বিখ্যাত/নিন্দিত ব্যক্তিদের নাম ব্রান্ড হয়ে ওঠে। এই তালিকায় থাকতে পারে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাহিত্যিক, অভিনয় শিল্পী, গায়ক-গায়িকা, চিত্রশিল্পী, নৃত্যশিল্পী, সমাজসেবী, অর্থনীতিবিদ, খেলোয়ার। ব্রান্ড হয়ে ওঠা এই নামগুলোর কয়েকটা কমন বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান, যেমন -
১. নিদৃষ্ট একটা ভূখন্ডের অধিবাসীর এই নামগুলোর সাথে পরিচিত
২. এই নামগুলো উচ্চারণের সাথে জনগণ একটা ইমেজ কল্পনা করতে পারে।
এ নামগুলোর বিশিষ্টতার নিরিখে বিভিন্ন পন্য, স্থাপনা ও সামাজিক আদর্শবাদের প্রচার ও বিপনন হয়ে থাকে। বাংলাদেশে ব্যক্তির নাম ব্রান্ড হয়ে ওঠার নজির আছে যদিও তা সংরক্ষণের কোন নীতিমালা প্রণীত হয়নি। এক্ষেত্রে উদাহরণসরূপ কয়েকটা নামের কথা উল্লেখ করছি, যেমন, বঙ্গবন্ধু, জিয়া, ভাসানী, ওসমানী, ইউনুস, হুমায়ুন আহমদ, রাজ্জাক, এরশাদ, শাবানা, এন্ড্রু কিশোর, রুনা লায়লা, সাবিনা ইয়াসমীন, আবদূল্লাহ আবু সায়ীদ, ক্রিকেটার রফিক, বাংলা ভাই (নামগুলো কোন জরিপের ক্রমানুসারে সাজানো নয়) - এসমস্ত নামগুলো বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইকন হিসাবে ব্যবহৃত হয়।
বিশ্বে চে গুয়েভারার নাম একটা পপুলার ব্রান্ড হিসাবে সংরক্ষিত। তার পরিবার কমার্শিয়াল উদ্দেশ্যে চে'র নাম ব্যবহৃত হলে একটা রয়েলটি পেয়ে থাকে। তাছাড়া এতে নামের উদ্দেশ্যপ্রনোদিত ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়। বাংলাদেশে বঙ্গবন্ধু থেকে শুরু করে অনেক নাম রয়েছে যার ব্যপ্তি ভৌগলিক অব্স্থান ছাপিয়ে গিয়েছে। আপনাদের কাছে বাংলাদেশের এমন ব্যক্তিত্বের নামগুলো জানতে চাচ্ছি যা আপনার কাছে মনে হয় ব্রান্ড হিসাবে সবচেয়ে উপরের সাড়ির দিকে অবস্থান করবে!
এ জরিপে বিখ্যাত অথবা কুখ্যাত আলাদা করা হয়নি, সব নামের কমার্শিয়াল ভ্যালু রয়েছে। নিজেদের পছন্দের ক্রমানুসারে নামগুলো লিখবেন কি দয়া করে! অবশ্যই আমি যে নামগুলো বলেছি সেগুলো ভুলে যান, নিজের মত করে নামগুলো কল্পনা করুন এবং নামাঙ্কিত করুন!

অনুগ্রহ করে অপেক্ষা করুন। ছবি আটো ইন্সার্ট হবে।

