ প্রতিটি ম্যাচেই ভেঙে পড়ত দ্বিতীয়ার্ধে। তিন ম্যাচে তাই হজম করতে হয় ১৮ গোল। মনে হলো সেখান থেকে অনেকটাই বেরিয়ে এসেছে এই দল। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইয়ে পুরোনো রোগের ওষুধ কিছুটা হলেও দিতে পেরেছেন কোচ গোলাম রব্বানি (ছোটন)।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যাওয়া বাংলাদেশ প্রথম গোলটা পায় ১১ মিনিটে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে অম্রার বাড়িয়ে দেওয়া বলে বাঁ প্রান্ত থেকে কোনাকুনি শটে গোল করেন সুইনু প্রু। তবে প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোলসংখ্যা বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। ৭৬ মিনিটে জয় নিশ্চিত করা দ্বিতীয় গোলটি করেন সাবিনা। মাঝমাঠ থেকে টেনে নিয়ে শ্রীলঙ্কার ডিফেন্ডার কাথি মালিকাকে কাটান, এরপর ওয়ান-টু-ওয়ান পরিস্থিতিতে গোলরক্ষক শিহানিকে ডজ দিয়ে গোল করেন বাংলাদেশের এই স্ট্রাইকার।
জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে পেরে দারুণ খুশি কোচ গোলাম রব্বানি, ‘মেয়েদের যেভাবে বলেছিলাম সেভাবেই খেলেছে। ওদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি। ওদের আগেই বলেছিলাম যে এ ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই।’ অধিনায়ক তৃষ্ণা চাকমা জয়ের কৃতিত্ব দিলেন পুরো দলকে, ‘এই জয় আমাদের দলীয় সাফল্যের ফল। সবাই ভালো খেলেছে।’ পুরো ম্যাচে দাপটের সঙ্গে খেলা সাবিনা জানালেন, ‘এর আগেও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছি। তাই আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম ওদের বিপক্ষে জিতব। এখন ভুটানকে নিয়ে বেশি ভাবছি না। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য ভারতের বিপক্ষে জয়।’ বাংলাদেশের কাছে হারের জন্য মাঠটাকে দুষলেন শ্রীলঙ্কার কোচ চামিন্ডা নেইল স্টেনমোর, ‘মাঠটা আন্তর্জাতিক মানের নয়। এ জন্য আমাদের দুজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় দিকি কুলাতেঙ্গা ও দিপথী ফার্নান্ডো ইনজুরিতে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ওদের তুলে নিতে হয়েছে।’ খেলা শেষে দিপথীকে স্থানীয় সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সম্ভবত তাঁর বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
বাংলাদেশ: সাবিনা আক্তার, তৃষ্ণা, ফারহানা, সুরভি, খালেদা, নিশুচিং (বীথি), সুইনু (রুপালী), মাইনু, জাহানারা, সাবিনা খাতুন, অনু চিং।
আজকের খেলা
পাকিস্তান-মালদ্বীপ, নেপাল-আফগানিস্তান
কক্সবাজার জেলা স্টেডিয়ামের তিনটি গ্যালারি। এর আশপাশে সবুজঘেরা গাছগাছালি। একটু দূরেই নির্মাণাধীন ভবন। ভবনের ছাদে বসা অসংখ্য দর্শক। শুধু এটাই নয়, আশপাশের ভবনের ছাদ, গাছের ডাল, স্টেডিয়ামের প্রাচীরের ওপরও তিল ধারণের জায়গা ছিল না। প্রথম সাফ মহিলা ফুটবলের স্বাগতিক বাংলাদেশের খেলা দেখার অধীর অপেক্ষায় ছিল কক্সবাজারবাসী। তাদের হতাশ করেনি বাংলাদেশের মেয়েরা। নিজেদের প্রথম ম্যাচে শ্রীলঙ্কাকে হারাল ২-০ গোলে। সুইনু প্রু ও সাবিনা করেছেন গোল দুটি।
শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে গত এসএ গেমসেও ২-০ গোলেই জিতেছিল বাংলাদেশ। সেই জয়ের স্মৃতি বাংলাদেশকে আত্মবিশ্বাস জোগাচ্ছিল। মাঠে নামার আগে দলের খেলোয়াড়দের মুখে ছিল ভালো ফুটবল উপহার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি। স্কোরলাইন বড় হয়নি, তবে বলা যায়, প্রতিশ্রুতি কিছুটা হলেও রক্ষা করতে পেরেছে তারা।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুটা বাদ দিলে পুরো ম্যাচেই আক্রমণাত্মক খেলেছে বাংলাদেশ। ওই সময়ের অগোছালো মাঝমাঠটা মনে করিয়ে দিচ্ছিল গত সেপ্টেম্বরের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইপর্বকে। ওই টুর্নামেন্টে প্রথমার্ধে দারুণ খেলা বাংলাদেশ প্রতিটি ম্যাচেই ভেঙে পড়ত দ্বিতীয়ার্ধে। তিন ম্যাচে তাই হজম করতে হয় ১৮ গোল। মনে হলো সেখান থেকে অনেকটাই বেরিয়ে এসেছে এই দল। এএফসি অনূর্ধ্ব-১৯ বাছাইয়ে পুরোনো রোগের ওষুধ কিছুটা হলেও দিতে পেরেছেন কোচ গোলাম রব্বানি (ছোটন)।
ম্যাচের শুরুতেই আক্রমণে যাওয়া বাংলাদেশ প্রথম গোলটা পায় ১১ মিনিটে। ডি-বক্সের বাইরে থেকে অম্রার বাড়িয়ে দেওয়া বলে বাঁ প্রান্ত থেকে কোনাকুনি শটে গোল করেন সুইনু প্রু। তবে প্রথমার্ধে আরও কয়েকটি সুযোগ পেলেও গোলসংখ্যা বাড়াতে পারেনি বাংলাদেশ। ৭৬ মিনিটে জয় নিশ্চিত করা দ্বিতীয় গোলটি করেন সাবিনা। মাঝমাঠ থেকে টেনে নিয়ে শ্রীলঙ্কার ডিফেন্ডার কাথি মালিকাকে কাটান, এরপর ওয়ান-টু-ওয়ান পরিস্থিতিতে গোলরক্ষক শিহানিকে ডজ দিয়ে গোল করেন বাংলাদেশের এই স্ট্রাইকার।
জয় দিয়ে টুর্নামেন্ট শুরু করতে পেরে দারুণ খুশি কোচ গোলাম রব্বানি, ‘মেয়েদের যেভাবে বলেছিলাম সেভাবেই খেলেছে। ওদের পারফরম্যান্সে আমি খুশি। ওদের আগেই বলেছিলাম যে এ ম্যাচে জয়ের কোনো বিকল্প নেই।’ অধিনায়ক তৃষ্ণা চাকমা জয়ের কৃতিত্ব দিলেন পুরো দলকে, ‘এই জয় আমাদের দলীয় সাফল্যের ফল। সবাই ভালো খেলেছে।’ পুরো ম্যাচে দাপটের সঙ্গে খেলা সাবিনা জানালেন, ‘এর আগেও শ্রীলঙ্কাকে হারিয়েছি। তাই আমরা আত্মবিশ্বাসী ছিলাম ওদের বিপক্ষে জিতব। এখন ভুটানকে নিয়ে বেশি ভাবছি না। তবে আমাদের মূল লক্ষ্য ভারতের বিপক্ষে জয়।’ বাংলাদেশের কাছে হারের জন্য মাঠটাকে দুষলেন শ্রীলঙ্কার কোচ চামিন্ডা নেইল স্টেনমোর, ‘মাঠটা আন্তর্জাতিক মানের নয়। এ জন্য আমাদের দুজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় দিকি কুলাতেঙ্গা ও দিপথী ফার্নান্ডো ইনজুরিতে পড়েছে। বাধ্য হয়ে ওদের তুলে নিতে হয়েছে।’ খেলা শেষে দিপথীকে স্থানীয় সদর হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সম্ভবত তাঁর বাঁ পায়ের হাড় ভেঙে গেছে।
বাংলাদেশ: সাবিনা আক্তার, তৃষ্ণা, ফারহানা, সুরভি, খালেদা, নিশুচিং (বীথি), সুইনু (রুপালী), মাইনু, জাহানারা, সাবিনা খাতুন, অনু চিং।
আজকের খেলা
পাকিস্তান-মালদ্বীপ, নেপাল-আফগানিস্তান
বিস্তারিত জানতে প্রথম আলো দেখুন
০টি মন্তব্য ০টি উত্তর

