
অরণ্যের মৃত্যু (বার ) .
একটা হৃদয় চিতার অনল,একটা তাহার শ্মশান
পুড়েই তাদের সুখের মিলন,আগুন প্রেমের বাগান।
পোড়াটা তাই লেপটে থাকে,জন্ম দাগের মতো,
দগ্ধ সদাই মুগ্ধ করে,জীবন জুড়ে ক্ষত ।
তার ছিল একটা আকাশ,একটা রবি চাঁদ,
দিনের আলো ছিল সেথা,ছিল আঁধার রাত।
একটা নদী শ্রাবণ ডাকে,একটা বাগান বসন্ত
সুখের ছোঁয়ায় কাটতো সেথা,গ্রীষ্ম শরত হেমন্ত।
একদিন এক তুফান প্লাবন,চিতার শ্মশান বন্দরে
নিভিয়ে অনল ডুবিয়ে দিলো,বেঁচে থাকার প্রান্তরে।
সে-ই হারালো পোড়ার দহন, শীতল ভীষণ তাপে,
মিলন সুখের আগুন এখন,থর-থরিয়ে কাঁপে।
একটা স্মৃতি কষ্ট কালো,একটা আশার মেঘে
একটা কাটে অঘোর ঘুমে,আরেকটা রাত জেগে।
কষ্ট স্মৃতির প্রেমের কাঁটা,লেপটে থাকে বুকে
ছাইচাপা তার আগুন হয়ে,পোড়ায় ধুঁকে ধুঁকে।
একটা রঙিন স্বপ্ন ছিল একজোড়া তার চোখে
সেথায় এখন দুঃখের ভাগাড়,ময়লা ঘাঁটায় কাকে।
শুদ্ধ চাওয়ার স্বপ্নটা আজ,আঁটকে ভুলের ফাঁদে,
রাত্রি পোড়ায় আঁধার কোলে,পোড়ায় দিনের রোদে।
রাত্রি জাগার সকাল গুলো,সাথেই থাকে নিত্য,
ঘুম ভাঙানো ঊষা দিদির-এখান দুয়ার দূরত্ব।
এখন জীবন সস্তা ভীষণ,আসুর খোঁজা বিহঙ্গ
যেমন করে ঝাঁপিয়ে মরে,আগুন মাঝে পতঙ্গ।
সর্বশেষ এডিট : ২৫ শে অক্টোবর, ২০১৫ বিকাল ৩:৫৮

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।



