"স্রষ্টার অস্তিত্ব অস্বীকার করলে যেসব প্রশ্ন বা জটিলতা তৈরী
হয় তা মূর্খও বোঝে । আর স্বীকার করলে যেসব জটিলতা তৈরী
হয় তা বুঝতে উন্নত চিন্তার প্রয়োজন হয়"
_____________________________________________
অপনোদন : জানিনা আপনি এর দ্বারা কি বোঝাতে চাচ্ছেন । আমি যদি ভুল বুঝে না
থাকি হয়তো আপনি বলতে চাচ্ছেন যে স্রষ্টা নাই যারা বলেন তাদের থেকে আছে
পক্ষের লোকেরা অনুন্নত চিন্তার অধিকারী । আর নাই পক্ষের লোকেরা অপেক্ষাকৃত
উন্নত চিন্তার অধিকারী । তাহলে উন্নত চিন্তার মানুষ গুলোর চিন্তাশক্তি কি এতোই
প্রখর যে আজও পর্যন্ত তারা এর সমাধান বের করতে পারলো না । অথবা এর
সমাধান কি এতোই জটিল যে মানুষের পক্ষে তার সমাধান বের করা অসম্ভব আর
বাস্তব সত্যও এই যে মানুষের চিন্তা - বুদ্ধি আজও পর্যন্ত সেই জটিলতার মজবুত
দেয়াল ভেদ করতে পারেনি । আর কিয়ামত পর্যন্ত মানুষের অর্জিত সকল জ্ঞান ও
অভিজ্ঞতা একত্রিত করেও মানুষ এর সমাধান বের করতে পারবে না । পৃথিবীর
যাবতীয় সৃষ্টি থেকে সৃষ্টি নৈপুন্য জ্ঞান বুদ্ধি বিবেচনায় মানুষ শ্রেষ্ঠ সন্দেহ নেই । তবে
তার সীমবদ্ধতা আছে । সৃষ্টিগতভাবে মানুষকে অসীম শক্তি দেয়া হয়নি আবার তাকে
এতোটা দূর্বল করা হয়নি যে সে অন্য সৃষ্টির পদানত হয়ে থাকবে । কিন্তু বিভিন্ন সময়
মানুষ তার এ দুয়ের সীমা অতিক্রম করে অভিনব পথ বেঁছে নিয়েছে কেউ জগতের
অপরাপর জীব বা জড়বস্তুর কাছে নিজের শির নত করেছে । কখনো নিজেকে
সর্বশক্তিমান প্রভূ দাবী করেছে বিশ্বজগতের প্রভূকে অস্বীকার করেছে । স্রষ্টার প্রশ্নে
মানুষকে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন নীতি অবলম্বন করতে দেখা গেছে । কেউ বলেছেন স্রষ্টা
বলতে কিছু নেই । কেউ বলেছেন থাকতেও পারে নাও থাকতে পারে । কেউ
বলেছেন স্রষ্টা আছে তবে একজন নয় অনেক । কেউ বা বলেছেন স্রষ্টা একজন
আছেন তবে মানব জীবনের সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই । এসব বিভিন্ন নীতি
অবলম্বনকারীদের কারো কাছে কোন নিশ্চিত জ্ঞান নেই । তাদের দাবীর পক্ষে
কোন অকাট্য দলীল নেই । তবে বিভিন্ন সময়ে কিছু মানুষ দাবী করেছে যে তাদের
কাছে ঈশ্বর প্রদত্ত নিশ্চিত জ্ঞান আছে । এবং তারা দাবী করেছে যে তাদের কাছে
সুষ্পষ্ট দলীল আছে । তারা তাদের দলীল পেশ করেছে । পাশাপাশি তারা
সৃষ্টিজগতের প্রতি, এর প্রত্যেকটি ক্রিয়াকর্ম ও নিয়ম শৃঙ্খলার প্রতি গভীর দৃষ্টি
নিক্ষেপের দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন । মানুষের চারপাশে এমনসব নিদর্শন
ছড়িয়ে আছে যা থেকে সে স্রষ্টার অস্তিত্ব অনুভব করতে পারে । মানুষ যদি নিজের
দিকে একবার দৃষ্টি দেয় তবে সে যে স্রষ্টার সবচেয়ে বড়ো নিদর্শন তা খুব সহজেই
অনুধাবন করতে পারে । কিন্তু কিছু মানুষ এসব কিছুকে যথেষ্ঠ মনে করে নি তারা
এমন যিনিষ নিয়ে গবেষণা শুরু করল যা তাদের আয়ত্তের বাইরে । এমন কারো
সন্ধানে উন্নত চিন্তার পরিচয় দিতে গেলো যেখানে সে অক্ষম । অথচ সঠিক
পথনির্দেশের জন্য এমন সব সহজ নিদর্শনের প্রয়োজন ছিলো যা সবার জন্যে বুঝা
সহজ । সল্পোন্নোত বিবেক দিয়েও যাকে অনুভব করা যায় .. বিবেকের সঠিক রায়
এই হওয়া উচিৎ ছিলো যে এমন সুশৃঙ্খল ভাবে যে সৃষ্টিজগৎ চলছে । সে কিভাবে
নিয়ন্ত্রকহীন হতে পারে আর তার শেষ পরিনতি কেমন করে নিরুদ্দেশ হতে পারে ।
যারা এর চেয়ে উন্নত মস্তিস্কের পরিচয় দিতে চান তারা স্রষ্টার স্রষ্টা নিয়ে বা বিগব্যাং
এর আগের অবস্থা নিয়ে গবেষণা করে করে দিন পার করতে পারেন..........

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