আপনার মন্তব্য লিখুন

ছবি সংযুক্ত করতে এখানে ড্রাগ করে আনুন অথবা কম্পিউটারের নির্ধারিত স্থান থেকে সংযুক্ত করুন (সর্বোচ্চ ইমেজ সাইজঃ ১০ মেগাবাইট)
Shore O Shore A Hrosho I Dirgho I Hrosho U Dirgho U Ri E OI O OU Ka Kha Ga Gha Uma Cha Chha Ja Jha Yon To TTho Do Dho MurdhonNo TTo Tho DDo DDho No Po Fo Bo Vo Mo Ontoshto Zo Ro Lo Talobyo Sho Murdhonyo So Dontyo So Ho Zukto Kho Doye Bindu Ro Dhoye Bindu Ro Ontosthyo Yo Khondo Tto Uniswor Bisworgo Chondro Bindu A Kar E Kar O Kar Hrosho I Kar Dirgho I Kar Hrosho U Kar Dirgho U Kar Ou Kar Oi Kar Joiner Ro Fola Zo Fola Ref Ri Kar Hoshonto Doi Bo Dari SpaceBar
এই পোস্টটি শেয়ার করতে চাইলে :
আলোচিত ব্লগ

'ট্রিট' বা 'উদযাপন' মানে স্রেফ খাওয়া-দাওয়াই মূখ্য কেন??

লিখেছেন শেহজাদ আমান, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৩৭



আমাদের উদযাপনটা হয়ে গেছে অনেকটা খাওয়া-দাওয়া কেন্দ্রিক? 'ট্রিট' বা 'সেলিব্রেশন' বলতে আমরা কেবল খাওয়া-দাওয়াকেই বুঝি...কিন্তু এটা কিন্তু ভিন্নরকমভাবেও করা যায় নিঃসন্দেহে!

প্রিয় কেউ ভালো কোনোকিছু করলে, সফলতা পেলে বা... ...বাকিটুকু পড়ুন

মাওলার দায়িত্ব পেয়ে সেই দায়িত্ব পালন না করায় হযরত আলীকে (রা.) মাওলা বলা ঠিক না

লিখেছেন মহাজাগতিক চিন্তা, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:১৮



সূরাঃ ৬ আনআম, ১৫৩ নং আয়াতের অনুবাদ-
১৫৩। আর এপথই আমার সিরাতিম মুসতাকিম (সরল পথ)। সুতরাং তোমরা এর অনুসরন করবে, এবং বিভিন্ন পথ অনুসরন করবে না, করলে তা’ তোমাদেরকে... ...বাকিটুকু পড়ুন

আমাদের নিজেদের না পাওয়া গুলো অন্যদের পেতে সাহায্য করা উচিত।

লিখেছেন নূর আলম হিরণ, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ৯:৪২


আমরা মানুষেরা সবসময় ভালো থাকতে চাই। ভালো খেতে চাই, ভালো পড়তে চাই, ভালো চাকুরী/ব্যবসা করতে চাই। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই আমাদের চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল থাকেনা। এই চাওয়ার সাথে পাওয়ার মিল... ...বাকিটুকু পড়ুন

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!

লিখেছেন স্বপ্নের শঙ্খচিল, ৩১ শে মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:২২

ধান ভানতে শীবের গীত : প্রজা বলে শীত ! শীত!!


সমুদ্রে বড় জাহাজ যখন ডুবতে থাকে, তখন কে ধনী বা কে গরীব প্রকৃতি তার বাছ-বিচার করেনা ।
বা বলা চলে, কে পাপী... ...বাকিটুকু পড়ুন

এতো সুর আর এতো গান - আমার কণ্ঠে

লিখেছেন সাড়ে চুয়াত্তর, ০১ লা এপ্রিল, ২০২৬ রাত ২:০০

একটা হারানো দিনের গান গাওয়ার চেষ্টা করেছি (Cover Song)। আশা করি সবাই উপভোগ করবেন।

গান - এতো সুর আর এতো গান
মূল গায়ক - সুবীর সেন
গীতিকার এবং সুরকার - সুধিন... ...বাকিটুকু পড়ুন

×